তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
সাকিনা বিবির কপাল ভাঙলো;
সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।
তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,
শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলো।
দানবের মতো চিৎকার করতে করতে
তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
ছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হলো। রিকয়েললেস রাইফেল
আর মেশিনগান খই ফোটালো যত্রতত্র।
'রেইনকোট' গল্পে শিক্ষক নুরুল হুদার শারীরিক ও মানসিক পরিণতির যে চিত্র বর্ণিত হয়েছে তার প্রতীকী ব্যঞ্জনা উদ্দীপকে নেই। মন্তব্যটি তোমার যুক্তিসহ বিশ্লেষণ কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'রেইনকোট' গল্পটি কোন গ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে?
- 'রেইনকোট' গল্পে পিয়নের নাম কী?
- রেডিও টিভিতে বিখ্যাত ও পদস্থ ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে প্রোগ্রাম করিয়েও কর্তাদের তেমন সুবিধা হচ্ছে না বোধ হয়। তাই বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীদের ধরে ধরে তাঁদের দিয়ে খবরের কাগজে বিবৃতি দেওয়ানোর কূটকৌশল শুরু হয়েছে। আজকের কাগজে ৫৫ জন বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীর নাম দিয়ে এক বিবৃতি বেরিয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ সানন্দে এবং সাগ্রহে সই দিলেও বেশির ভাগ বুদ্ধিজীবী ও শিল্পী যে বেয়োনেটের মুখে সই দিতে বাধ্য হয়েছেন, তাতে আমার কোনো সন্দেহ নেই।[তথ্যসূত্র: 'একাত্তরের দিনগুলি'- জাহানারা ইমাম]উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কোন দিক থেকে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা, করো।
- কোন বানানটি শুদ্ধ নয়?
- ‘রেইনকোট’ গল্পে বর্ণিত জেনারেল উইন্টার কোন দেশের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য?
- প্রিন্সিপাল কাকে তোয়াজ করতেন?
- অযুত প্রাণের অগ্নিশিখায় সূর্য-কুঁড়িফৌজের হাঁকে কাঁপে থরথর দস্যুপুরী,নিমেষে ছড়ায়-তারই আওয়াজ দিগন্তরেমনে কি পড়ে?উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পে বাঙালিদের যে জাতীয় চেতনার স্ফুরণ ঘটেছে তা বিশ্লেষণ করো।
- মমতাজ উদ্দীন আহমদ রচিত নাটক 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা'। এ নাটকের উজ্জ্বল চরিত্র। দারোগা নুর মোহাম্মদ। অর্থ পুরস্কারের লোভে তিনি আকৃষ্টি হননি। তাইতো ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক পুরস্কার ঘোষিত আসামি স্বদেশি আন্দোলনের নেতাকে হাতের নাগালে পেয়েও ছেড়ে দিয়েছেন। এভাবেই দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করে যাওয়া বিপ্লবী চেতনার সাথে একাত্ম হয়ে গেছেন তিনি।উদ্দীপকের দারোগা নূর মোহাম্মদের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদা চরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে? বুঝিয়ে দাও।
- কার জন্য নুরুল হুদাকে তটস্থ থাকতে হয়?
- চারদিন ধরে বৃষ্টি। শনিবার রাতে কি মুষলধারেই যে হলো, রোববার তো দিনভর একটানা। গতকাল সকালের পর বৃষ্টি থামলেও সারাদিন আকাশ মেঘলা ছিল। মাঝে মাঝে এক পশলা বৃষ্টি এখন সন্ধ্যার পর বৃষ্টি নেই। ঘন ঘন মেঘ ডাকছে আর বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। বসার ঘরের জানালা দিয়ে তাকিয়ে ভাবছিলাম, আমার জীবনেও এতদিনে সত্যি সত্যি দুর্যোগের মেঘ ঘন হয়ে আসছে। এ 'রকম সময় করিম এসে ঢুকল ঘরে। সামনে সোফায় বসে বলল, ফুফুজান এ পাড়ার অনেকেই চলে যাচ্ছে বাড়ি ছেড়ে। আপনারা কোথাও যাবেন না? আরও একটা কথা শুনেছেন ফুফুজান? নদীতে নাকি প্রচুর লাশ ভেসে যাচ্ছে। পেছনে হাত বাঁধা, গুলিতে মরা লাশ।উদ্দীপকের প্রথমাংশের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- বঙ্গবন্ধুর মুক্তির কয়টি অর্ডার এসেছিল?
