বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জ??, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।
উদ্দীপকের সেঁজুতি জামানের মনোভাব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- জাতীয় দলের খেলোয়াড় মুন্না তিন বছরের শিশুপুত্রকেহারিয়ে শোকে মোহ্যমান। না ফেরার দেশে চলে যাওয়াপুত্রের শোক সামলাতে না পেরে সে খেলাধুলা ছেড়েদিয়েছে। তাইতো সে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ানগেমসে ফুটবল খেলায় অংশতো নেয়ই নি, এমনকি খেলাদেখতেও যায় নি।উদ্দীপকে ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় যুগপৎভাবে ফুটে উঠেছে—নির্লিপ্ততাস্মৃতিকাতরতা প্রিয়জন হারানোর বেদনানিচের কোনটি সঠিক?
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি" কার কথা বলা হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটির স্তবকসংখ্যা -
- 'অলখ' শব্দটি তাহারেই কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- মনে পড়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি,লাখো বাঙালির কাতর চিত্তে করুণ আহাজারি,একুশ তুমি বাংলার মানুষের হৃদয়ভরা আশা,তোমার কারণে পেয়েছি আজ কাঙ্ক্ষিত মাতৃভাষা,রক্ত ঝরাল, সালাম, বরকত, রফিক, শফিক জব্বার,বায়ান্নর সেই করুণ কাহিনি মনে পড়ে বরাবর,স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে সে বিষণ্ণ দিনের কথা,যত ভাবি ততই যেন মনে পাই বড়ো ব্যথা।উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার বৈসাদৃশ্য দেখাও।
- ‘হিম কুহেলির অন্তর তলে আজিকে পুলক জাগে,রাঙিয়া উঠেছে পলাশ কলিকা মধুর রঙিন রাগে।'অনুচ্ছেদটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনঘটনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- “এখনো দেখিনি তুমি ?” কহিলাম,“কেন কবি আজ এমন উন্মনা তুমি?কোথা তব নব পুষ্পসাজ ?” চরণ দুটি কোন কবিতার?
- আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে আছে তাহার জন্য। উদ্দীপকের 'তার' শব্দটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন বিষয়কে স্মরণ করায়?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কী ধরনের কবিতা?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'পুষ্পারতি বলতে বোঝানো হয়েছে- ফুলের সৌরভ ফুলের নিবেদন ফুলের বন্দনানিচের কোনটি সঠিক?
- 'যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,তোমার ঝাউয়ের দোলেমর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।"উদ্দীপক এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবিদ্বয়ের মধ্যে ঋতুর দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য রয়েছে।"- এ উক্তির সঙ্গে তুমি কি একমত? তোমার মন্ত্রের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।"প্রিয়জনের বিয়োগব্যথা আমাদের আনন্দ-আয়োজনের গতি ভিন্ন পথে ধাবিত করতে পারে।"- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা ও উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে আছে তাহার জন্য। উদ্দীপকের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন ভাবের মিল পাওয়া যায়?রিক্ততার হাহাকারদুঃসহ বিষণ্ণতাউদাসীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- কোন কবিতায় নাট্যগুণ রয়েছে?
- (i) তোমাকে যে ভালোবাসি এ কথা বাতাসেও জেনেছেএই বার্তা মুখে করে প্রভাময়ী আলো নিয়ে যায়আমাদের প্রেমের রূপে নীলবর্ণ আকাশ টাঙ্গায়দিকে দিকে জাগে ভোর, বনভূমে পাখিরা সেজেছে।(ii) তুমি চলে গেছ কত যুগ কত বছর?এইমাত্র সমুখে ছিলে, পাত্রে জল কাঁপছে এখনোযেন কোনো এক স্বপ্নঘেরা বাগানে লুকানোতোমার প্রেমের রূপ, প্রতিশ্রুতি, মিথ্যের শব্দবহর।"উদ্দীপক দুটি যেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলকথা।"- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা অবলম্বনে বিচার করো।
- 'কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী'-পঙক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- 'নয়ন তোমার পায়না দেখিতে রয়েছো নয়নে নয়নে হৃদয় তোমায় পায় না জানিতে রয়েছো হৃদয় গোপনে 'নিচের কোন চরণটিতে উদ্দীপকের ভাবের প্রতিফলন লক্ষণীয়
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বসন্ত কাকে স্মরণ করে এসেছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রকাশিত হয়—
- 'অর্ঘ্য' শব্দের অর্থ কী?
- 'নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছ নয়নে নয়নেহৃদয় তোমারে পায় না জানিতে রয়েছ হৃদয়ে গোপনে' উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার যে বৈশিষ্ট্য প্রকটিত তা হলো-
- কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন বিশেষ দিকটি ধারণ করেছে? আলোচনা কর।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাকে কোন সুর আচ্ছন্ন করে আছে?
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকায় কত সালে প্রকাশিত হয়?
- পানের বনে হাওয়া যখন চঞ্চলতা জাগায়, তখন কে চঞ্চল হয়ে উঠে?
- সাঁঝের মায়া' কার লেখা?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- অলখ শব্দের অর্থ কি?
- আজ তুমি নেই সাথে ভুলে থাকা ছলনাতেমনে মনে ভাবি শুধু তোমারি কথা।পাওয়া না পাওয়ার মাঝে অচেনার সুর বাজে,সুরভিত বিরহের মরম ব্যথা।"উদ্দীপকের কথকের হৃদয় বেদনা যেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলসুর"- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
- সে বসন্ত একদিন করেছিল শত কোলাহল- সে আজ নিঃশব্দে আসে আমার নির্জনে' - এই সাদৃশ্যের কারণ-
- 'হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়'— এচরণটিতে ‘নীরব কেন' বলতে কবির কেমন অবস্থাবোঝায়?
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় সুধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা তোমার মন আলো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'উদ্দীপকের বাতেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? উভয়ের ভূমিকা তুলনা করো।
- ভেতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা ঝাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাকভেতরে আমার ভেঙে পড়ে শধু পাড়।উদ্দীপকের কবিতাংশটুকু সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- কবিভক্ত কবিকে কী কী ভাবে কবিক??? সম্বোধন করেছেন?
- চারদিকে ভীষণ কুয়াশা। অমিতের 'আজ লেখার ইচ্ছে নেই।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার' কোন দিকটি তুলে ধরা হয়েছে?
- ‘হিম কুহেলির অন্তর তলে আজিকে পুলক জাগে,রাঙিয়া উঠেছে পলাশ কলিকা মধুর রঙিন রাগে।'অনুচ্ছেদটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনসুর ধ্বনিত হয়েছে?
- "শুনি-নাই, রাখিনি সন্ধান।" কবি কিসের সন্ধান রাখেন নি?
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় সুধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা তোমার মন আলো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'আবিদের জবাবে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূল বক্তব্যই প্রতিফলিত হয়েছে।"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার কিরো।