গ্রেগর জোহান মৃত্যুবরণ করেন কত সালে?
RUUnit-FSet-2জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনবংশগতিবিদ্যা বা জিনতত্ত্ব বা জেনেটিক্স (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
১৮৮৪
Explanation:

Another Explanation (5):
গ্রেগর জোহান মেন্ডেল: জীবন ও কর্ম 🧬
গ্রেগর জোহান মেন্ডেল ছিলেন একজন অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত ধর্মযাজক ও বিজ্ঞানী। তিনি বংশগতিবিদ্যার জনক হিসাবে পরিচিত। মেন্ডেল ১৮৮৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
জীবন বৃত্তান্ত 👨💼
- জন্ম: ২০ জুলাই, ১৮২২ 🎂
- জন্মস্থান: হেইঞ্জেনডর্ফ, অস্ট্রিয়ান সাম্রাজ্য 🇦🇹
- পেশা: ধর্মযাজক, শিক্ষক, বিজ্ঞানী 👨🏫
- প্রধান কাজ: মটরশুঁটি গাছের উপর বংশগতি পরীক্ষা 🌱
- মৃত্যু: ৬ জানুয়ারি, ১৮৮৪ ✝️
- মৃত্যু স্থান: ব্রুন, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি 🇦🇹🇭🇺
গুরুত্বপূর্ণ অবদান 🏆
- বংশগতির মৌলিক সূত্র আবিষ্কার 📜
- প্রকট ও প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য ধারণা প্রবর্তন 💡
- জিনতত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন 🧱
মেন্ডেলের সূত্রসমূহ 🧪
| সূত্রের নাম | বর্ণনা |
|---|---|
| পৃথকীকরণ সূত্র (Law of Segregation) | বৈশিষ্ট্য সৃষ্টিকারী উপাদানগুলো মিশ্রিত না হয়ে জননকোষ তৈরির সময় আলাদা হয়ে যায়। ✂️ |
| স্বাধীনভাবে বিন্যাস সূত্র (Law of Independent Assortment) | দুই বা ততোধিক বৈশিষ্ট্যের জিনগুলো জননকোষে স্বতন্ত্রভাবে বিন্যস্ত হয়। 🔀 |
| প্রকটতার সূত্র (Law of Dominance) | সংকর জীবে বিপরীত বৈশিষ্ট্যের মধ্যে কেবল প্রকট বৈশিষ্ট্যই প্রকাশিত হয়। 💪 |
আরও কিছু তথ্য ➕
মেন্ডেলের কাজ প্রথম দিকে তেমন স্বীকৃতি পায়নি, তবে বিংশ শতাব্দীর শুরুতে তাঁর সূত্রগুলো পুনরায় আবিষ্কৃত হলে তিনি বংশগতিবিদ্যার জগতে চিরস্থায়ী স্থান করে নেন। 💯
মেন্ডেলের মটরশুঁটি নিয়ে করা গবেষণা জীববিজ্ঞানকে নতুন পথে চালিত করেছে। ➡️ তাঁর কাজের মাধ্যমেই আমরা জীবের বংশগতি এবং বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পেরেছি। 👍
আজও মেন্ডেলের সূত্রগুলো জিন প্রকৌশল এবং জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। 🧬🔬
গ্রেগর জোহান মেন্ডেল সত্যিই একজন অসাধারণ বিজ্ঞানী ছিলেন। 🌟