"অপরিচিতা" গল্পে অনুপমের সুন্দর চেহারা কে পন্ডিতমশাই কিসের সাথে তুলনা করেছিলেন?
A. জবা ফুল ও আম
B. গোলাপ ফুল ও তরমুজ
C. শিমুল ফুল ও মাকাল ফল
D. জবা ফুল ও আপেল
সঠিক উত্তরঃ
C.
শিমুল ফুল ও মাকাল ফল
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নাম পদের সম্পর্ককে বলে--
- কোনটি সঙ্গতিপূর্ণ জোড় নয়?
- ‘অপরিচিতা’ গল্পটি কার জবানীতে লেখা?
- একদল শ্রমজীবী নারী-পুরুষ লঞ্চে করে গ্রামে যাচ্ছিল ঈদেরছুটিতে। বিত্তবান মোহিত সাহেব স্ত্রী-সন্তান এবং আত্মীয়-পরিজন নিয়ে লঞ্চে উঠলে লঞ্চকর্মীরা শ্রমজীবীদের সিটগুলোছেড়ে দিতে বলে। অনেকেই ছেড়ে দিলেও প্রতিবাদ জানিয়েনিজের সিটে দৃঢ়ভাবে বসে থাকে গৃহকর্মী হালিমা।উদ্দীপকের হালিমা 'অপরিচিতা' গল্পের কাকেপ্রতিনিধিত্ব করে?
- অনিমেষ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর বাবা-মার পছন্দ করা মেয়ে মাধুরীকে বিয়ে করে ঘরে আনে। অনিমেষের বাবা ও মা নিজ কন্যার মতোই মাধুরীকে প্রথমে সাদরে গ্রহণ করলেও কিছু দিনের মধ্যে যৌতুক না পাওয়ায় বকাঝকা করতে থাকে। তখন অনিমেষ তার বাবাকে খুব বিনয়ের সাথে বুঝিয়ে বলে যে, সে কোনো যৌতুক নেবে না। আর তারা যেন এ-ব্যাপারে মাধুরীকে কোনো কটুকথা না বলে।উদ্দীপকের অনিমেষের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের বৈসাদৃশ্য আছে- তা ব্যাখ্যা কর।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তী' গল্পে যৌতুকের বলি হৈমন্তী। মানসিক নির্যাতনের জর্জরিত হয়ে সে পিতা গৌরীশংকর বাবুকে খবর পাঠায় স্বামীগৃহ হতে তাকে পিত্রালয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। গৌরীশংকর বাবু মেয়ের র বাড়িতে এসে মেয়ের কষ্ট বুঝতে পারেন। কিন্তু ধনী বেয়াই- এর বিরুদ্ধে প্রতিকার করতে না পেরে নীরবে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বিদায় নেন। আর চরম পরিণতির দিকে এগিয়ে যায় হৈমন্তী।হৈমন্তীর চরম পরিণতি আর 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর বিয়ে ভেঙে যাওয়ার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করো।
- 'শব্দকল্পদ্রুম'?
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছু দিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গিয়াছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনও তাহার চেয়ে কিঞ্চিৎ উপরে আছে, সেই জন্য তাড়া।উদ্দীপকের বরের বাপের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামার সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- 'শুনিয়া আমার মন পুলকের আবেশে ভরিয়া গেল'- কী প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- প্রায় এক বছর হলো বাজিতপুর নিবাসী কেরামত আলীর ছোট মেয়ে বিজলীর সাথে মনোহরপুর গ্রামের হোসেন মিয়ার একমাত্র ছেলে হাশিমের বিয়ে হয়েছে। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই হাশিমের পরিবার বিজলীর উপর অমানবিক অত্যাচার ও নির্যাতন শরু করেছে। বিজলীর অপরাধ- বিয়ের সময় তার বাবা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যৌতুকের সমস্ত টাকা পরিশোধ করতে পারেনি। তাই বিজলীকে নীরবে সহ্য করতে হচ্ছে এ নির্যাতন।উদ্দীপকের বিজলীর সাথে 'অপরিচিত' গল্পের কল্যাণী চরিত্রের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য তুলে ধর।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতার কবির উপলব্ধি হচ্ছে-
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ’অপরিচিতা’ গল্পটি কোন পুরুষের জবানিতে লেখা?
- এম.এ. পাস রফিক বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথাবার্তা বলার সময় বলে নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে বিয়ে নয়। কিন্তু পিতৃহীন রফিক চাচার সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে না। পর সম্পদ লোভী চাচার আদেশে তাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। নিজের মতামত প্রকাশের মানসিক দৃঢ়তা না থাকার কারণে বিয়ে বাড়ীতে যৌতুকের মালামাল নিয়ে লোভী চাচার প্রশ্নের কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। রফিকও চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিয়ে বাড়ী থেকে অসহায়ের মত চলে আসে।উদ্দীপকে বর্ণিত রফিক চরিত্রের সাথে 'অপরিচিতা'- গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।
- প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত 'সবুজপত্র পত্রিকা কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
- 'মহাজাগতিক' শব্দটি কোন পদ?
- দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা তার সর্বঅবয়বেপ্রতিফলিত হয়ে কী সৃষ্টি করে?
