'অলখ' শব্দটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ব্যবহৃত হীরক
- অলক্ষ
- দৃষ্টির অগোচরে
- সীমার বাইরে
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
ii
B.
iii
C.
i ও iii
D.
i ও ii
সঠিক উত্তরঃ
D.
i ও ii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বিষণ্ণ বিরহী বাতাস মনের জানালায় দেয় উঁকি। উন্মাদ মন আজ মাধবীর। পড়ন্ত বিকেলে দখিনের বারান্দায় বেদনার রাগিণী ওঠে তার। শোকের পাখায় ধেয়ে আসে বসন্ত। চৈত্রের খরায় শুকিয়ে গেছে বুক।' সেখানে শুধু ধু-ধু বালুচর। নেই তাতে জল, আছে কষ্টের হলাহল। । শীতের শুষ্কতা মুছে বসন্তের শূন্যতা চেপে ধরেছে তারে। কারণ, মাঘের শীতে প্রিয়জন তার গিয়েছে চলে না ফেরার দেশে।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বিশ্লেষণ করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির ???ীরবতা কারণ কী?
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় ব্যবহৃত ‘পুষ্পারতি’ শব্দটি কিভাবে গঠিত হয়েছে?
- 'কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী'-পঙক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- "বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লিমায়ের কোল,ঝাউশাখে সেথা বনলতা বাঁধি, হরষে খেয়েছি দোল,কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া কাঁচাপাকা কুল খেয়ে,অমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছি গাঁয়ের দুলালি মেয়ে।উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' 'কবিতার ভাববস্তুর বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- এ বসন্তে কবির পুষ্পসাজ না থাকার কারণ কী?
- 'পাগলে কিনা বলে' নিম্নরেখা শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জল, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সামগ্রিক ভাবনার সবটুকু ধরা পড়েছে বলে তুমি মনে করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রকাশিত হয়—
- 'বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল'- কবিতাংশে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- কোনটি বেগম সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- ‘তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'নীরব কেন' বলতেবোঝায়—কবি উদাসীন হয়ে আছেন কেন?কবি কেন বসন্তকে সম্বোধন করছেন না?কবি কেন কাব্য রচনায় সক্রিয় হচ্ছেন না?নিচের কোনটি সঠিক?
- বসন্তের প্রতি কবি বিমুখ কেন?
- কবিতার কবির ব্যক্তি জীবন কীভাবে ধরা পড়েছে?
- চারদিকে উৎসবের রঙ। নতুন বছরকে বরণ করার প্রাণান্তপ্রয়াস। সপ্তাহ দুয়েক আগে মাকে হারানো মেয়েটিকে শোকভোলাতেই নিয়ে এসেছে বান্ধবীরা। মায়ের স্মৃতি বুকে নিয়েওধীরে ধীরে মেয়েটি সহজ হয়ে উঠছে; উপভোগ করছে বর্ষবরণ।উদ্দীপকে মেয়েটির সহজ হয়ে ওঠা আর 'তাহারেই পড়ে মনে'কবিতায় কবির আচরণে প্রকাশ পেয়েছে—বৈপরীত্যস্মৃতিমুগ্ধতামানব মনের রহস্যময়তানিচের কোনটি সঠিক?
- 'কুহেলী' উত্তরীতলে মাঘের সন্ন্যাসী'- পঙক্তির তাৎপর্য আলোচনা কর।
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,তোমার ঝাউয়ের দোলেমর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।উদ্দীপকে বর্ণিত বসন্তের রূপচিত্রের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়— 'কোথা তব নবপুষ্পসাজ' – উক্তিটি কার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে?
