'উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কে গন্ধে অধীরআকুল হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছে?
- কোন কবিতাটি সংলাপ-নির্ভর নাটকীয়তার বৈশিষ্ট্যমন্ডিত?
- হে কবি, নীরব কেন? ফাগুন যে এসেছে ধরায়।চরণটিতে নীরব কেন বলতে কবির কোন মানসিকতাকে বোঝায়?
- কবিভক্ত কবির কাছে কী শোনার মিনতি করে?
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন কোন ঋতুর প্রসঙ্গ এসেছে?
- "বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লিমায়ের কোল,ঝাউশাখে সেথা বনলতা বাঁধি, হরষে খেয়েছি দোল,কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া কাঁচাপাকা কুল খেয়ে,অমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছি গাঁয়ের দুলালি মেয়ে।"উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' 'কবিতার মূলসূর প্রতিফলিত হয়েছে কি? তোমার মতামত দাও।
- কত সালে কবি সুফিয়া কামালের প্রথম স্বামী : মৃত্যুবরণ করেন?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির ???ীরবতা কারণ কী?
- জানি তোমার হৃদয় শূন্য,মন পোড়ে কার জন্য?উদ্দীপকের ‘কার' শব্দটি তাহারেই পড়ে মনেকবিতার কোন বিষয়কে স্মরণ করিয়ে দেয়?
- 'কুহেলী উত্তরী তল মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'হিম কুহেলির অন্তর তলে আজিকে পুলক জাগে রাঙিয়াউঠেছে পলাশ কলিকা মধুর রঙিন রাগে।'উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনসুর ধ্বনিত হয়েছে?
- "কলি সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি" কার কথা বলা হয়েছে?
- 'দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?'- প্রশ্নটির কার?
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।"প্রিয়জনের বিয়োগব্যথা আমাদের আনন্দ-আয়োজনের গতি ভিন্ন পথে ধাবিত করতে পারে।"- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা ও উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের সম্পর্কের দিকটি কোন কবিতায় স্পষ্ট?
- 'মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে?
- কবি সুফিয়া কামালের প্রথম স্বামীর নাম কী?
- 'পুষ্পশূন্য দিগন্তে??? পথে'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।উদ্দীপকের রত্না আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কষ্ট একসূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।
- সাঁঝের মায়া' কার লেখা?