Bangladesh obtained membership of WTO (World Trade Organization) in which year?
JUUnit-CSet-2সাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশআন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশWTO (World Trade Organization) সদস্যপদ (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
1995
Explanation:

Another Explanation (5):
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (WTO) বাংলাদেশের যোগদান 🇧🇩🤝🌍
বাংলাদেশ ১৯৯৫ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (World Trade Organization - WTO) সদস্যপদ লাভ করে। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। নিচে এর প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য এবং প্রভাব আলোচনা করা হলো:
যোগদানের প্রেক্ষাপট
- প্রতিষ্ঠাকাল: WTO প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে। 🗓️
- GATT: WTO পূর্বে জেনারেল এগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফ অ্যান্ড ট্রেড (GATT) নামে পরিচিত ছিল। 📜
- লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজতর করা এবং বাণিজ্য বাধা দূর করা। 🎯
যোগদানের সময়কাল ⏳
বাংলাদেশ WTO-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। ১৯৯৫ সালেই বাংলাদেশ এতে যোগদান করে।
যোগদানের তাৎপর্য 🌟
- বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশ: WTO-এর সদস্য হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ পায়। 🛍️
- রপ্তানি বৃদ্ধি: বাণিজ্য উদারীকরণের ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত সহ অন্যান্য রপ্তানি পণ্যের প্রসার ঘটে। 📈
- বিনিয়োগ আকর্ষণ: আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক। 💰
- আইন ও নীতি সংস্কার: WTO-এর সদস্য হিসেবে, বাংলাদেশকে বাণিজ্য সংক্রান্ত আইন ও নীতি আধুনিকীকরণ করতে হয়। ⚖️
বাংলাদেশের উপর প্রভাব 📊
| ক্ষেত্র | ইতিবাচক প্রভাব | কিছু চ্যালেঞ্জ |
|---|---|---|
| অর্থনীতি | রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, জিডিপি-র উন্নতি। 💸 | বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা, নতুন শুল্ক আরোপ। 🛡️ |
| কৃষি | কিছু কৃষিপণ্যের রফতানির সুযোগ সৃষ্টি। 🌾 | ভর্তুকি হ্রাস, আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে প্রতিযোগিতা। 🚜 |
| শিল্প | নতুন শিল্পের প্রসার, প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ। 🏭 | দেশীয় শিল্পের জন্য সুরক্ষা কমে যাওয়া। 🚧 |
বর্তমান পরিস্থিতি 🌍
বর্তমানে, বাংলাদেশ WTO-এর বিভিন্ন নীতি ও ফোরামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিভি??্ন বাণিজ্য সুবিধা পেয়ে থাকে।
আরও জানতে ভিজিট করুন: WTO Official Website 🌐
আশা করি এই তথ্য আপনার কাজে লাগবে! 👍