- কবি শামসুর রাহমানের মতে, তরুণ শ্যামল পূর্ববাংলা হচ্ছে-
- 'ঐহিক' শব্দের বিপরতি শব্দ হলো:
- 'আমার পথ দেখাবে আমার সত্য'— এই বাক্যে ফুটেউঠেছে—
- কল্যাণীর পিতার নাম কি?
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ। সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায় বাহাদুরের হাতে-পায়ে ধরিয়া বলিলেন, 'শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক। আমি নিশ্চয় টাকাটা শোধ করিয়া দেবো।' রায় বাহাদুর বলিলেন, 'টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।'"উদ্দীপকের রায় বাহাদুর আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামা একই মানসিকতা লালন করে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- ‘জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসাবে বড়, না গুণের হিসাবে’
- উচ্চশিক্ষিত ও আধুনিক জীবনবোধসম্পন্ন মেয়ে অরুনিমা। সে একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। তার কয়েকবার বিয়ের সম্বন্ধ এলেও পাত্রপক্ষের বিভিন্ন শর্ত শুনে বিয়েতে রাজি হয়নি অরুনিমা। একদিন অরুনিমার বাবা তাকে বিয়ের জন্য একজন ভালো পাত্রের কথা জানালেন। তখন অরুনিমা বলল, 'আমি সমাজের নারীদের জন্য কিছু করতে চাই, এখন বিয়ে নিয়ে ভাবছি না।উদ্দীপকের অরুনিমার সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'পদ্মরাগ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সিদ্দিকা। ব্যারিস্টার লতিফ আলমাসের সঙ্গে তার বিয়ের কথা পাকা হয়। লফিতের চাচার ছিল সম্পদের লোভ কিন্তু সিদ্দিকার বড় ভাই সোলেমান তার বোনকে সম্পত্তি লিখে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। তাই চাচা লতিফ আলমাসকে অন্য এক বিত্তশালী বিধবার কন্যার সঙ্গে বিয়ে দেন। অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনার পর সিদ্দিকার সঙ্গে লতিফের যখন দেখা হয় তখন বিপত্নীক লতিফ সিদ্দিকাকে পুনরায় বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সিদ্দিকা সবকিছু জানার পর লতিফকে ক্ষমা করে কিন্তু সংসার করার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। কারণ ততদিনে সে নারী মুক্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত হয়ে জীবনের উদ্দেশ্যকে বদলে ফেলেছে।উদ্দীপকের চাচার সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রটি তুলনীয়?-আলোচনা কর।
- 'ঘরে-বাইরে' গ্রন্থের রচয়িতা-
- ছোটবেলায় অনুপম পন্ডিতমশাইয়ের বিদ্রুপের পাত্র হয়েছিল কেন?
- মামার একমাত্র লক্ষ্য কী ছিল?
- কোন ঘটনাকে 'অপরিচিতা' গল্পের শীর্ষমুহূর্ত বলা যায়?
- ‘অপরিচিতা' গল্পে গল্প বলায় পটু কে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস?
- প্রজাপতি কে?
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শ্রী গীতা রাণী সরকার। লেখাপড়া শেষ করতেই ২৭ বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার সম্বন্ধ আসে এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি। গীতা রাণী লেখাপড়া শেষে একটি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। সমাজের অবহেলিত, পশ্চাৎপদ নারীদের গভীর মনোযোগ সহকারে শিক্ষাদান করেন। হঠাৎ প্রতিবেশী কালীচরণ রায় একটি সম্বন্ধ নিয়ে আসে। গীতা তাকে বিনয়ের সঙ্গে জানান- তিনি এখন আর বিয়ে করতে পারবেন না। কারণ, সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের শিক্ষার গুরুদায়িত্ব তিনি নিয়েছেন।উদ্দীপকের গীতা রাণীর সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- "অনেক কষ্ট করে অনেক আশা নিয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসেছি।”- কোন ধরনের বাক্য?
- "ধলেশ্বরী নদীর তীরে পিসিদের গ্রামতাঁর দেওরের মেয়ে অভাগার সাথে তার বিবাহ ছিল ঠিকঠাকলগ্ন শুভ, নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গেল-সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে।মেয়েটা তো রক্ষা পেলআমি তথৈবচঘরেতে এলো না সে তো, মনে তার নিত্য আসা যাওয়াপরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর।'সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে'- এ চরণের আলোকে বুঝিয়ে লেখো যে, উদ্দীপকের নায়কের মতো অনুপমের বিরহের জন্য নিজের অক্ষমতাই দায়ী।
- 'এ আর দেখব কী । ইহাতে খাদ নাই' - উক্তিটি কার?
- 'কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছু দিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোন রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গিয়াছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিত উপরে আছে আছে, সেই জন্যই তাড়া।'উদ্দীপকের কন্যার বাপের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামার সাদৃশ্য দেখাও।
- এ কেবল একটি মানুষের গলা'- একথা দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘মুক্তধারা' রবীন্দ্রনাথের কোন ধরণের রচনা?
- হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখনজন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধানগত আকালের মৃত্যুকে মুছেআবার এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।