‘যে কবিতা শুনতে জানে না / সে আনন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে ।’ - কোন কবিতার চরণ?
A. লোক লোকান্তর
B. আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
C. ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
D. রক্তে আমার অনাদি অস্থি
সঠিক উত্তরঃ
B.
আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়।উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার বৈসাদৃশ্য হলো-শব্দ ব্যবহারেছন্দ ব্যবহারেচিত্রকলা ব্যবহারেনিচের কোনটি সঠিক?
- “তাঁর করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল”— 'আমিকিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার চরণটিতে বোঝানোহয়েছে পূর্বপুরুষদের____
- 'গর্ভবর্তী বোনের মৃত্যুর কথা বলছি'- এর পরের চরণ কোনটি?
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার কোন চরণটিতে মানুষের উপর অত্যাচারের ইতিহাস ফুটে উঠেছে-
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেন বাঙালি জাতিকে মুক্তির কবিতা শোনালেন। বাঙালি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, শোষণ বঞ্চনার কথা তুলেধরে তিনি বলেন, 'বাঙলার ইতিহাস এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস।' তিনি এক পর্যায়ে বাঙালি জাতিকে প্রতিবাদী আর সংগ্রামী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছে, রক্ত আরও দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশা-আল্লাহ।' প্রধানত,- বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি ছিল বাঙালি জাতির কাছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক আর মুক্তির কবিতা।উদ্দীপকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? বিচার করো।
- 'যুদ্ধ আসে ভালোবেসে বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়'- বলতে কবি কী বুঝাতে চেয়েছেন?
- 'ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়' লাইনটি ব্যাখ্যা কর।
- খ্যাতিমান সমাজবিজ্ঞানী ড. সামাদ তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এ বাংলাদেশের ইতিহাস শোষণ আর বঞ্চনার। কৃষিই ছিল আমাদের পূর্বপুরুষদের প্রধান অবলম্বন আর ছিল মৃৎশিল্প, তাঁত শিল্প, মৎসজীবীতা। আমাদের পূর্বপুরুষদের বা তাদের পেশার প্রতি অশ্রদ্ধা দেখিয়ে জাতি হিসেবে আমরা উন্নতি করতে পারব না। বিদেশি শোষণের নির্মম অত্যাচার সহ্য করে আমাদের পূর্বপ্রজন্ম আমাদের জন্য বর্তমানের যে ভিত তৈরি করেছিলেন, তাই-ই আমাদের শিল্প সাহিত্যের মৌলিক প্রেরণা।'"উদ্দীপকের ড. সামাদ এবং 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার কবি চৈতন্যগত দিক থেকে অভিন্ন"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'আমরা কি তাঁর মতো কবিতার কথা বলতে পারবো?' -এ অংশে কবির কোন আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত হয়েছে?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় “ভালোবাসাদিলে মা মরে যায়”— চরণটির তাৎপর্য কী?
- ভালোবাসা দিলে কে মরে যায়?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় রক্তজবার মতো ক্ষত ছিলো -
- বিশ্বম্ভর বাবু মনে করতেন তার পূর্বপুরুষেরা মননশীলতা, সৃজনশীলতা ও অধ্যবসায়ের যে স্বাধীনচেতা মানসিকতা প্রকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন তা আজ ইতিহাস। তাঁরা ঔপনিবেশিক শাসন আমলে ক্রীতদাসে পরিণত হয়ে নানা নিপীড়ন সহ্য করলেও স্বাধীনতার বাক্য উচ্চারণ করতে দ্বিধা করেননি। তিনিও তাই তাদের মনোভাব আঁকড়ে ধরে সামনের দিকে এগোতে চান, সত্য প্রকাশ করতে চান।"উদ্দীপকে বর্ণিত বিশ্বম্ভর বাবুর পূর্বপুরুষের যে ইতিহাস তা মূলত 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার সারাংশ।"- বিশ্লেষণ করো।
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় রক্তজবারপ্রসঙ্গ যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে—
- আমি যে এসেছি জয় বাংলার বজ্রকণ্ঠ থেকেআমি যে এসেছি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকেএসেছি আমার পিছনে হাজার চরণচিহ্ন ফেলেশুধাও আমাকে এতদূর তুমি কোন প্রেরণায় এলে?"উদ্দীপকের আলোকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মূলভাব আলোচনা করো।
- 'ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়’– 'আমি কিংবদন্তিরকথা বলছি' কবিতায় চরণটির অর্থ কী?
- আমি তো এসেছি তিতুমীর আর হাজী শরিয়ত থেকে।আমি তো এসেছি গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণার থেকে।এসেছি বাঙালি ক্ষুদিরাম আর সূর্যসেনের থেকে।এসেছি বাঙালি জয়নুল আর অবন ঠাকুর থেকে।এসেছি বা???ালি রাষ্ট্রভাষার লাল রাজপথ থেকে।উদ্দীপকের চেতনার সঙ্গে 'আমি কিংবদন্তির কথাবলছি' কবিতার যে চরণের মিল রয়েছে—
- আমি যেখানেই থাকি, যেমনি থাকি, সর্বদা - মনে বাংলাদেশকেই লালন করি- উল্লিখিত অংশ 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি', কবিতায় কোন মনোভাবকে তুলে ধরেছে?।
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের--কখনই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের।শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ; একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি, গলায় পড়েছি ফাঁসআপস করিনি কখনই আমি--এই হলো ইতিহাস।উদ্দীপক এবং 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মূলভাব অভিন্ন- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।