'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির মন বিষণ্ণতায় আচ্ছন্ন।
যে কারণে—
A.
কবিভক্তের উদাসীনতায়
B.
প্রিয়জন হারানোর শোকে
C.
বসন্তের আবির্ভাবে
D.
প্রকৃতির বিচিত্র সাজে
সঠিক উত্তরঃ
B.
প্রিয়জন হারানোর শোকে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতি এক নতুন সাজে সজ্জিত হয়। শীতের শুষ্কতা কাটিয়ে প্রকৃতি তখন নব যৌবন লাভ করে। গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়, ফুলে ফুলে ভরে যায় অবারিত মাঠ-ঘাট ও বাগান। আমের মুকুল মৌ মৌ গন্ধে তখন চারদিক মুখরিত মুখারিত হয়ে ওঠে। এই ঋতুতে বিরহীদের মন প্রিয়জনের সান্নিধ্য খোঁজে। তাদের কথা বেশি বেশি মনে পড়ে। কারণ, প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রভাব তখন মানব মনে পড়ে। কবি-সাহিত্যিকগণ তখন নতুন নতুন সাহিত্য চর্চায় আত্মনিয়োগ করার অনুপ্রেরণা লাভ করেন।'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বর্ণিত বসন্তের রূপচিত্র এবং উদ্দীপকের ঋতুরাজের রূপচিত্র একই অর্থে সমার্থক- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- 'কী' বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে কোন বাক্যে?
- চারদিকে ভীষণ কুয়াশা। অমিতের 'আজ লেখার ইচ্ছে নেই।কবিতার উক্ত দিকটির আলোকে বলা যায়- মানবমন প্রকৃতির সাথে সম্পর্কিতপ্রকৃতি মানবমনে প্রভাব ফেলেপ্রকৃতি ছাড়া সাহিত্য সাধনা অসম্ভবনিচের কোনটি সঠিক?
- কলেজ থেকে শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার গেল গালিবসহ তার বন্ধুরা। সাগরের পানিতে নেমেছে সবাই, খুবখুব হৈচৈ আর লাফালাফি করে গোসল করছে তারা। হিমছড়ি পাহাড়ে উঠে আনন্দে আত্মহারা সবাই। কিন্তু গালিব এক কোণে বসে আছে, তার মনে কোনো-আনন্দ নেই, কারণ পাঁচ বছর আগে সে তার বাবার সাথে এখানে এসেছিল, অনেক আনন্দ করেছিল সবাই মিলে। এখন তার বাবা নেই, কিন্তু বাবার রেখে যাওয়া সেই স্মৃতি তাকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে সমস্ত আনন্দই তার কাছে ম্লান হয়ে আসে।উদ্দীপকের গালিব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন দিকটি ধারণ করেছে? আলোচনা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিকে নাটকীয় গুণসম্পন্ন কবিতা বলা হয় কেন?
- তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় ‘কহিল সে পরম হেলায়’ - এর পরের পংক্তিটি-
- কোন কবিতায় নাট্যগুণ রয়েছে?
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'অর্ঘ্য বিরচন' কথাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় দু'ধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা- তোমার মন ভালো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই বন্ধু। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'উদ্দীপকের বাতেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? উভয়ের ভূমিকার তুলনা করো।
- কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন বিশেষ দিকটি ধারণ করেছে? আলোচনা কর।
- কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও পিতা শামসুর রাহমান ও কবিতার কবি উভয়ের অন্তরে রয়েছে তীব্র বেদনা। 'তাহারেই পড়ে মনে' মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকায় কত সালে প্রকাশিত হয়?
- মনে পড়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি,লাখো বাঙালির কাতর চিত্তে করুণ আহাজারি,একুশ তুমি বাংলার মানুষের হৃদয়ভরা আশা,তোমার কারণে পেয়েছি আজ কাঙ্ক্ষিত মাতৃভাষা,রক্ত ঝরাল, সালাম, বরকত, রফিক, শফিক জব্বার,বায়ান্নর সেই করুণ কাহিনি মনে পড়ে বরাবর,স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে সে বিষণ্ণ দিনের কথা,যত ভাবি ততই যেন মনে পাই বড়ো ব্যথা।উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার বৈসাদৃশ্য দেখাও।
- দরিদ্র রিকশাচালক রাশেদুলের মেয়ে রেবেকা এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী। সে মেধাবী ছাত্রী। রাশেদুলের স্বপ্ন রেবেকা বড় ডাক্তার হবে। মেয়ের পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য সে দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করে। রেবেকাও স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দিনরাত এক করে নিজেকে প্রস্তুত করছে। কিন্তু হঠাৎ আসা কালবৈশাখী ঝড়ের মতো বাবার মৃত্যু রেবেকার জীবনকে এলোমেলো করে দেয়। রেবেকা তার লক্ষ্য থেকে ছিটতে পড়ে। বাবার মৃত্যুশোক তাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। অতঃপর ধীরে ধীরে নিজেকে সামলে নিয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে চলে ইট-পাথরের যান্ত্রিক জীবনের পথে।উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলভাব একই সূত্রে গাঁথা- বিশ্লেষণ কর।
- নিচের কোনটিতে কবির অভিমান প্রকাশ পেয়েছে?
- সগির বৈরাগীর কন্ঠ আর তার হাতের দোতারা যেন অবিচ্ছেদ্য। প্রায় একযুগ ধরে ভাওয়াইয়া গান গেয়ে উত্তরবঙ্গের মানুষের মনে তার নাম গেঁথে গেছে। এবার তিস্তা চরে নদীভাঙা মানুষদের নবান্নের উৎসবে গান গাইছেন তিনি। হঠাৎ খবর পান তার গুরু জয়ন্ত বৈরাগী মরণাপন্ন। স্তব্ধ হয়ে গেলেন সগির বৈরাগী। তারপর কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে গুরুর নামে দ্বিগুণ আবেগে আবার গাইতে শুরু করেন- কেননা 'The show must go on.'উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য বিচার করো।
- 'তাঁহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি গঠনরীতির দিক দিয়ে-
- সে চলে গেছে বলে কিগো স্মৃতি কি তার যায় ভোলাআজো মনে হলে তার কথা, মর্মে যে মোর দেয় দোলা।ঐ প্রতিটি ধূলিকণায়, আছে তার ছোঁওয়া লেগে হেথায়আজো তাহারি আসার আশায়, রাখি মোর ঘরের সব দ্বার খোলা।হেথা সে এসেছিল যবে ঘর ভরে ছিল ফুল উৎসবেমোর কাজ ছিল শুধু ভবে, তার হারগাঁথা আর ফুল তোলা।'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির হাহাকারের দৃশ্য যেন উদ্দীপকে প্রকাশ পেয়েছে- ব্যাখ্যা করো।
- 'পাথার' শব্দের অর্থ কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে চলে গেছে কে?