বৃত্তাকারে দাঁড়ানো মিলিটারির মাঝখানে হাত-পা বাঁধা কালামকে টানতে টানতে এনে দাঁড় করানো হলো। কালামের নাক-মুখ থেকে রক্ত ঝরছে। তাকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, মুক্তিবাহিনী কোথায় পালিয়ে গেছে? তিনি ঠিক করলেন, কিছুই বলবেন না। বন্দুকের নলটা কপালের ঠিক মাঝখানটায় ধরা হলো। তিনি বললেন, 'আমার মতো সাধারণ কালামের মৃত্যুতে কিছু এসে যায় না। কিন্তু মুক্তিফৌজদের জীবনের দাম আছে। মুক্তিফৌজ না বাঁচলে তোমাদের মারবে কে?' গুলিটা কপাল ভেদ করে বেরিয়ে যায়।
উদ্দীপকে বর্ণিত মিলিটারির নিপীড়নের দৃশ্যটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে তুলনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- রেডিও টিভিতে বিখ্যাত ও পদস্থ ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে প্রোগ্রাম করিয়েও কর্তাদের তেমন সুবিধা হচ্ছে না বোধ হয়। তাই বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীদের ধরে ধরে তাঁদের দিয়ে খবরের কাগজে বিবৃতি দেওয়ানোর কূটকৌশল শুরু হয়েছে। আজকের কাগজে ৫৫ জন বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীর নাম দিয়ে এক বিবৃতি বেরিয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ সানন্দে এবং সাগ্রহে সই দিলেও বেশির ভাগ বুদ্ধিজীবী ও শিল্পী যে বেয়োনেটের মুখে সই দিতে বাধ্য হয়েছেন, তাতে আমার কোনো সন্দেহ নেই।[তথ্যসূত্র: 'একাত্তরের দিনগুলি'- জাহানারা ইমাম]উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কোন দিক থেকে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা, করো।
- মিলিটারির চাবুকের আঘাত নুরুল হুদার কাছে কীবলে মনে হয়?
- সন্তানকে রক্ষা করতে নিজের বুকে গুলি পর্যন্ত খেলেন লিপি মণ্ডল। এরপরও শেষ রক্ষা হলো না। ছয় বছরের শিশু পুত্র পরাগ মন্ডলকে দিন দুপুরে অপহরণ করে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা। শিশুটির এখনো কোনো খোঁজ নেই। এ ধরনের একটি ঘটনা তখনই ঘটে যখন আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে জনমনে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে।"উদ্দীপকের সন্তানহারা লিপি মণ্ডল যেন 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদারই প্রতিনিধিত্ব করে।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- উর্দুর প্রফেসর আকবর সাজিদকে প্রিনসিপাল আজকাল তোয়াজ করে কেন? ব্যাখ্যা করো।
- পিতৃহীন সরল প্রকৃতির মৃদুলকে প্রভাবশালী মীর সাহেবেরলোকেরা ধরে নিয়ে যায় এবং একটা মিথ্যা দলিলে স্বাক্ষরকরতে বলে। মৃদুলের মনে পড়ে যায় বাবার শেষ উপদেশেরকথা— 'অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করো না।'বিপদের সম্ভাবনা জেনেও মৃদুল তার সিদ্ধান্তে অটল থাকে। উদ্দীপকের বিষয়ের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের সাদৃশ্য কোথায়?
- 'রেইনকোট' গল্পে বর্ণনা করা হয়েছে-
- . নুরুল হুদার মৌনতা মিলিটারিদের মনে কোন বিশ্বাসসৃষ্টিতে সাহায্য করে?