- সালমা ও জামিল দাম্পত্য জীবনে সুখেই দিনাতিপাত করছিল। হঠাৎ এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল জামিল। ছন্দপতন ঘটল সালমার সুখময় জীবনে। যদিও পরবর্তীকালে শামীম নামের এক ভদ্রলোকের সাথে সালমার আবার বিয়ে হয়। কিন্তু প্রথম স্বামীর স্মৃতি সে এক দিনের জন্যেও ভুলতে পারেনি। কারণ, সে ছিল তার সকল কাজের প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে সালমা প্রথম স্বামীর কথা স্মরণ করে একদম উদাসীন হয়ে যায় এবং স্বামীর কবরের পাশে বসে নীরবে অশ্রুপাত করে। কেননা তার সেই ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালেই তাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে গেছে।উদ্দীপকের জামিরের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কার সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা করো।
- বাঙালি নারীর আত্মজাগরণে যে নারীর অবদান বেশি, তিনি হলেন রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। বিবাহের পর উদার মানসিকতার অধিকারী স্বামী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের, পরম মমতায়। ও সহযোগিতায় এবং নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তিনি স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন। আত্মশুদ্ধি ও নিজের জানার জগৎকে পরিশুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে, তিনি সাহিত্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর সাহিত্য সাধনায় বাঙালি মুসলিম নারী সমাজই মুখ্য হয়ে ওঠেন। সাহিত্য সাধনায় যখন তিনি নিয়োজিত তখন হঠাৎ করে • তাঁর প্রাণপ্রিয় স্বামী পরপারে যাত্রা করেন। এতে তিনি মর্মাহত হন। বিষাদপূর্ণ অন্তরে আপন কর্ম সম্পাদনের জন্য কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গালর্স স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে আজ বাঙালি নারী সমাজ মুক্ত-স্বাধীনভাবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে সমাজে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করছেন।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তুর সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- ঋতু প্রিয়জনের মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন। জীবন-জগতের কোনো সৌন্দর্য তাকে আকৃষ্ট করে না। যে চাঁদের আলো দেখে একসময় তার মনে আনন্দে ভরে উঠত, সেই আলো এখন তার কাছে আঁধারের অধিক।ঋতুর শোকাচ্ছন্ন অনুভূতিতে প্রকাশিত হয়- কবির প্রিয়জন হারানোর বেদনা প্রকৃতির প্রতি কবির উদাসীনতাকবির প্রতি ভক্তের আহ্বাননিচের কোনটি সঠিক?
- 'সে ভুলেনিতো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া'- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি সুফিয়া কামাল এর কাব্য গ্রন্থ নয়?
- কবি সুফিয়া কামালের প্রথম স্বামীর নাম কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'পুষ্পারতি বলতে বোঝানো হয়েছে- ফুলের সৌরভ ফুলের নিবেদন ফুলের বন্দনানিচের কোনটি সঠিক?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'পুষ্পারতি লভেনি কি ঋতুর রাজন?'- চরণটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- 'যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই'।- কীভাবে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি শীতকে মাঘেরসন্ন্যাসী বলেছেন । কারণ- মাঘের শীতের তীব্রতার জন্যশীতের রিক্ততার জন্য কুয়াশার চাদরের জন্যনিচের কোনটি সঠিক?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- দরিদ্র রিকশাচালক রাশেদুলের মেয়ে রেবেকা এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী। সে মেধাবী ছাত্রী। রাশেদুলের স্বপ্ন রেবেকা বড় ডাক্তার হবে। মেয়ের পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য সে দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করে। রেবেকাও স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দিনরাত এক করে নিজেকে প্রস্তুত করছে। কিন্তু হঠাৎ আসা কালবৈশাখী ঝড়ের মতো বাবার মৃত্যু রেবেকার জীবনকে এলোমেলো করে দেয়। রেবেকা তার লক্ষ্য থেকে ছিটতে পড়ে। বাবার মৃত্যুশোক তাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। অতঃপর ধীরে ধীরে নিজেকে সামলে নিয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে চলে ইট-পাথরের যান্ত্রিক জীবনের পথে।উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলভাব একই সূত্রে গাঁথা- বিশ্লেষণ কর।
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয় কী?
- ’কাঁটাতারে প্রজাপতি’ কে লিখেছেন-
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- 'কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- বিশ্ব প্রকৃতিতে বসন্তের আগমনে কবি এত উদাসীন কেন? বুঝিয়ে দাও।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কার আগমনী গানের কথা বলা হয়েছে?
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।উদ্দীপকের রত্না আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কষ্ট একসূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূল সুর কি?
- নববর্ষ পয়লা বৈশাখকে ঘিরে চারদিকে উৎসবের আমেজ। কিছুদিন আগে মাকে হারানো ফারিয়াকে কিছুই স্পর্শ করে না। মায়ের স্মৃতিতেই সে আচ্ছন্ন।উদ্দীপকের 'নববর্ষ' 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন বিষয়ের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?