- 'রেইনকোট' গল্পে ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদা মুক্তিযোদ্ধা 'শ্যালকের 'রেইনকোট' গায়ে দিলে তার মধ্যে সঞ্চারিত হয়- উষ্ণতাসাহসদেশপ্রেমনিচের কোনটি সঠিক?
- 'up-to-date' শব্দের বাংলা পরিভাষা কোনটি?
- 'রেইনকোট' গল্পে রেইনকোটটি কীসের প্রতীক?প্রতিহিংসারদেশপ্রেমেরমুক্তিযুদ্ধেরনিচের কোনটি সঠিক?
- সাদবীন একটি স্কুলে মালীর কাজ করে। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজমান। হঠাৎ রাতে তার বাড়িতে আশ্রয় নেয় দূরসম্পর্কের এক আত্মীয়। পরে জানতে পারে সে ছিল একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা। ভুলক্রমে তার একটি অস্ত্র ফেলে ভোররাতে সে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রটি হাতে নিলে সাদবীনের ভিতরে দ্রোহের ভাব লক্ষ করে। কাউকে কিছু না জানিয়ে সে যুদ্ধে চলে যায় দেশ স্বাধীন করার জন্য।'সাদবীনদের 'দ্রোহ চেতনা স্বাধীনতা অর্জনের অন্যতম কারণ।'- উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'রেইনকোট' গল্পটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ১০ মার্চ, ১৯৭১। রাস্তায় রাস্তায় পাকিস্তানি মিলিটারি। গুয়াতলী গ্রামের হিন্দু জনগোষ্ঠী ভয়ে ভারতে পাড়ি জমায়। শুধু ভিটে আঁকড়ে পড়ে থাকে কেষ্টবাবু। পাশের গ্রামে, ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প। স্থানীয় রাজাকার কাশেম মোড়ল কেষ্টবাবুকে সন্দেহের চোখে দেখে। সে মনে করে কেষ্টবাবু মুক্তি বাহিনীর লোক। এক বৃষ্টিমুখর দিনে গুয়াতলী গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করে এবং কাশেম মোড়লের ইশারায় হানাদার বাহিনী তাকে ধরে নিয়ে পার্শ্ববর্তী রাস্তার পাশে জীবন্ত পুঁতে রেখে চলে যায়।উদ্দীপকের কেষ্টবাবু 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রকে স্মরণ করিয়ে দেয়? বুঝিয়ে দাও।
- রেইনকোট' গল্পে 'মিসক্রিয়ান্ট' বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
- ‘রেইনকোট’ গল্পে ‘রাশিয়ার ছিল জেনারেল উইন্টার, আমাদের জেনারেল মনসুন, প্রশঙ্গটি কোথায় উত্থাপিত হয়েছিল?
- তালেব মাস্টার অত্যন্ত ভীতু প্রকৃতির একজন মানুষ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের জন্য তার দাদার ফাঁসি হয়। সেই দাদার একজোড়া বুট এখনো তাদের আলমারিতে রক্ষিত আছে। মাঝে মাঝে সে বুটজোড়া পায়ে দেন মাস্টার। শরীরে সাহস সঞ্চার হয়, শরীরে আলাদা একটা উত্তেজনা অনুভব করেন। মুক্তিযোদ্ধারা ব্রিজ-কালভার্ট উড়িয়ে দিয়েছে, মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগসাজশ আছে ভেবে পাকিস্তানিরা তাকে গ্রেফতার করে। তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চলে। কিন্তু পায়ে থাকা দাদার বুটজোড়া তাকে সাহসী করে তোলে। দেশপ্রেম তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। তাঁর মুখ থেকে একটি শব্দও বের করতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তানি সেনারা।উদ্দীপকের তালেব মাস্টারের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।