মমতাজ উদ্দীন আহমদ রচিত নাটক 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা'। এ নাটকের উজ্জ্বল চরিত্র। দারোগা নুর মোহাম্মদ। অর্থ পুরস্কারের লোভে তিনি আকৃষ্টি হনন???। তাইতো ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক পুরস্কার ঘোষিত আসামি স্বদেশি আন্দোলনের নেতাকে হাতের নাগালে পেয়েও ছেড়ে দিয়েছেন। এভাবেই দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করে যাওয়া বিপ্লবী চেতনার সাথে একাত্ম হয়ে গেছেন তিনি।
"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের মূল লক্ষ্য একই।”- মন্তব্যটির যৌক্তিকতা বিচার করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'রেইনকোট' গল্পটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ‘সাক্ষী গোলাপ’ হলো-
- রেইনকোট খুলে ফেললেও নুরুল হুদার শরীরেরেইনকোটের কী অনুভূত হয়?
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাহাত ভাবল, দেশের এই সংকটময়মুহূর্তে আমি নিশ্চিন্তে ঘরে বসে থাকতে পারি না। তাইএলাকার ১০ জন যুবকের সঙ্গে পরামর্শ করে পাড়িজমায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ।উক্ত সাদৃশ্যের অন্তর্নিহিত কারণ— স্বদেশপ্রেমঅসীম সাহসিকতাস্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষানিচের কোনটি সঠিক?
- ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১। কালীগঞ্জ গ্রামের একজন যুবক রাতের অন্ধকারে ওই গ্রামের মিলিটারি ক্যাম্পে হামলা করে, বোমা মেরে ব্রিজ উড়িয়ে দেয়। প্রচন্ড গোলাগুলির সময় কয়েকজন মিলিটারির হাতে ধরা পড়ে। সেখান থেকে আহত অবস্থায় পালিয়ে বৃদ্ধ বশির দাদার বাড়িতে আশ্রয় নেয় আহাদ। খবর পেয়ে মিলিটারিরা ছুটে আসে কিন্তু আহাদকে পায় না। বৃদ্ধ বশিরকেই তারা তুলে নিয়ে অনেক অত্যাচার করে। বৃদ্ধ বশির গরম লোহার ছ্যাকা সহ্য করে তবুও আহাদের কোনো তথ্য দেয় না। তার কাছে মনে হয় আহাদকে বাঁচানো মানে দেশকে বাঁচানো।উদ্দীপকে মিলিটারি ক্যাম্পে হামলার ঘটনাটি 'রেইনকোট' গল্পের কোন ঘটনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- 'মিলিটারি যাদের পছন্দ করছে তাদের ঠেলে দিচ্ছে পেছনে দাঁড়ানো একটি লরির দিকে।' উক্তিটির অন্তর্নিহিত অর্থে প্রকাশিত হয়েছে -
- মিন্টু কত তারিখে মগবাজারের বাসা থেকে চলে গেল?
- রেইনকোট' গল্পে 'মিসক্রিয়ান্ট' বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চিন্তে দেশেই অবস্থান করেছিলেন। তাঁদের ধারণা ছিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনী অকারণে মানুষ হত্যা করবে না। অন্তত যুদ্ধের নিয়ম, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী এমনই হওয়ার কথা। কিন্তু পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর সাহায্যে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। যাদের কেউ আর ফিরে আসেননি; লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবুও বাংলার স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করতে পারেনি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টিকে উপস্থাপন করেছে? আলোচনা করো।
- ‘রেইনকোট’ গল্পে নুরুল হুদা বাড়ি বদল করেছেন কতবার?
- তালেব মাস্টার অত্যন্ত ভীতু প্রকৃতির একজন মানুষ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের জন্য তার দাদার ফাঁসি হয়। সেই দাদার একজোড়া বুট এখনো তাদের আলমারিতে রক্ষিত আছে। মাঝে মাঝে সে বুটজোড়া পায়ে দেন মাস্টার। শরীরে সাহস সঞ্চার হয়, শরীরে আলাদা একটা উত্তেজনা অনুভব করেন। মুক্তিযোদ্ধারা ব্রিজ-কালভার্ট উড়িয়ে দিয়েছে, মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগসাজশ আছে ভেবে পাকিস্তানিরা তাকে গ্রেফতার করে। তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চলে। কিন্তু পায়ে থাকা দাদার বুটজোড়া তাকে সাহসী করে তোলে। দেশপ্রেম তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। তাঁর মুখ থেকে একটি শব্দও বের করতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তানি সেনারা।উদ্দীপকের তালেব মাস্টারের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
- 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি কার লেখা?
