রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।
উদ্দীপকের রত্না আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কষ্ট একসূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- কবিভক্ত কবির কাছে কী শোনার মিনতি করে?
- জীবনের সব ক্ষেত্রে সফল আকাশ কিন্তু তার সাফল্য তারমাকে আলোড়িত করে না। মায়ের সমস্ত অন্তরজুড়েঅকালে হারিয়ে যাওয়া আবির। উদ্দীপকের আবির 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়কীসের প্রতিনিধিত্ব করে?
- জানি তোমার হৃদয় শূন্য,মন পোড়ে কার জন্য?উদ্দীপকের ‘কার' শব্দটি তাহারেই পড়ে মনেকবিতার কোন বিষয়কে স্মরণ করিয়ে দেয়?
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জ??, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকের সেঁজুতি জামানের মনোভাব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'কহিল সে কাছে সরে আসি'- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় এ পঙক্তি কী প্রকাশ পেয়েছে?
- কোন কবিতায় বাতাবি লেবুর উল্লেখ আছে?
- 'পুস্প শয্যা ভেদ তুলি বিচিত্র বসন" এর পরের লাইন..
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটির লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্যহলো-অন্ত্যমিল প্রবণতা সংলাপধর্মিতা নাটকীয়তানিচের কোনটি সঠিক?
- কোন কবিতায় কবির ব্যক্তি জীবনের দুঃখময় ঘটনার ছায়াপাত ঘটেছে?
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার প্রধান গুণ কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন মাসের উল্লেখ আছে ?
- কোনটি সুফিয়া কামাল এর কাব্য গ্রন্থ নয়?
- 'অলখ' শব্দটি তাহারেই কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া।'- উক্তিটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- বাঙালি নারীর আত্মজাগরণে যে নারীর অবদান বেশি, তিনি হলেন রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। বিবাহের পর উদার মানসিকতার অধিকারী স্বামী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের, পরম মমতায়। ও সহযোগিতায় এবং নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তিনি স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন। আত্মশুদ্ধি ও নিজের জানার জগৎকে পরিশুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে, তিনি সাহিত্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর সাহিত্য সাধনায় বাঙালি মুসলিম নারী সমাজই মুখ্য হয়ে ওঠেন। সাহিত্য সাধনায় যখন তিনি নিয়োজিত তখন হঠাৎ করে • তাঁর প্রাণপ্রিয় স্বামী পরপারে যাত্রা করেন। এতে তিনি মর্মাহত হন। বিষাদপূর্ণ অন্তরে আপন কর্ম সম্পাদনের জন্য কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গালর্স স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে আজ বাঙালি নারী সমাজ মুক্ত-স্বাধীনভাবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে সমাজে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করছেন।তুমি কি মনে করো যে উদ্দীপকের স্বামী বিয়োগের হাহাকার এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির অন্তরের হাহাকার একই সূত্রে গাঁথা? পক্ষে বা বিপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির ???ীরবতা কারণ কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য কোনটি ?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'পুষ্পারতি বলতে বোঝানো হয়েছে- ফুলের সৌরভ ফুলের নিবেদন ফুলের বন্দনানিচের কোনটি সঠিক?
- 'বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল'- কবিতাংশে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- কোন্ কবিতায় বিষাদময় রিক্ততার অনুরণন ঘটেছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির নীরবতার কারণ কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির মন বিষণ্ণতায় আচ্ছন্ন।যে কারণে—
- রত্নার সন্তানটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন 'অটিস্টিক'। স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুর পর সে গার্মেন্টস-এ কাজ নেয়। রত্নার মা ছেলের দেখাশোনা করে। হঠাৎ একদিন রত্নার বাকশক্তিহীন ছেলেটি কোথাও চলে যায়। পাগলপ্রায় রত্না সবকিছু ছেড়ে তার হারানো ছেলেকে খুঁজে চলেছে।'প্রিয়জন হারানোর বেদনা কবিতা এবং উদ্দীপকে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত।'- তোমার মত দাও।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিতে নাটকীয় গুণসম্পন্ন কবিতা বলা হয়ে কেন?
- কত সালে কবি সুফিয়া কামালের প্রথম স্বামী : মৃত্যুবরণ করেন?
- এ আমার ছোটো ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরোর মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরেবছর তিনেক আগে কাক ডাকা গ্রীষ্মের দুপুরে।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে বিশ্লেষণ কর।
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।"প্রিয়জনের বিয়োগব্যথা আমাদের আনন্দ-আয়োজনের গতি ভিন্ন পথে ধাবিত করতে পারে।"- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা ও উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- “এখনো দেখিনি তুমি ?” কহিলাম,“কেন কবি আজ এমন উন্মনা তুমি?কোথা তব নব পুষ্পসাজ ?” চরণ দুটি কোন কবিতার?
- ভিতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা জাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাক'ভিতরে আমার ভেঙে পড়ে শুধু পাড়।উদ্দীপকটি কোন দিক থেকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- নিচের কোনটি সুফিয়া কামালের গ্রন্থ নয়?
- আজ তুমি নেই সাথে ভুলে থাকা ছলনাতেমনে মনে ভাবি শুধু তোমারি কথা।পাওয়া না পাওয়ার মাঝে অচেনার সুর বাজে,সুরভিত বিরহের মরম ব্যথা।"উদ্দীপকের কথকের হৃদয় বেদনা যেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলসুর"- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
- 'আজি এ অবলোয় মনে পড়ে তোমায়হারানো দিনগুলি বারেবারে কাঁদায়।তুমি ছাড়া এজীবন শূন্য মনে হয়ভালোলাগা অনুভূতি আঁধারে ডুবে রয়।'“উদ্দীপক ও 'তাহা???েই পড়ে মনে' কবিতায় বর্ণিত দুঃখবোধের অনুভূতি একসূত্রে গাঁথা"- যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দাও।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি কোন গান বেজেছে কি-না জানতে চেয়েছে?
- 'বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি-এ মোর মিনতি।'_____ চরণটি ব্যাখ্যা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ব্যবহৃত 'কুহেলি উত্তরী' শব্দটি কী অর্থ বহন করে?
- এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরার মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে...অতিথি বিদায় নিলে আবারো দাঁড়াই এসে ফটোগ্রাফটির মুখোমুখি প্রশ্নাকুলচোখে, ক্ষীয়মান শোকে।ফ্রেমের ভেতর থেকে আমার সন্তানচেয়ে থাকে নিষ্পলক, তার চোখে নেই রাগ কিংবা অভিমান।উদ্দীপকের বিষয়ভাবনা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার ভাববস্তুর সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
- কবি সুফিয়া কামালের প্রথম স্বামীর নাম কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- মনে পড়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি,লাখো বাঙালির কাতর চিত্তে করুণ আহাজারি,একুশ তুমি বাংলার মানুষের হৃদয়ভরা আশা,তোমার কারণে পেয়েছি আজ কাঙ্ক্ষিত মাতৃভাষা,রক্ত ঝরাল, সালাম, বরকত, রফিক, শফিক জব্বার,বায়ান্নর সেই করুণ কাহিনি মনে পড়ে বরাবর,স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে সে বিষণ্ণ দিনের কথা,যত ভাবি ততই যেন মনে পাই বড়ো ব্যথা।উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার বৈসাদৃশ্য দেখাও।