ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-
তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-
আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।
তোমার অশোকে কিংশুকে
অলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,
তোমার ঝাউয়ের দোলে
মর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।
"উদ্দীপক এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবিদ্বয়ের মধ্যে ঋতুর দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য রয়েছে।"- এ উক্তির সঙ্গে তুমি কি একমত? তোমার মন্ত্রের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- "ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলিকরুণ চোখে চেয়ে আছে সাঁঝের ঝরা ফুলগুলি।................................…………………………………কাল হতে আর ফুটবে না হায়, লতার বুকে মঞ্জরীউঠছে পাতায় পাতায় কাহার করুণ নিশাস মর্মরীগানের পাখি' গেছে উড়ে শূন্য নীড়কণ্ঠে আমার নাই সে আগের কথার ভিড়'।উদ্দীপকের কবি এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির অন্তর্বেদনাকে এক সুতায় গাঁথা যায় কি? আলোচনা করো।'
- ভিতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা জাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাক'ভিতরে আমার ভেঙে পড়ে শুধু পাড়।উদ্দীপকটি কোন দিক থেকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-/দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?" এখানে কবির কোন অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে?
- এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরার মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে...অতিথি বিদায় নিলে আবারো দাঁড়াই এসে ফটোগ্রাফটির মুখোমুখি প্রশ্নাকুলচোখে, ক্ষীয়মান শোকে।ফ্রেমের ভেতর থেকে আমার সন্তানচেয়ে থাকে নিষ্পলক, তার চোখে নেই রাগ কিংবা অভিমান।উদ্দীপকের বিষয়ভাবনা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার ভাববস্তুর সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- "তাহারেই পড়ে মনে" কবিতায় কবি কাকে ভুলতে পারেন না ?
- 'কুহেলি' শব্দের অর্থ কী?
- প্রকৃতি ও মানব মনের সম্পর্ক তুরে ধরা হয়েছে কোন কবিতায়?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়— 'কোথা তব নবপুষ্পসাজ' – উক্তিটি কার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির মন বিষণ্ণতায় আচ্ছন্ন।যে কারণে—
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- সালমা ও জামিল দাম্পত্য জীবনে সুখেই দিনাতিপাত করছিল। হঠাৎ এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল জামিল। ছন্দপতন ঘটল সালমার সুখময় জীবনে। যদিও পরবর্তীকালে শামীম নামের এক ভদ্রলোকের সাথে সালমার আবার বিয়ে হয়। কিন্তু প্রথম স্বামীর স্মৃতি সে এক দিনের জন্যেও ভুলতে পারেনি। কারণ, সে ছিল তার সকল কাজের প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে সালমা প্রথম স্বামীর কথা স্মরণ করে একদম উদাসীন হয়ে যায় এবং স্বামীর কবরের পাশে বসে নীরবে অশ্রুপাত করে। কেননা তার সেই ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালেই তাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে গেছে।উদ্দীপকের জামিরের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কার সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা করো।
- পানের বনে হাওয়া যখন চঞ্চলতা জাগায়, তখন কে চঞ্চল হয়ে উঠে?
- 'মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে?
- কুহেলি উত্তরী তলে কে চলে গেছে?
- "শুনি-নাই, রাখিনি সন্ধান।" কবি কিসের সন্ধান রাখেন নি?
- 'অলখ' শব্দটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ব্যবহৃত হীরকঅলক্ষদৃষ্টির অগোচরেসীমার বাইরেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি কোন ঋতুরবন্দনা করেছেন?
- 'উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- বাঙালি নারীর আত্মজাগরণে যে নারীর অবদান বেশি, তিনি হলেন রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। বিবাহের পর উদার মানসিকতার অধিকারী স্বামী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের, পরম মমতায়। ও সহযোগিতায় এবং নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তিনি স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন। আত্মশুদ্ধি ও নিজের জানার জগৎকে পরিশুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে, তিনি সাহিত্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর সাহিত্য সাধনায় বাঙালি মুসলিম নারী সমাজই মুখ্য হয়ে ওঠেন। সাহিত্য সাধনায় যখন তিনি নিয়োজিত তখন হঠাৎ করে • তাঁর প্রাণপ্রিয় স্বামী পরপারে যাত্রা করেন। এতে তিনি মর্মাহত হন। বিষাদপূর্ণ অন্তরে আপন কর্ম সম্পাদনের জন্য কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গালর্স স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে আজ বাঙালি নারী সমাজ মুক্ত-স্বাধীনভাবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে সমাজে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করছেন।তুমি কি মনে করো যে উদ্দীপকের স্বামী বিয়োগের হাহাকার এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির অন্তরের হাহাকার একই সূত্রে গাঁথা? পক্ষে বা বিপক্ষে যুক্তি দেখাও।