'বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল'- কবিতাংশে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- বসন্তের আগমন সত্ত্বেও কবির নীরব ভূমিকা পালনের কারণ কী?
- 'বসন্ত বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি, এ মোর মিনতি।' কোন কবিতা থেকে নেয়া?
- 'পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে' — এর প্রতীকী তাৎপর্যকোনটি?
- 'তাঁহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি গঠনরীতির দিক দিয়ে-
- 'কী' বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে কোন বাক্যে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিতে কোনটির উল্লেখ নেই?
- কুহেলি উত্তরী তলে কে চলে গেছে?
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-/দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?" এখানে কবির কোন অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে?
- বসন্ত কাকে স্মরণ করে পৃথিবীতে এসেছে?
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,তোমার ঝাউয়ের দোলেমর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।"উদ্দীপক এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবিদ্বয়ের মধ্যে ঋতুর দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য রয়েছে।"- এ উক্তির সঙ্গে তুমি কি একমত? তোমার মন্ত্রের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- সগির বৈরাগীর কন্ঠ আর তার হাতের দোতারা যেন অবিচ্ছেদ্য। প্রায় একযুগ ধরে ভাওয়াইয়া গান গেয়ে উত্তরবঙ্গের মানুষের মনে তার নাম গেঁথে গেছে। এবার তিস্তা চরে নদীভাঙা মানুষদের নবান্নের উৎসবে গান গাইছেন তিনি। হঠাৎ খবর পান তার গুরু জয়ন্ত বৈরাগী মরণাপন্ন। স্তব্ধ হয়ে গেলেন সগির বৈরাগী। তারপর কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে গুরুর নামে দ্বিগুণ আবেগে আবার গাইতে শুরু করেন- কেননা 'The show must go on.'উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য বিচার করো।
- নাহি জানি, কেহ নাহি জানেতব সুর বাজে মোর গানেকবির অন্তরে তুমি কবিনও ছবি নও ছবি, নও শুধু ছবিউদ্দীপকের 'তব সুর বাজে মোর গানে' 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার যে দিকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- নাহি জানি, কেহ নাহি জানেতব সুর বাজে মোর গানেকবির অন্তরে তুমি কবিনও ছবি নও ছবি, নও শুধু ছবি"উদ্দীপকের শোক গীতিময় এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার শোক বিষাদময়।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- এ আমার ছোটো ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরোর মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরেবছর তিনেক আগে কাক ডাকা গ্রীষ্মের দুপুরে।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে বিশ্লেষণ কর।
- "চলে যায় মরি হায় বসন্তের দিন।দূর শাখে পিক ডাকে বিরাম বিহীন।অধীর সমীর- ভরে উচ্ছ্বসি বকুল ঝরে,গন্ধ সনে হল মন সুদূরে বিলীন।পুলকিত আম্রবীথি ফাল্গুনেরই তাপে,মধুকর গুঞ্জরণে ছায়াতল কাঁপে।কেন আজি অকারণে সারা বেলা আনমনেপরানে বাজায় বীণা কে গো উদাসীন।"উদ্দীপকের বসন্ত বর্ণনার সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বসন্ত বর্ণনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় দু'ধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা- তোমার মন ভালো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই বন্ধু। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'"আবিদের জবাবে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলবক্তব্যই প্রতিধ্বনিত হয়েছে"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।উদ্দীপকের রতনের সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির মিল কোথায়? যুক্তি দাও।
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ভেতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা ঝাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাকভেতরে আমার ভেঙে পড়ে শধু পাড়।উদ্দীপকের কবিতাংশটুকু সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- জাতীয় দলের খেলোয়াড় মুন্না তিন বছরের শিশুপুত্রকেহারিয়ে শোকে মোহ্যমান। না ফেরার দেশে চলে যাওয়াপুত্রের শোক সামলাতে না পেরে সে খেলাধুলা ছেড়েদিয়েছে। তাইতো সে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ানগেমসে ফুটবল খেলায় অংশতো নেয়ই নি, এমনকি খেলাদেখতেও যায় নি।উদ্দীপকের মুন্না 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়?