- কলেজ থেকে ঘরে ফেরার পথে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষের মধ্যেপড়ে যায় মাহমুদ। পুলিশের বেধড়ক লাঠিপেটায় সেদিনথেকেই সে হয়ে ওঠে ভাষা আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মী। উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পটিকে যে প্রেক্ষাপট থেকেপ্রতিনিধিত্ব করে তা হলো-
- কলিমদ্দি দফাদার ষাটোর্ধ্ব। তিনি সরকারি চাকরি করেন; পাকিস্তানি সেনাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া তাঁর ডিউটি। তাই মানুষ তাঁকে রাজাকার ভাবে। মুক্তিসংগ্রামে যেতে না পারায় তাঁর মনে দুঃখ। কিন্তু সুযোগ পেয়ে একবার একদল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ভুল। পথ দেখিয়ে বিপদে ফেলেছিলেন। এটাও তাঁর মুক্তিসংগ্রামে অংশগ্রহণ, কলিমদ্দি স্বস্তি পায় দেশের পক্ষে কাজ করতে পেরে।"ঘটনার বৈপরীত্য থাকলেও উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের চরিত্রগুলোর মধ্যে প্রবল দেশপ্রেম উজ্জীবিত ছিল?"- সপক্ষে যুক্তি দাও।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রতনপুর গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে পরিণত হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতেম আলী হয়ে ওঠেন হানাদার বাহিনীর আশ্রয়দাঁতা ও সাহায্যকারী। তিনি এ কাজে সহকর্মীদেরও বাধ্য করেন এবং কেউ সম্মত না হলে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। অধিকাংশ শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের কাজকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পান না। সহকারী প্রধান শিক্ষক বাছেদ মিয়া ভীরু প্রকৃতির মানুষ হলেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। তাঁর পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে হাতেম আলীকে ধরে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করেন।উদ্দীপকের ঘটনার পরিণতি প্রত্যাশিত কিন্তু 'রেইনকোট' গল্পের পরিণতি থেকে ভিন্ন।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- মেডিকেলের সামনে দিয়ে প্রতিদিনের মতো কর্মস্থলেযাচ্ছিল সদাগরি অফিসের কনিষ্ঠ কেরানি মঞ্জু; হঠাৎ মিছিলআর গুলির শব্দ। ভাষা আন্দোলনকারীদের সাথে মঞ্জুরওপরও বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পুলিশ বাহিনী। তারপরথেকে মঞ্জুও হয়ে ওঠে ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী |উদ্দীপকের মঞ্জু ও 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদার চারিত্রিক ঐক্য—
- "রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন"- ব্যাখ্যা করো।
- ‘দুধেভাতে উৎপাত’ গল্পগ্রন্থের রচয়িতা–
- 'কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতি-আক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায়, খান সেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না। কখনো কখনো খতরনাক অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। হাট-বাজারের লোকজন, মিল-ফ্যাক্টরির শ্রমিক, দোকানদার, স্কুল মাস্টার, ছাত্র সকলকে কাতারবন্দি করে কন্দুকের নল উচিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে, 'মুক্তি কিধার হায় বোলো।' এক উত্তর, ওরা জানে না।উদ্দীপকের ঘটনা 'রেইনকোট' গল্পের সাথে কি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- কোন গল্পগ্রন্থ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা?
- বাসস্ট্যান্ডে নুরুল হুদাকে দাঁড়াতে দেখলে দোকানদার ছেলেটা যেসব খবর দেয়-মুক্তিযোদ্ধা কর্তৃক খান সেনাদের খতম করার খবরমিলিটারি জিপ উল্টে দেওয়ার খবররংপুর-দিনাজপুরে বেশিরভাগ জায়গা স্বাধীন হওয়ার খবরনিচের কোনটি সঠিক?
- 'ভোর রাত থেকে বৃষ্টি'-এই 'বৃষ্টি' সম্পর্কে নূরুল হুদার অভিব্যক্তি বর্ণনা করো।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চিন্তে দেশেই অবস্থান করেছিলেন। তাঁদের ধারণা ছিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনী অকারণে মানুষ হত্যা করবে না। অন্তত যুদ্ধের নিয়ম, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী এমনই হওয়ার কথা। কিন্তু পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর সাহায্যে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। যাদের কেউ আর ফিরে আসেননি; লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবুও বাংলার স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করতে পারেনি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টিকে উপস্থাপন করেছে? আলোচনা করো।
- রেইনকোট' গল্পে 'আল্লাহুম্মা আন্তা সুবহানকা | ইন্নি কুন্তু মিনাজ জোয়ালেমিন।' পড়তে পড়তে সে দরজার দিকে এগোয়- কে?
- অযুত প্রাণের অগ্নিশিখায় সূর্য-কুঁড়িফৌজের হাঁকে কাঁপে থরথর দস্যুপুরী,নিমেষে ছড়ায়-তারই আওয়াজ দিগন্তরেমনে কি পড়ে?অযুত প্রাণের অগ্নিশিখার সূর্য-কুঁড়ি বলতে কী বোঝানো হয়েছে? 'রেইনকোট' গল্পের আঙ্গিকে আলোচনা করো।