- "চকচকে রোদ। সড়কের উত্তরে রাইফেল রেঞ্জের মধ্যে গামছা-পরা এক কিশোর তিন চারটে গরু খেদিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তার মাথায় ছালা বোঝাই ঘাস। কাঁধে লাঙল-জোয়াল। সম্ভবত সে মাঠ থেকে বাড়ি ফিরছে। 'মুক্তি। মুক্তি!' একজন সৈনিক চিৎকার করে ওঠে।'কাঁহা? কাঁহা?- অপরেরা প্রশ্ন করে।'ডাহনা তরফ দেখো।'কলিমুদ্দি দফাদার সবিনয়ে বলতে চায়, 'মুক্তি নেহি ক্যাপ্টেন সাব, উয়ো রাখাল হ্যায়, মেরা চেনাজানা হ্যায়।' 'চুপরাও সালে কাফের কা বাচ্চা কাফের। মুক্তি, আলবৎ মুক্তি।' বলেই সকলে একসঙ্গে গুলি ছোড়ে। এলাকা কেঁপে ওঠে। ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- 'Discriminatory' এর পারিভাষিক শব্দ-
- ‘দুধভাতে উৎপাদত’ গল্পগ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ‘রেইনকোট' গল্পের প্রেক্ষাপটে নিম্নোক্ত কোনবিষয়টির প্রতি লেখক বেশি সচেষ্ট ছিলেন?
- 'এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো' এর অর্থ কী?
- কোনটি “রাজা” শব্দের সমার্থক নয়?
- 'ধাঁ করে একটি ট্রাক যাচ্ছে ছুটে, আরোহী ক'জনচোখ বাঁধা, হাত বাঁধা আবছা মানুষপাশে রাইফেলধারী পাঞ্জাবি সৈনিক।ছাত্র নই, মুক্তি সেনা নই কোনোও, তবুহঠাৎ হ্যান্ডস আপ বলেস্টেনগান হাতে আর প্রশ্ন দেয় ছুড়ে ঘাড় ধরে-বাঙ্গালিহো তুম?'উদ্দীপকে মিলিটারিদের বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের ছবি যেন 'রেইনকোট' গল্পের প্রতিচ্ছবি"- ব্যাখ্যা করো।
- ‘অনুযোগ’ শব্দের অর্থ কী?
- মিসক্রিয়েন্টরা কলেজে কী বেশে ঢুকেছিল?
- 'রেইনকোট' গল্পের কথক কে?
- খোয়ারি' গল্পটির রচয়িতা কে?
- 'জিগীষা' এর বাক্য প্রসারণ-
- , রেইনকোট" গল্পটি কার রচনা?
