আয়নিক গুণফল Kip ও দ্রাব্যতা গুণফল Ksp এর সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিচের কোনটিতে অধঃক্ষেপ দিবে?
RUUnit-CSet-4রসায়ন প্রথম পত্রগুণগত রসায়নদ্রাব্যতা, দ্রাব্যতা গুনফল, আয়নিক গুনফল ও অধঃক্ষেপ (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
Kip > Ksp
Explanation:

Another Explanation (5):
আয়নিক গুণফল (Kip) ও দ্রাব্যতা গুণফল (Ksp) এর সম্পর্ক এবং অধঃক্ষেপণ 🌧️
আয়নিক গুণফল (Kip) এবং দ্রাব্যতা গুণফল (Ksp) এর মধ্যে সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি মূলত কোনো রাসায়নিক দ্রবণে অধঃক্ষেপ (Precipitation) পড়বে কিনা, তা নির্ধারণ করে। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
Kip এবং Ksp কি? 🤔
- দ্রাব্যতা গুণফল (Ksp): একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি স্বল্প দ্রবণীয় লবণের সম্পৃক্ত দ্রবণে আয়নগুলোর সর্বোচ্চ গুণফলকে দ্রাব্যতা গুণফল বলে। এটি একটি ধ্রুবক মান।
- আয়নিক গুণফল (Kip): যেকোনো দ্রবণে উপস্থিত আয়নগুলোর গুণফলকে আয়নিক গুণফল বলে। Kip এর মান Ksp এর সমান, বেশি বা কম হতে পারে।
অধঃক্ষেপণ কখন ঘটবে? ⏳
অধঃক্ষেপণ মূলত Kip এবং Ksp এর মানের উপর নির্ভর করে। নিচে তিনটি ভিন্ন পরিস্থিতি আলোচনা করা হলো:
- Kip < Ksp: দ্রবণটি অসম্পৃক্ত। অর্থাৎ, দ্রবণে আরও লবণ দ্রবীভূত হতে পারবে এবং কোনো অধঃক্ষেপ পড়বে না। 😃
- Kip = Ksp: দ্রবণটি সম্পৃক্ত। এই অবস্থায় দ্রবণটি সাম্যাবস্থায় থাকে এবং কোনো অতিরিক্ত লবণ যোগ করলে তা দ্রবীভূত হবে না, বরং অধঃক্ষেপণ শুরু হতে পারে। ⚖️
- Kip > Ksp: দ্রবণটি অতিপৃক্ত। এই অবস্থায় দ্রবণে লবণের পরিমাণ দ্রাব্যতার চেয়ে বেশি হয়ে যায়, ফলে অতিরিক্ত লবণ দ্রবণ থেকে আলাদা হয়ে কঠিন আকারে পাত্রের নিচে জমা হতে শুরু করে। একেই অধঃক্ষেপণ বলে। 🥳
Kip ও Ksp এর সম্পর্ক 📊
| শর্ত | দ্রবণের অবস্থা | অধঃক্ষেপণ |
|---|---|---|
| Kip < Ksp | অসম্পৃক্ত | ❌ ঘটবে না |
| Kip = Ksp | সম্পৃক্ত | ⚠️ সাম্যাবস্থা (ঘটতে পারে) |
| Kip > Ksp | অতিপৃক্ত | ✅ ঘটবে |
বাস্তব জীবনে প্রয়োগ 🧪
- বৃষ্টির পানিতে বিভিন্ন খনিজ লবণের দ্রবণ তৈরি হওয়া এবং পরবর্তীতে তা পাথরের গায়ে জমা হয়ে খনিজ স্তূপ তৈরি করে।
- নদীর মোহনায় লবণাক্ত পানি মিঠা পানির সাথে মিশে পলি ও অন্যান্য দ্রবীভূত পদার্থ জমা হয়ে চরাঞ্চল সৃষ্টি করে।
সুতরাং, Kip > Ksp হলেই কেবল অধঃক্ষেপণ ঘটবে। 🎉