গঠনরীতির দিক থেকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন ধরনের কবিতা?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কবি সুফিয়া কামাল কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- বেগম সুফিয়া কামালের 'তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতা প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়— 'কোথা তব নবপুষ্পসাজ' – উক্তিটি কার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে?
- বাঙালি নারীর আত্মজাগরণে যে নারীর অবদান বেশি, তিনি হলেন রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। বিবাহের পর উদার মানসিকতার অধিকারী স্বামী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের, পরম মমতায়। ও সহযোগিতায় এবং নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তিনি স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন। আত্মশুদ্ধি ও নিজের জানার জগৎকে পরিশুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে, তিনি সাহিত্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর সাহিত্য সাধনায় বাঙালি মুসলিম নারী সমাজই মুখ্য হয়ে ওঠেন। সাহিত্য সাধনায় যখন তিনি নিয়োজিত তখন হঠাৎ করে • তাঁর প্রাণপ্রিয় স্বামী পরপারে যাত্রা করেন। এতে তিনি মর্মাহত হন। বিষাদপূর্ণ অন্তরে আপন কর্ম সম্পাদনের জন্য কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গালর্স স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে আজ বাঙালি নারী সমাজ মুক্ত-স্বাধীনভাবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে সমাজে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করছেন।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তুর সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- চারদিকে ভীষণ কুয়াশা। অমিতের 'আজ লেখার ইচ্ছে নেই।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার' কোন দিকটি তুলে ধরা হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ব্যবহৃত 'উত্??রী' শব্দের অর্থ কী?
- 'কুহেলি' শব্দের অর্থ কী?
- ‘কহিল সে সুদূরে চাহিয়া’ এর পরের অংশটি-
- ‘তার পিঠে রক্তজবার মতো___ ছিলো’ শূন্যস্থানে কী হবে?
- মাঘের সন্ন্যাসী' দিগন্তের কেমন পথে চলে গেছে?
- ভেতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা ঝাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাকভেতরে আমার ভেঙে পড়ে শধু পাড়।"কবিতাংশটুকুর কবির দহন যেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির অন্তর্দহন।"-মূল্যায়ন করো।
- কোন কবিতা জুড়ে রয়েছে বিষাদময় রিক্ততার সুর ?
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় দু'ধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা- তোমার মন ভালো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই বন্ধু। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'উদ্দীপকের বাতেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? উভয়ের ভূমিকার তুলনা করো।
- কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন বিশেষ দিকটি ধারণ করেছে? আলোচনা কর।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটির স্তবকসংখ্যা -
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।উদ্দীপকের রতনের সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির মিল কোথায়? যুক্তি দাও।
- "শুনি-নাই, রাখিনি সন্ধান।" কবি কিসের সন্ধান রাখেন নি?
- ‘হিম কুহেলির অন্তর তলে আজিকে পুলক জাগে,রাঙিয়া উঠেছে পলাশ কলিকা মধুর রঙিন রাগে।'অনুচ্ছেদটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনঘটনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- "হে কবি, নিরব কেন, ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি রবে নাকি........।
- সে চলে গেছে বলে কিগো স্মৃতি কি তার যায় ভোলাআজো মনে হলে তার কথা, মর্মে যে মোর দেয় দোলা।ঐ প্রতিটি ধূলিকণায়, আছে তার ছোঁওয়া লেগে হেথায়আজো তাহারি আসার আশায়, রাখি মোর ঘরের সব দ্বার খোলা।হেথা সে এসেছিল যবে ঘর ভরে ছিল ফুল উৎসবেমোর কাজ ছিল শুধু ভবে, তার হারগাঁথা আর ফুল তোলা।'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির হাহাকারের দৃশ্য যেন উদ্দীপকে প্রকাশ পেয়েছে- ব্যাখ্যা করো।
- 'তাহারেই মনে পড়ে' কবিতায় কবিকে আচ্ছন্ন করে-
- 'কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী।'- পঙক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- (i) তোমাকে যে ভালোবাসি এ কথা বাতাসেও জেনেছেএই বার্তা মুখে করে প্রভাময়ী আলো নিয়ে যায়আমাদের প্রেমের রূপে নীলবর্ণ আকাশ টাঙ্গায়দিকে দিকে জাগে ভোর, বনভূমে পাখিরা সেজেছে।(ii) তুমি চলে গেছ কত যুগ কত বছর?এইমাত্র সমুখে ছিলে, পাত্রে জল কাঁপছে এখনোযেন কোনো এক স্বপ্নঘেরা বাগানে লুকানোতোমার প্রেমের রূপ, প্রতিশ্রুতি, মিথ্যের শব্দবহর।উদ্দীপকের (ii) অংশের, সঙ্গে সুফিয়া কামালের 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য বিচার করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়- 'কুহেলী' শব্দের অর্থ কী?
