'যার অন্তরে বয়ে যায় দেশপ্রেম
কোন অসম্মান তাকে পারে না ছুঁতে
শত কলঙ্ক রেখা দিলে টেনে
কালের পৃষ্ঠা তাকে খাঁটি করে হেমে
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে
তিনি বেঁচে থাকেন অন্তরে।'
পরিণতি বিচারে উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' 'নাটককে একই সূত্রে বাঁধা যায় কি? যুক্তি প্রদর্শন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- "মতিঝিল ছেড়ে আমি এক পা নড়ব না"- উক্তিটিতে ঘসেটি বেগমের কোন মানসিকতা ফুটে উঠেছে?
- সিরাজুদ্দৌলা নাটকের প্রথম অংক প্রথম দৃশ্যের স্থান কোনটি?
- সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট।উদ্দীপকের পিনোচেটের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সর্বাধিক মিল রয়েছে?
- "বাপের খেদানো মায়ে তাড়ানো" - কথটি সিরাজুদ্দোলা নাটকের কোন চরিত্র সম্পকে প্রযোজ্য ?
- 'যত বড় মুখ নয় তত বড়ো কথা'- উক্তিটি কার?
- বীথি ও সাথী দুই বোন। দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে বীথি যখন দেশে ফিরল তখন তার বাবার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পূর্বে বাবা তার সম্পত্তির কিছু অংশ সাথীকে দান করে যান। এই নিয়ে বীথি ভীষণ গোলযোগ সৃষ্টি করে। সে মনে করে বৃদ্ধ পিতাকে ভুলিয়ে সাথী সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে। সম্পত্তির জন্য সে ভয়ংকর হয়ে ওঠে এবং সাথীর কলেজপড়ুয়া ছেলের পেছনে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দেয়।উদ্দীপকের বীথি ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগম চরিত্রের তুলনা করো।
- মাত্র সতেরো জন্য সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খিলজি বাংলার মসনদ দখল করে নেন। এই সতেরো জন্য সৈন্য যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের অসামান্য সাহস, বিশ্বাস আর শৃঙ্খলার জন্য। 'পক্ষান্তরে লক্ষ্মণসেনের বাহিনী ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় জর্জরিত। লক্ষ্মণসেনের বিশাল বাহিনী তাকে রেখে পালিয়ে গেল। তাই লক্ষ্মণসেনও আত্মগোপনে চলে গেলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘটনা কোন কোন দিক দিয়ে তুলনীয়? বুঝিয়ে লেখো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ সংলাপটি কার?
- 'এ সময়ে এভাবে এখানে আসা খুবই বিপজ্জনক'। উক্তিটির কারণ ব্যাখ্যা করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
- কোলকাতা থেকে তাড়া খেয়ে ড্রেক দলবলসহ কোন জাহাজে আশ্রয় গ্রহণ করে?
- সিংহজানী পরগণার এক প্রতাপশালী জমিদারের নাম সিংহ নারায়ণ রায়। প্রজাবাৎসল্য তার চরিত্রের অন্যতম দিক। প্রজাদের সুখের জন্য তিনি দিঘি খনন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা, খাদ্যাভাব মোকাবিলায় খাদ্য মজুদসহ নানা রকম জনহিতকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তার জমিদারির অন্যতম সদস্য ছিলেন একমাত্র ভগ্নিপতি সমর সমাদ্দর। তিনি তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং বিশ্বাস করতেন। এই বিশ্বাসের সুযোগে সমর সমাদ্দার আত্মস্বার্থ চরিতার্থে ব্যস্ত থাকত। তার কৃতকর্ম অনেকবার ধরা পড়লেও জমিদার ঔদার্যবশত তাকে ক্ষমা করে দিতেন। এক বছর খাজনা পরিশোধের জন্য সমরকে দায়িত্ব দিলে সে সমস্ত অর্থ নিয়ে আত্মগোপন করে। সূর্যাস্ত আইনে জমিদারির পতন ঘটে।'উদ্দীপকের প্রজাবৎসল সিংহ নারায়ণ রায় যে কারণে জমিদারি হারিয়েছেন একই কারণে'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে বাংলার স্বাধীনতা-সূর্য অস্ত যায়।'- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে উক্তিটি যাচাই করো।
- "আমি আল্লাহর পাক কালাম ছুঁয়ে ওয়াদা করছি, আজীবন নবাবের আজ্ঞাবহ হয়েই থাকব।" উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- ব্যস্ত শহরের তিনমাথায় হঠাৎ করে একজন লোককে লক্ষ করা যায়। সে নানা ধরনের রঙিন পাথর নিয়ে বসে আছে। তাঁর ভাষ্যমতে, এগুলো সে স্বপ্নে পেয়েছে। এ সব পাথর শরীরে ধারণ করলে সকলের সমস্ত রোগ ভালো হয়ে যাবে। শহরের অনেকেই সরল বিশ্বাসে সেগুলো টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে যাচ্ছে। আর এদিকে লোকটার আয়ও দিনে দিনে বেড়ে যেতে থাকে। লোকজন এখন তাকে পাথরবাবা বলে ডাকে।উদ্দীপকের পাথরবাবা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- আবেদ-জাবেদ দুই ভাই কার মৃত্যুতে দানবীয় উল্লাস প্রকাশ করেছিল?
- অমর ও সমর অন্তরঙ্গ বন্ধু। একদা তারা এক বনের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। তারা প্রতিজ্ঞা করেছে পথে কোনো বিপদে কেউ কাউকে ছেড়ে যাবে না। বনের মাঝামাঝি আসতেই তারা এক হিংস্র ভালুকের আক্রমণের শিকার হলো। অমর বন্ধুর কথা না ভেবে নিজের প্রাণ বাঁচাতে একটি বৃক্ষের উপর উঠে গেল; কিন্তু সমর গাছে উঠতে পারে না। উপায় না দেখে সে মৃত মানুষের মতো মাটিতে শুয়ে পড়ল। হিংস্র ভালুকটি দৌড়ে এসে সমরের দেহটিকে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করে অবশেষে মৃতদেহ ভেবে চলে গেল। বিপদমুক্ত ভেবে অমর এবার বৃক্ষ থেকে নামল আর বন্ধু সমরের কাছে জানতে চাইল, ভালুক তার কাকে কানে কী বলে গেছে? সমর গম্ভীর স্বরে উত্তর দিল- 'ধূর্ত ও প্রতিজ্ঞা ভঙ্গকারীরা চিরকালই শত্রু হয়, বন্ধু হয় না, এই কথাই বলেছে।'উদ্দীপকের সমর চরিত্র কোন বিবেচনায় সিরাজউদ্দৌলা চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কয়টি অঙ্ক রয়েছে?
- 'সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট।'উদ্দীপকের পিনোচেট 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সর্বাধিক মিল রয়েছে?
- কোন কবি নবাব সিরাজউদৌলার চরিত্রনির্ভর নাটক রচনা করেন ?
- শেক্সপিয়রের নাটক 'ম্যাকবেথে' রাজা ডানকানকে সেনাপতি ম্যাকবেথ নিমন্ত্রণ করেন। ভোজশেষে রাজা ঘুমাতে গেলে লেডি ম্যাকবেথের প্ররোচনায় নিজে রাজা হওয়ার আশায় ডানকানকে হত্যা করেন ম্যাকবেথ।"অর্থ, ক্ষমতা ও স্বার্থ'-এ তিনই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ষড়যন্ত্র, হত্যা ও হঠকারিতার জনক।"- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটক অবলম্বনে এই উক্তির যথার্থতা বিচার করো।