"নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছো নয়নে নয়নে হৃদয় তোমারে পায় না জানিতে রয়েছো হৃদয়ে গোপনে"
উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার যে বৈশিষ্ট্য প্রকটিত তা হলো-
A.
দুঃখময় যন্ত্রণার প্রকাশ
B.
স্মৃতিকাতরতার মাধুর্যমণ্ডিত অভিব্যক্তি
C.
দুঃসহ বিষণ্ণতার হাহাকার
D.
সংলাপনির্ভরতা ও নাটকীয়তা
সঠিক উত্তরঃ
C.
দুঃসহ বিষণ্ণতার হাহাকার
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মাঘের সন্ন্যাসী' দিগন্তের কেমন পথে চলে গেছে?
- কবিতার কবির ব্যক্তি জীবন কীভাবে ধরা পড়েছে?
- 'আমি কবি— বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গানকরা'— একথার প্রতিধ্বনি আছে কোন কবিতায়?
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।উদ্দীপকের রত্না আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কষ্ট একসূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।
- ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতি এক নতুন সাজে সজ্জিত হয়। শীতের শুষ্কতা কাটিয়ে প্রকৃতি তখন নব যৌবন লাভ করে। গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়, ফুলে ফুলে ভরে যায় অবারিত মাঠ-ঘাট ও বাগান। আমের মুকুল মৌ মৌ গন্ধে তখন চারদিক মুখরিত মুখারিত হয়ে ওঠে। এই ঋতুতে বিরহীদের মন প্রিয়জনের সান্নিধ্য খোঁজে। তাদের কথা বেশি বেশি মনে পড়ে। কারণ, প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রভাব তখন মানব মনে পড়ে। কবি-সাহিত্যিকগণ তখন নতুন নতুন সাহিত্য চর্চায় আত্মনিয়োগ করার অনুপ্রেরণা লাভ করেন।বসন্তের সঙ্গে মানব মনের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে'- উদ্দীপকের উক্তিটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- বিষণ্ণ বিরহী বাতাস মনের জানালায় দেয় উঁকি। উন্মাদ মন আজ মাধবীর। পড়ন্ত বিকেলে দখিনের বারান্দায় বেদনার রাগিণী ওঠে তার। শোকের পাখায় ধেয়ে আসে বসন্ত। চৈত্রের খরায় শুকিয়ে গেছে বুক।' সেখানে শুধু ধু-ধু বালুচর। নেই তাতে জল, আছে কষ্টের হলাহল। । শীতের শুষ্কতা মুছে বসন্তের শূন্যতা চেপে ধরেছে তারে। কারণ, মাঘের শীতে প্রিয়জন তার গিয়েছে চলে না ফেরার দেশে।উদ্দীপকের 'মাধবী' 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির ব্যক্তি চরিত্রের ছায়াচিত্র।"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় দু'ধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা- তোমার মন ভালো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই বন্ধু। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'"আবিদের জবাবে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলবক্তব্যই প্রতিধ্বনিত হয়েছে"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'হিম কুহেলির অন্তর তলে আজিকে পুলক জাগে রাঙিয়াউঠেছে পলাশ কলিকা মধুর রঙিন রাগে।'উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনসুর ধ্বনিত হয়েছে?
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,তোমার ঝাউয়ের দোলেমর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।উদ্দীপকে বর্ণিত বসন্তের রূপচিত্রের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- চিত্রশিল্পী কাজী ইকবাল স্ত্রী-পুত্র-কন্যা নিয়ে বোড়তে গিয়েছিলেন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। হঠাৎ আসা সুনামির আঘাতে ভেসে গেল তার পরিবারের সবাই। নিজে বেঁচে গেলেও বিয়োগান্ত এই ঘটনার শোকে ভীষণ ভেঙে পড়লেন। ছবি আঁকা নেশা ও পেশা হলেও তিনি আর কখনোই হাতে তুলে নেননি ছবি আঁকার তুলি কিংবা রং।উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার ভাববস্তুর সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরার মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে...অতিথি বিদায় নিলে আবারো দাঁড়াই এসে ফটোগ্রাফটির মুখোমুখি প্রশ্নাকুলচোখে, ক্ষীয়মান শোকে।ফ্রেমের ভেতর থেকে আমার সন্তানচেয়ে থাকে নিষ্পলক, তার চোখে নেই রাগ কিংবা অভিমান।"উদ্দীপকের দুঃখবোধ আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার অনুভূতি একইসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটি যাচাই কর।
- 'নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছ নয়নে নয়নেহৃদয় তোমারে পায় না জানিতে রয়েছ হৃদয়ে গোপনে' উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার যে বৈশিষ্ট্য প্রকটিত তা হলো-
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- "তাহারেই পড়ে মনে" কবিতায় কবি কাকে ভুলতে পারেন না ?
- 'যে করে সেই কর্তা/কর্তা যাহা করে _____ বলে জানি তাহা কারকের বিচারে’ শূন্যস্থানে কী বসবে?
- রত্নার সন্তানটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন 'অটিস্টিক'। স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুর পর সে গার্মেন্টস-এ কাজ নেয়। রত্নার মা ছেলের দেখাশোনা করে। হঠাৎ একদিন রত্নার বাকশক্তিহীন ছেলেটি কোথাও চলে যায়। পাগলপ্রায় রত্না সবকিছু ছেড়ে তার হারানো ছেলেকে খুঁজে চলেছে।উদ্দীপকের সঙ্গে কবিতার ভাবগত সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- জাতীয় দলের খেলোয়াড় মুন্না তিন বছরের শিশুপুত্রকেহারিয়ে শোকে মোহ্যমান। না ফেরার দেশে চলে যাওয়াপুত্রের শোক সামলাতে না পেরে সে খেলাধুলা ছেড়েদিয়েছে। তাইতো সে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ানগেমসে ফুটবল খেলায় অংশতো নেয়ই নি, এমনকি খেলাদেখতেও যায় নি।উদ্দীপকের মুন্না 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বর্ণনাকারী চরিত্র কোনটি?
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-/দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?" এখানে কবির কোন অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে?
- সাধারণত ঈদের দিন প্রচণ্ড আনন্দে মেতে ওঠেনীলিমা। সালামি নেওয়া, ঘোরাঘুরি করা এসব নিয়েইদিন কাটে তার। কিন্তু আজ মাকে মনে পড়ায় সেসবের কোনোটিই করতে ইচ্ছা হলো না তার । উদ্দীপকের নীলিমা ও 'তাহারেই পড়ে মনে'কবিতার কবি দুজনই—