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় ব্যবহৃত ‘পুষ্পারতি’ শব্দটি কিভাবে গঠিত হয়েছে?
- সে বসন্ত একদিন করেছিল শত কোলাহল- সে আজ নিঃশব্দে আসে আমার নির্জনে' - এই সাদৃশ্যের কারণ-
- "কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী"। —এখানে 'মাঘের সন্ন্যাসী' কে?
- রত্নার সন্তানটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন 'অটিস্টিক'। স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুর পর সে গার্মেন্টস-এ কাজ নেয়। রত্নার মা ছেলের দেখাশোনা করে। হঠাৎ একদিন রত্নার বাকশক্তিহীন ছেলেটি কোথাও চলে যায়। পাগলপ্রায় রত্না সবকিছু ছেড়ে তার হারানো ছেলেকে খুঁজে চলেছে।'প্রিয়জন হারানোর বেদনা কবিতা এবং উদ্দীপকে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত।'- তোমার মত দাও।
- একুশের বইমেলায় প্রতিবছর সবুজ সাহেবের কবিতার নতুন বই প্রকাশিত হয়। এ বছর তা হয়নি। গত ঈদে গ্রামের বাড়ির পুকুরে ডুরে সবুজ সাহেবের একমাত্র পুত্র ফয়সাল মারা যায়। কবি পুত্রশোকে শোকগ্রস্ত। বইমেলা উপলক্ষ্যে নতুন বই প্রকাশে কয়েকজন প্রকাশক কবি সবুজ সাহেবের কাছে পাণ্ডুলিপি চেয়েছেন। কিন্তু কবি কারো কথা রাখতে পারেননি।"উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বিষণ্ণতার সুর স্পষ্ট হয়েছে।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির নীরবতার কারণ কী?
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,তোমার ঝাউয়ের দোলেমর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।"উদ্দীপক এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবিদ্বয়ের মধ্যে ঋতুর দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য রয়েছে।"- এ উক্তির সঙ্গে তুমি কি একমত? তোমার মন্ত্রের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- জাতীয় দলের খেলোয়াড় মুন্না তিন বছরের শিশুপুত্রকেহারিয়ে শোকে মোহ্যমান। না ফেরার দেশে চলে যাওয়াপুত্রের শোক সামলাতে না পেরে সে খেলাধুলা ছেড়েদিয়েছে। তাইতো সে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ানগেমসে ফুটবল খেলায় অংশতো নেয়ই নি, এমনকি খেলাদেখতেও যায় নি।উদ্দীপকে ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় যুগপৎভাবে ফুটে উঠেছে—নির্লিপ্ততাস্মৃতিকাতরতা প্রিয়জন হারানোর বেদনানিচের কোনটি সঠিক?
- সালমা ও জামিল দাম্পত্য জীবনে সুখেই দিনাতিপাত করছিল। হঠাৎ এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল জামিল। ছন্দপতন ঘটল সালমার সুখময় জীবনে। যদিও পরবর্তীকালে শামীম নামের এক ভদ্রলোকের সাথে সালমার আবার বিয়ে হয়। কিন্তু প্রথম স্বামীর স্মৃতি সে এক দিনের জন্যেও ভুলতে পারেনি। কারণ, সে ছিল তার সকল কাজের প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে সালমা প্রথম স্বামীর কথা স্মরণ করে একদম উদাসীন হয়ে যায় এবং স্বামীর কবরের পাশে বসে নীরবে অশ্রুপাত করে। কেননা তার সেই ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালেই তাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে গেছে।"উদ্দীপকের সালমার মনের কষ্ট আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির হৃদয়ের রক্তক্ষরণ এক সূত্রে গাঁথা'- আলোচনা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে চলে গেছে কে?
- এ বসন্তে কবির পুষ্পসাজ না থাকার কারণ কী?
- তাহারেই পড়ে মনে কবিতায়- কোথা তব নব পুষ্পসাজ- উক্তিটি কার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন ঋতুকে কেন্দ্র করে রচিত?
- 'আজি এ অবলোয় মনে পড়ে তোমায়হারানো দিনগুলি বারেবারে কাঁদায়।তুমি ছাড়া এজীবন শূন্য মনে হয়ভালোলাগা অনুভূতি আঁধারে ডুবে রয়।'উদ্দীপকের সঙ্গে কবি সুফিয়া কামালের ব্যক্তি জীবনের মিল রয়েছে কীভাবে? উপস্থাপন করো।