কোনটি বংশগতির বাহক?
MEDICALজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনবংশগতিবিদ্যা বা জিনতত্ত্ব বা জেনেটিক্স (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
ক্রোমোজোম
Explanation: ক্রোমোজোম বংশগতির বাহক। A. ক্রোমোজোম - সঠিক উত্তর, কারণ এটি জিন বহন করে; B. এক্রোজোম - ভুল, এটি শুক্রাণুর অংশ; C. লাইসোজোম - ভুল, এটি কোষের অপচয় সামগ্রী হজম করে; D. রাইবোজোম - ভুল, এটি প্রোটিন সংশ্লেষ করে। নোট: ক্রোমোজোম ডিএনএ এবং প্রোটিন নিয়ে গঠিত।
Another Explanation (5):
প্রশ্নঃ কোনটি বংশগতির বাহক?
উত্তরঃ ক্রোমোজোম 🧬
বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা:
বংশগতির বাহক বলতে বোঝায় সেই উপাদান বা জিন যা কোনও ব্যক্তির জেনেটিক বৈশিষ্ট্য বা বৈশিষ্ট্যসমূহ পরবর্তী প্রজন্মে ট্রান্সমিট করে।
ক্রোমোজোমের ভূমিকা:
- 🧬 ক্রোমোজোম হলো ডিএনএ (DNA) এর সংগঠিত গুচ্ছ, যা জীবের জেনেটিক তথ্য বহন করে।
- প্রতিটি জীবের কোষে বেশ কিছু ক্রোমোজোম থাকে, যা জেনেটিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
- বংশগতির জন্য এই ক্রোমোজোমই মূল বাহক হিসেবে কাজ করে।
তালিকা: ক্রোমোজোমের বৈশিষ??ট্য
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| সংখ্যা | প্রতিটি প্রজাতির জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে (উদাহরণস্বরূপ, মানুষের জন্য 46) |
| অবস্থান | প্রধানত কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত |
| ভূমিকা | জেনেটিক তথ্য সংরক্ষণ ও স্থানান্তর করে |
উপসংহার:
অতএব, ক্রোমোজোম হলো সেই মূল উপাদান যা বংশগতির বাহক হিসেবে কাজ করে, কারণ এটি জীবের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছে দেয়। 🧬✨
Option A Explanation:
ক্রোমোজোমের ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোমের ব্যাখ্যা
- সংজ্ঞা: ক্রোমোজোম হলো ডিএনএ (DNA) এর গুচ্ছ, যা জীবের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে।
- অবস্থান: এইক্রোমোজোমগুলি জীবের কোষের নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায়।
- সংখ্যা: প্রজাতির উপর নির্ভর করে ক্রোমোজোমের সংখ্যা পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মানুষের মধ্যে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে।
- ভূমিকা: ক্রোমোজোম জেনেটিক বৈচিত্র্য, বৈশিষ্ট্য ও বংশগতির তথ্য বহন করে।
- প্রকার: মূলত দুই ধরণের ক্রোমোজোম আছে: স্বাভাবিক (অটোসোম) এবং লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
Option B Explanation: ```html
- এক্রোজোম: এটি হলো ডিএনএ এর একটি ধরণ যা জীবের জেনেটিক তথ্য বহন করে।
- প্রতিটি এক্রোজোমের মধ্যে অনেক জেনের সংমিশ্রণ থাকে, যা বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
- অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক পরিবেশের প্রভাবে এই জেনগুলো কার্যকর হয় বা হয় না।
- বংশগতির জন্য মূলত এক্রোজোমই দায়ী, কারণ এটি জেনেটিক ইনফরমেশন সংরক্ষণ করে।
Option C Explanation:
- লাইসোজোম: লাইসোজোম হল একটি অণুকোষী বা ইউক্যারিওটিক কোষে থাকা এক ধরনের অঙ্গাণু যা জীবাণু বা মৃত কোষের অঙ্গাণু ও কণ???কাগুলি ভেঙে ফেলার জন্য কাজ করে।
- ভিত্তি: লাইসোজোমের মধ্যে বিভিন্ন এঞ্জাইম থাকে, যেমন হাইড্রোলাইসিস এঞ্জাইম, যা পচনপ্রক্রিয়া চালায়।
- গঠন: এটি সাধারণত গ্লাইকলিপিড দিয়ে আবৃত, যার ভিতরে এঞ্জাইম ও বিভিন্ন প্রকারের প্রোটিন থাকে।
- কাজ: এটি জীবাণু বা মৃত কোষের অঙ্গাণু ভেঙে নতুন উপাদানে রূপান্তর করে, যা কোষের স্বাভাবিক কার্যকলাপে সহায়তা করে।
- উপকারিতা: কোষের পরিপক্বতা ও পুনঃপ্রজননে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Option D Explanation:
- রাইবোজোম: রাইবোজোম হল কোষে প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য দায়ী অঙ্গানু। এটি সাধারণত কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত এবং দুটি ধরণের হতে পারে: ফ্রি রাইবোজোম এবং রিটিকুলার এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (ER)-এর সাথে যুক্ত রাইবোজোম।
- অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য: রাইবোজোমের মধ্যে রাইবোজোমের উপাদানগুলি প্রধানত RNA এবং প্রোটিন। এগুলি ছোট, গোলাকার গঠন, যা প্রোটিন সংশ্লেষের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
- অঙ্গানুর গঠন: রাইবোজোম সাধারণত দুটি উপাদানে গঠিত: ছোট এবং বড় উপাদান। এগুলি একসাথে জোড়া হয়ে কাজ করে, এবং এর মধ্যে RNA এর উপস্থিতি প্রোটিন সংশ্লেষণে সহায়ক।
- অঙ্গানুর কার্যকারিতা: রাইবোজোমের মূল কাজ হল অ্যামিনো অ্যাসিডের যোগান দিয়ে প্রোটিন তৈরি করা, যা কোষের বিভিন্ন কার্যকলাপে ব্যবহৃত হয়।