'যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই'।- কীভাবে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ভিতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা জাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাক'ভিতরে আমার ভেঙে পড়ে শুধু পাড়।
- রত্নার সন্তানটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন 'অটিস্টিক'। স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুর পর সে গার্মেন্টস-এ কাজ নেয়। রত্নার মা ছেলের দেখাশোনা করে। হঠাৎ একদিন রত্নার বাকশক্তিহীন ছেলেটি কোথাও চলে যায়। পাগলপ্রায় রত্না সবকিছু ছেড়ে তার হারানো ছেলেকে খুঁজে চলেছে।'প্রিয়জন হারানোর বেদনা কবিতা এবং উদ্দীপকে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত।'- তোমার মত দাও।
- গঠনরীতির দিক থেকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কী ধরনের রচনা?
- কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন বিশেষ দিকটি ধারণ করেছে? আলোচনা কর।
- বিষণ্ণ বিরহী বাতাস মনের জানালায় দেয় উঁকি। উন্মাদ মন আজ মাধবীর। পড়ন্ত বিকেলে দখিনের বারান্দায় বেদনার রাগিণী ওঠে তার। শোকের পাখায় ধেয়ে আসে বসন্ত। চৈত্রের খরায় শুকিয়ে গেছে বুক।' সেখানে শুধু ধু-ধু বালুচর। নেই তাতে জল, আছে কষ্টের হলাহল। । শীতের শুষ্কতা মুছে বসন্তের শূন্যতা চেপে ধরেছে তারে। কারণ, মাঘের শীতে প্রিয়জন তার গিয়েছে চলে না ফেরার দেশে।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বিশ্লেষণ করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়— 'কোথা তব নবপুষ্পসাজ' – উক্তিটি কার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে?
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জ??, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকের সেঁজুতি জামানের মনোভাব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিকে নাটকীয় গুণসম্পন্ন কবিতা বলা হয় কেন?
- "বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লিমায়ের কোল,ঝাউশাখে সেথা বনলতা বাঁধি, হরষে খেয়েছি দোল,কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া কাঁচাপাকা কুল খেয়ে,অমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছি গাঁয়ের দুলালি মেয়ে।"উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' 'কবিতার মূলসূর প্রতিফলিত হয়েছে কি? তোমার মতামত দাও।
- 'বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি?'— 'তাহারেই পড়েমনে' কবিতার এই চরণ দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে-
- 'তাহা???েই মনে পড়ে' কবিতায় উল্লেখ আছে যে দুটি ফলের-
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি কাকে ব্যথা দিয়েছেন?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি তার সাথেঅভিযান করেছেন?
- 'কুহেলী' উত্তরীতলে মাঘের সন্ন্যাসী'- পঙক্তির তাৎপর্য আলোচনা কর।
- 'মাঘের সন্ন্যাসী' কোথায় চলে গিয়েছে?
- 'হিম কুহেলির অন্তর তলে আজিকে পুলক জাগে রাঙিয়াউঠেছে পলাশ কলিকা মধুর রঙিন রাগে।'উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনসুর ধ্বনিত হয়েছে?
- 'কুহেলি উত্তরীতলে মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূল সুর কি?
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।উদ্দীপকের রত্না আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কষ্ট একসূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।
- এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরার মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে...অতিথি বিদায় নিলে আবারো দাঁড়াই এসে ফটোগ্রাফটির মুখোমুখি প্রশ্নাকুলচোখে, ক্ষীয়মান শোকে।ফ্রেমের ভেতর থেকে আমার সন্তানচেয়ে থাকে নিষ্পলক, তার চোখে নেই রাগ কিংবা অভিমান।"উদ্দীপকের দুঃখবোধ আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার অনুভূতি একইসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটি যাচাই কর।
- 'আমি কবি— বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গানকরা'— একথার প্রতিধ্বনি আছে কোন কবিতায়?
- আজ কবিতা উৎসব। দেশের প্রধান কবি হাসান বশির অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। চারিদিকে হৈ হৈ রব। এর মধ্যে খবর এলো হাসান বশিরের অতি আদরের এক নাতনি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। আয়োজকগণ অনুষ্ঠান স্থগিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে হাসান বশির অনুষ্ঠানে এসে উপস্থিত। মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, আমার নাতনি দুর্ঘটনাকবলিত হওয়ায় আমি গভীরভাবে শোকাহত । কিন্তু আমি চাই অনুষ্ঠানটি চলুক। উদ্দীপকের আয়োজকগণ 'তাহারেই পড়ে মনে'কবিতার কার সাথে তুল্য?
- সে বসন্ত একদিন করেছিল শত কোলাহল- সে আজ নিঃশব্দে আসে আমার নির্জনে' - এই সাদৃশ্যের কারণ-
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।উদ্দীপকের সুচিত্রা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- মনে পড়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি,লাখো বাঙালির কাতর চিত্তে করুণ আহাজারি,একুশ তুমি বাংলার মানুষের হৃদয়ভরা আশা,তোমার কারণে পেয়েছি আজ কাঙ্ক্ষিত মাতৃভাষা,রক্ত ঝরাল, সালাম, বরকত, রফিক, শফিক জব্বার,বায়ান্নর সেই করুণ কাহিনি মনে পড়ে বরাবর,স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে সে বিষণ্ণ দিনের কথা,যত ভাবি ততই যেন মনে পাই বড়ো ব্যথা।উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার বৈসাদৃশ্য দেখাও।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটির গঠনরীতি কোনবৈশিষ্ট্যের?
- কবি পথে পথে কার জন্য ফেরেন?
- 'দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?'- উক্তিটি কার?
- 'কহিল সে সুদূরে চাহিয়া' পরের চরণ কোনটি?
- 'কহিল সে কাছে সরে আসি'- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় সুধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা তোমার মন আলো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'আবিদের জবাবে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূল বক্তব্যই প্রতিফলিত হয়েছে।"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার কিরো।
- সাঁঝের মায়া' কার লেখা?
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি" কার কথা বলা হয়েছে?
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জল, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সামগ্রিক ভাবনার সবটুকু ধরা পড়েছে বলে তুমি মনে করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- এ রঙের বিপরীত আছে অন্য রং'- চারণটিতে 'অন্য রং' দ্বারা বুঝানো হয়ে-
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'পুষ্পারতি বলতে বোঝানো হয়েছে- ফুলের সৌরভ ফুলের নিবেদন ফুলের বন্দনানিচের কোনটি সঠিক?
- চারদিকে উৎসবের রঙ। নতুন বছরকে বরণ করার প্রাণান্তপ্রয়াস। সপ্তাহ দুয়েক আগে মাকে হারানো মেয়েটিকে শোকভোলাতেই নিয়ে এসেছে বান্ধবীরা। মায়ের স্মৃতি বুকে নিয়েওধীরে ধীরে মেয়েটি সহজ হয়ে উঠছে; উপভোগ করছে বর্ষবরণ। উদ্দীপকের 'বর্ষবরণ' 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনবিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'যে করে সেই কর্তা/কর্তা যাহা করে _____ বলে জানি তাহা কারকের বিচারে’ শূন্যস্থানে কী বসবে?
- অলখ শব্দের অর্থ কি?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিতে নাটকীয় গুণসম্পন্ন কবিতা বলা হয়ে কেন?