রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।
উদ্দীপকের রত্না আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কষ্ট একসূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- 'মাঘের সন্ন্যাসী' কথাটি আছে কোন কবিতায়?
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।উদ্দীপকের রতনের সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির মিল কোথায়? যুক্তি দাও।
- সগির বৈরাগীর কন্ঠ আর তার হাতের দোতারা যেন অবিচ্ছেদ্য। প্রায় একযুগ ধরে ভাওয়াইয়া গান গেয়ে উত্তরবঙ্গের মানুষের মনে তার নাম গেঁথে গেছে। এবার তিস্তা চরে নদীভাঙা মানুষদের নবান্নের উৎসবে গান গাইছেন তিনি। হঠাৎ খবর পান তার গুরু জয়ন্ত বৈরাগী মরণাপন্ন। স্তব্ধ হয়ে গেলেন সগির বৈরাগী। তারপর কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে গুরুর নামে দ্বিগুণ আবেগে আবার গাইতে শুরু করেন- কেননা 'The show must go on.''তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার 'ভুলিতে পারি না কোনো মতে' চরণটি এবং উদ্দীপকের "The show must go on' দুটি বিপরীতমুখী বোধের প্রকাশ।"- আলোচনা করো।
- 'তাহারেই মনে পড়ে' কবিতায় কবিকে আচ্ছন্ন করে-
- 'আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে রয়েছে তার জন্য।' উদ্দীপকের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন ভাবের মিল পাওয়া যায়?রিক্ততার হাহাকার দুঃসহ বিষণ্ণতাউদাসীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- "বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লিমায়ের কোল,ঝাউশাখে সেথা বনলতা বাঁধি, হরষে খেয়েছি দোল,কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া কাঁচাপাকা কুল খেয়ে,অমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছি গাঁয়ের দুলালি মেয়ে।উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' 'কবিতার ভাববস্তুর বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'সে ভুলেনিতো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া'- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- 'কুহেলি উত্তরীতলে মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি বেগম সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- এ আমার ছোটো ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরোর মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরেবছর তিনেক আগে কাক ডাকা গ্রীষ্মের দুপুরে।উদ্দীপকের ছোটো ছেলে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন ঋতুকে স্মরণ করিয়ে দেয়? আলোচনা কর।
- এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরার মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে...অতিথি বিদায় নিলে আবারো দাঁড়াই এসে ফটোগ্রাফটির মুখোমুখি প্রশ্নাকুলচোখে, ক্ষীয়মান শোকে।ফ্রেমের ভেতর থেকে আমার সন্তানচেয়ে থাকে নিষ্পলক, তার চোখে নেই রাগ কিংবা অভিমান।উদ্দীপকের বিষয়ভাবনা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার ভাববস্তুর সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- চিত্রশিল্পী কাজী ইকবাল স্ত্রী-পুত্র-কন্যা নিয়ে বোড়তে গিয়েছিলেন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। হঠাৎ আসা সুনামির আঘাতে ভেসে গেল তার পরিবারের সবাই। নিজে বেঁচে গেলেও বিয়োগান্ত এই ঘটনার শোকে ভীষণ ভেঙে পড়লেন। ছবি আঁকা নেশা ও পেশা হলেও তিনি আর কখনোই হাতে তুলে নেননি ছবি আঁকার তুলি কিংবা রং।উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার ভাববস্তুর সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- কুহেলি উত্তরী তলে কে চলে গেছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'অর্ঘ্য বিচরণ' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'পাগলে কিনা বলে' নিম্নরেখা শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিকে নাটকীয় গুণসম্পন্ন কবিতা বলা হয় কেন?
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।উদ্দীপকের সুচিত্রা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- কলেজ থেকে শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার গেল গালিবসহ তার বন্ধুরা। সাগরের পানিতে নেমেছে সবাই, খুবখুব হৈচৈ আর লাফালাফি করে গোসল করছে তারা। হিমছড়ি পাহাড়ে উঠে আনন্দে আত্মহারা সবাই। কিন্তু গালিব এক কোণে বসে আছে, তার মনে কোনো-আনন্দ নেই, কারণ পাঁচ বছর আগে সে তার বাবার সাথে এখানে এসেছিল, অনেক আনন্দ করেছিল সবাই মিলে। এখন তার বাবা নেই, কিন্তু বাবার রেখে যাওয়া সেই স্মৃতি তাকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে সমস্ত আনন্দই তার কাছে ম্লান হয়ে আসে।উদ্দীপকের গালিব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন দিকটি ধারণ করেছে? আলোচনা করো।
- 'কুহেলী উত্তরী তল মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?