‘সে যেন খাঁচার ধরা পড়েছে ।’ -কার ধরা পড়ার কথা বলা হয়েছে?
A. রহিমা
B. জমিলা
C. হাসুনিরমা
D. আমেনা বিবি
সঠিক উত্তরঃ
B.
জমিলা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ত্রিপুরা রাজ মন্দিরের পুরোহিত রঘুপতি মিথ্যা ধর্মবোধ ও অন্ধসংস্কারের ধারক। মন্দিরে বলিদান প্রথার বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদের বাণী ধ্বনিত হয় অপর্ণার মধ্যে। তার ছাগ-শিশু বলির বিচার দাবি 'বিসর্জন' নাটকের বিরোধের বীজ। এ বীজ প্রথম বপিত হয় রাজার হৃদয়ে। আর এ বপিত বীজের কারণে রাজার বিরুদ্ধে বিরোধ, জয়সিংহের আত্মবিসর্জন, রঘুপতির প্রতিমা বিসর্জন এবং পরিণতিতে মাতৃরূপে অপর্ণার নিকট রঘুপতির দর্প চূর্ণ হয়।উদ্দীপকের অপর্ণার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার সাদৃশ্য কতটুকু? ব্যাখ্যা করো।
- "তারপর কতক্ষণ সে বজ্রাহতের মতো বসে থাকে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- 'লালসালু' প্রথম কত সালে প্রকাশিত হয়?
- কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর মতে কবিতা হলো— সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান মায়ের কোলে শুয়ে গল্প শোনাকর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানানিচের কোনটি সঠিক?
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়।' 'লালসালু'উপন্যাসের এ বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে মজিদের—
- 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।' ব্যাখ্যা করো।
- ভণ্ড-প্রতারক হলেও মজিদ- আত্মপ্রতিষ্ঠায় আত্মপ্রত্যয়ীশিকড়সন্ধানী অস্তিত্ববাদী জীবন-সিদ্ধান্তে সাহসী নিচের কোনটি সঠিক?
- লালসালু উপন্যাসে প্রদীপের আলোর সাথে তুলনা করা হয়েছে -
- নাজমুল হোসেন একজন শিক্ষক। তিনি প্রগতিশীল ও আধুনিক মননের অধিকারী। তিনি তার ছাত্রদের আধুনিক চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে গড়ে তুলতে চান। যেকোনো বিষয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে চান। ধর্মীয় কুসংস্কার ও গোঁড়ামি থেকে মুক্ত করে তাদের বিজ্ঞানমনষ্ক করার চেষ্টা করেন। এতে কেউ কেউ তার বিরাগভাজন হলেও তিনি পিছপা হন না।উদ্দীপকের নাজমুল হোসেন এবং 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের মানসিকতার সাদৃশ্য নির্ণয় কর।
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।'- ব্যাখ্যা করো।
- নাফরমানি করিও না। খোদার উপর তোয়াক্কাল রাখ । এ কথা কে বলে ?
- গফুর মিয়ার সংসার টিকিয়ে রেখেছে তার স্ত্রী মরিয়ম। বিশাল সংসারের সকল দায়িত্ব মরিয়মের গরুবাছুরের তত্ত্বতালাশ, ধান মাড়াই থেকে সিদ্ধ করা, মেহমান মুসাফির সবকিছুই একহাতে সামলান তিনি। অবশ্য এতে তার ক্লান্তি নেই। শুধু মাঝে মাঝে নিজেকে বড় একলা মনে হয়। গফুর মরিফমের মনের অবস্থা বোঝে। কারণ সে জানে, তাদের কোনো সন্তান নেই।"মরিয়ম 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমার মতই গফুরের ঘরের খুঁটি"- ব্যাখ্যা করো।
- খুলনা জেলার চুকনগরে রুথিত পির বাবার নাম আঃ লতিফ। চুকনগর হাইস্কুল রোডের একটি ঘরে তার আস্তানা। প্রতিদিন শত শত ভক্ত ও রোগী পানি, তেল, কলার মোচা পড়াসহ নানা তদবির নিতে আসে পির বাবার সান্নিধ্যে। তার আস্তানায় গিয়ে দেখা যায় টেবিলের উপর পানি, তেল ও দুধের বোতল, কলার মোচা, মাটি মাদুনিসহ নানা তদবিরের সামগ্রী। আর বাইরে অসংখ্যা মহিলাদের লাইন। সবার হাতে পানি ও তেলের বোতল। একেক জনকে একেকভাবে চিকিৎসা করছেন তিনি। তার আস্তানায় ৪টি সাইনবোর্ড আছে। যার একটিতে লেখা শিক্ষাগত যোগ্যতা, একটিতে রোগের চিকিৎসা ফি। সাপে কাটা ফি ৫০০ টাকা, কুকুরে কামড়ানো ফি ২৫০ টাকা, বিড়ালে কামড়ানো ফি ১৫০ টাকা, অর্শরোগী ২০০ টাকা, জিনে ধরা ফি ৩০০ টাকা, প্রয়োজনে বারণ ফি ১০০ টাকা, বাড়ি বন্ধ করা ফি ৩০০ টাকা। বহু রোগী তাদের রোগ নিরাময়ের জন্য হুজুরের দরবারে আসে। আশপাশের অনেকেই যুজুরের পানি পড়াতে সুস্থ হয়ে গেছে এই গুজব শুনে এসেছে তারা।উদ্দীপকের আঃ লতিফ এবং লালসালু' উপন্যাসের মজিদ ভিন্ন প্রেক্ষাপট তৈরি করলেও তাদের উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন'- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- সুবেদ আলি গ্রামের একজন অবস্থাসম্পন্ন মানুষ। সাদা মনের মানুষ হিসেবে গ্রামে তার একটা সুনাম আছে। পরোপকারী এবং সুখী বলেই সবাই তাকে জানে। প্রকৃতপক্ষে, ভেতরে তিনি সুখী ছিলেন না। বিয়ের বয়স দেড় যুগ গড়ালেও সন্তানের মুখ দেখেননি। বহুজনের কাছে স্বামী-স্ত্রী দুজনই চিকিৎসা নিয়েও ব্যর্থ হন। সুবেদ আলি একদিন শুনতে পান পাশের গ্রামের ফকির বাবার কেরামতির কথা। উপঢৌকনসহ সস্ত্রীক ছুটে যান তার কাছে। তাদের বিশ্বাস, ফকির বাবার ঝাড়ফুঁক পেলেই মনের আশা পূরণ হবে।"উদ্দীপকের সুবেদ আলির 'বিশ্বাস' আর 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামবাসীর বিশ্বাস যেন এক সুতোয় গাঁথা।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "রহিমার অলক্ষ্যে ছাপিয়ে ওঠো অশ্রুর সঙ্গে কতক্ষণ লড়াই করে জমিলা তারপর কেঁদে ফেলে"- তার এই কান্নার কারন কী?
- "ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে?"- ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের 'মাছের পিঠের মতো মাজার'বলতে রূপক অর্থে বোঝানো হয়েছে—
- নিরাক পড়া এক মধ্যাহ্নে গ্রামে আগত মজিদ কার বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণ করে?
- কত বছর বয়সে আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল?
- 'কলমা জানো মিঞা?'- মজিদ প্রশ্নটি কাকে করেছে?