‘চর্যাগীতি’র রচয়িতা-
RUUnit-ASet-2বাংলা সাহিত্যবাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও আদিযুগবাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও আদিযুগ (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
কাহ্নপা
Explanation:

Another Explanation (5):
চর্যাগীতি: রচয়িতা কাহ্নপা
চর্যাগীতি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। এর রচয়িতাদের মধ্যে কাহ্নপা অন্যতম। চর্যাগীতি ও কাহ্নপা সম্পর্কে কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
চর্যাগীতি পরিচিতি 📜
- ভাষাতত্ত্ব: চর্যাগীতির ভাষা বাংলা ভাষার আদি রূপ।
- সময়কাল: আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী।
- আবিষ্কার: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- পুঁথির নাম: চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।
- মোট পদ: মূল পুঁথিতে ৫০টি পদের কথা উল্লেখ থাকলেও, পাওয়া গেছে সাড়ে ৪৬টি পদ।
কাহ্নপা 👨🏫
- অন্য নাম: কাহ্ন, কাহ্নিল, কৃষ্ণবজ্র।
- চর্যাপদ সংখ্যা: কাহ্নপার রচিত পদের সংখ্যা ১৩টি (মতান্তরে)।
- গুরুত্ব: তিনি চর্যাগীতির গুরুত্বপূর্ণ কবিদের মধ্যে অন্যতম।
- দর্শন: তাঁর পদে বৌদ্ধ সহজিয়া দর্শনের প্রভাব দেখা যায়।🧘
কাহ্নপার উল্লেখযোগ্য পদ ✍️
- “টালত মোর ঘর নাহি পড়বেসী” – এই পদে জীবনের অনিত্যতা ও সংসার জীবনের ভোগান্তির কথা বলা হয়েছে।
- "নগর বাহিরে ডোম্বি তোহারি কুড়িয়া"
চর্যাগীতিতে কাহ্নপার অবদান ➕
কাহ্নপা তাঁর সহজ-সরল ভাষায় বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় তত্ত্ব প্রকাশ করেছেন। তাঁর পদগুলোতে তৎকালীন সমাজের চিত্র পাওয়া যায়। সমাজের নিচু স্তরের মানুষের জীবনযাত্রা, তাদের দুঃখ-বেদনা কাহ্নপার পদে ফুটে উঠেছে।
তথ্য সারণী 📊
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| চর্যাগীতির রচনাকাল | দশম-দ্বাদশ শতাব্দী |
| আবিষ্কারক | হরপ্রসাদ শাস্ত্রী |
| কাহ্নপার পদ সংখ্যা | ১৩ (মতান্তরে) |
| দর্শন | বৌদ্ধ সহজিয়া দর্শন |
আশা করি এই তথ্যের মাধ্যমে চর্যাগীতি ও কাহ্নপা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। 🙏
আরও জানতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও জার্নাল থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। 📚