কোন রোগের কারণে T- helper cell ধ্বংস হয়?
JUUnit-DSet-5জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসঘটিত রোগসমূহ (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
এইডস
Explanation: এইডস রোগে T-helper কোষ ধ্বংস হয়, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে ফেলে। এটি HIV ভাইরাসের কারণে হয়।
Another Explanation (5):
প্রশ্নঃ কোন রোগের কারণে T-helper cell ধ্বংস হয়?
উত্তর: এইডস (AIDS)
বিশদ ব্যাখ্যা:
অ্যাডস্স (AIDS) বা অ্যাপোলো-টাইপড ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি সিনড্রোম হলো এক ধরনের রোগ, যা HIV ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। এই রোগের কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার মূল কাণ্ড, অর্থাৎ T-helper cells বা CD4+ T cells, ধ্বংস হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কমে যায় এবং সাধারণ সংক্রমণ বা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
কারণ ও প্রক্রিয়া:
- HIV ভাইরাসটি মূলত CD4+ T cells-এর উপর আক্রমণ করে এবং তাদের ধ্বংস করে।
- HIV ভাইরাসটি শরীরে প্রবেশ করে এই কোষগুলিকে পুনরায় সংক্রমিত করে, ফলে ধীরে ধীরে এই কোষগুলো কমে যায়।
- অবশেষে, যখন T-helper cells এর সংখ্যা খুব কমে যায়, তখন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
তালিকা: HIV ভাইরাসের কার্যপ্রণালী
| পর্যায় | বর্ণনা |
|---|---|
| সংক্রমণ | HIV শরীরে প্রবেশ করে T-helper cells-এ আক্রমণ করে। |
| প্রজনন | HIV কোষের মধ্যে প্রবেশ করে পুনরুত্পাদন করে। |
| ধ্বংস | HIV ভাইরাস T-helper cells ধ্বংস করে, ফলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। |
নোট:
💉 এইডস এর জন্য কোন নির্দিষ্ট ঔষধ থাকলেও, এর প্রতিকার হলো HIV ভাইরাসের প্রতি প্রতিরোধ গড়ে তোলা ও অসংখ্য চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ।
Option A Explanation:
ক্যান্সার সম্পর্কে ব্যাখ্যা
- অর্থ: ক্যান্সার হলো একটি রকমের অসাধারণ রোগ যেখানে কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ থেকে বিচ্যুত হয়।
- অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস: ক্যান্সার কোষগুলো নিয়মিত ও স্বাভাবিকভাবে বিভাজিত হয় না, বরং এটি অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হয়। এই কারণে, টিস্যু ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন ও কাজ ব্যাহত হয়।
- কারণ: অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের ফলে টিউমার গঠন হয়, যা ক্ষতিকর এবং প্রয়োজনে চিকিৎসার জন্য জরুরি।
- প্রভাব: ক্যান্সার বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যার ফলে শরীরের ???্বাভাবিক কার্যাবলী ব্যাহত হয় এবং জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।
Option B Explanation:
গনোরিয়া
- সংক্রমণের কারণ: গনোরিয়া রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া Neisseria gonorrhoeae।
- প্রভাব: এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত যৌনসংক্রান্ত মাধ্যমে ছড়ায় এবং প্রাথমিকভাবে মিউকোসাল স্ফীতিগুলিতে সংক্রমণ ঘটায়।
- প্রচলিত লক্ষণ: মূত্রনালী ও জরায়ুর মুখে ক্ষত সৃষ্টি, পিচ্ছিল রস এবং জ্বালা।
- প্রতিরোধ ও চিকিৎসা: অ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা চিকিৎসা সম্ভব, তবে ব্যাকটেরিয়া ধীরে ধীরে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি প্রতিরোধ গড়ছে।
Option C Explanation:
এইডস (AIDS) এর ব্যাখ্যা
- সম্প্রতি: এইডস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (HIV) দ্বারা সৃষ্টি হয়।
- প্রভাব: এটি মানুষের শরীরের প্রতিরক্ষামূলক সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয়, ফলে সাধারণ সংক্রমণ ও অসুস্থতা সহজে আঘাত করে।
- সংক্রমণের পথ: এইডস সাধারণত রক্ত, সঙ্গমের মাধ্যমে বা মা থেকে সন্তানকে ট্রান্সমিট হয়।
- অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিসের সাথে সম্পর্ক: এইডসের কারণে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ায়, সংক্রমণ ও ক্যান্সার উন্নয়নের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে, সরাসরি অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিসের কারণে এইডস হয় না, বরং এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
Option D Explanation:
- সিফিলিস একটি যৌন সংক্রামক রোগ যা বেকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট।
- এর মূল কারণ হলো Treponema pallidum নামক ব্যাকটেরিয়া।
- প্রাথমিক উপসর্গসমূহে দেখা যায় চাকা বা ঘা, যা সাধারণত নীরব থাকে।
- অন্য ধাপে র্যাশ, গুটিনির মতো লক্ষণ দেখা যায়।
- উপচন ও দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা মুক্তির জন্য অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা প্রয়োজন।