- 'Bad workman quarrels with his tools' এর অর্থ হল ---
- কলিমদ্দি দফাদারের বোর্ড অফিস শীতলক্ষ্যার তীরের বাজারে। । নদীর এপারে-ওপারে বেশ কিছু বড়ো বড়ো কল-কারখানা। এগুলো শাসনের সুবিধার্থে একদল খান সেনা বাজারসংলগ্ন হাই স্কুলটিকে ছাউনি করে নিয়েছে। কোনো কোনো রাত্রে গুলিবিনিময় হয়। কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতি আক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায়, খান সেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না।'উদ্দীপকটিতে 'রেইনকোট' গল্পের আংশিক বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে।"- তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- কালরাত ঢাকা ছিল প্রেতের নগরীসবাই ফিরেছে ঘরে সাত তাড়াতাড়ি। চতুর্দিকেনিস্তব্ধতা ওঁৎ পেতে থাকে,ছায়ার ভিতরে ছায়া, আতঙ্ক একটিকৃষ্ণাজা চাদরে মুড়ে দিয়েছে শহরটিকে আপাদমস্তকউদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের যে দিকটির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- "এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।"- ব্যাখ্যা কর।
- তালেব মাস্টার অত্যন্ত ভীতু প্রকৃতির একজন মানুষ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের জন্য তার দাদার ফাঁসি হয়। সেই দাদার একজোড়া বুট এখনো তাদের আলমারিতে রক্ষিত আছে। মাঝে মাঝে সে বুটজোড়া পায়ে দেন মাস্টার। শরীরে সাহস সঞ্চার হয়, শরীরে আলাদা একটা উত্তেজনা অনুভব করেন। মুক্তিযোদ্ধারা ব্রিজ-কালভার্ট উড়িয়ে দিয়েছে, মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগসাজশ আছে ভেবে পাকিস্তানিরা তাকে গ্রেফতার করে। তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চলে। কিন্তু পায়ে থাকা দাদার বুটজোড়া তাকে সাহসী করে তোলে। দেশপ্রেম তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। তাঁর মুখ থেকে একটি শব্দও বের করতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তানি সেনারা।" 'রেইনকোট' গল্পে মুক্তিযোদ্ধা মিন্টুর রেইনকোট কোট আর উদ্দীপকে তালেব মাস্টারের দাদার বুটজোড়া অপরিসীম সাহস ও দেশপ্রেমকে প্রতিকায়িত করেছে।"- বিশ্লেষণ কর।
- কোন শব্দে ভুল বানান রয়েছে ?
- দেশমাতৃকার মুক্তির শপথ নিয়ে মুক্তি বাহিনীতে যোগ দেয় হুমায়ূন সাহেবের পাঁচ ছেলে। রাজাকারের মাধ্যমে এই খবর জানতে পেরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী হুমায়ুন সাহেবের ঘর- বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। অবশেষে ক্যাম্পে ধরেও নিয়ে যায় তাকে, বারবার জানতে চায় তাঁর -ছেলেদের ঠিকানা। হুমায়ুন সাহেব চুপ করে করে থাকলে তাঁর পিঠের ওপর প্রচন্ড জোরে চাবুকের আঘাত করে। যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়েন তিনি। রক্তাক্ত ও ক্ষত-বিক্ষত হয় তাঁর শরীর। তবু তিনি মুক্তিবাহিনীর কোনো খবর দেননা হানাদার বাহিনীকে।"দেশকে মুক্ত করার জন্য বাঙালি জনসাধারণের আত্মত্যাগই উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের মূল প্রতিপাদ্য।"-মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'নূরুল হুদার ঝুলন্ত শরীর যেন কবির পূর্বপুরুষ, যার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত'।এই মন্তব্যের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক হলো-
- 'অনুরাগ' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- 'মনে হচ্ছে যেন বৃষ্টি পড়ছে রেইনকোর্টের উপর' উক্তিটি দ্বারা লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- নুরুল হুদার সমস্ত ভালো লাগাটা চিড় খায় কখন?
- 'শোনেন, মিলিটারি যাদের ধরে, মিছেমিছি ধরে না।' “রেইনকোট” গল্পের এই উক্তিটি কার?
- ‘অবিদিত’ শব্দের অর্থ-
- নুরুল হুদার স্ত্রী কেন বাড়ি পাল্টানোর জন্য হন্যে হয়ে লেগে গেলেন?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রতনপুর গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে পরিণত হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতেম আলী হয়ে ওঠেন হানাদার বাহিনীর আশ্রয়দাঁতা ও সাহায্যকারী। তিনি এ কাজে সহকর্মীদেরও বাধ্য করেন এবং কেউ সম্মত না হলে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। অধিকাংশ শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের কাজকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পান না। সহকারী প্রধান শিক্ষক বাছেদ মিয়া ভীরু প্রকৃতির মানুষ হলেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। তাঁর পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে হাতেম আলীকে ধরে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করেন।উদ্দীপকের ঘটনার পরিণতি প্রত্যাশিত কিন্তু 'রেইনকোট' গল্পের পরিণতি থেকে ভিন্ন।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।