অমর ও সমর অন্তরঙ্গ বন্ধু। একদা তারা এক বনের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। তারা প্রতিজ্ঞা করেছে পথে কোনো বিপদে কেউ কাউকে ছেড়ে যাবে না। বনের মাঝামাঝি আসতেই তারা এক হিংস্র ভালুকের আক্রমণের শিকার হলো। অমর বন্ধুর কথা না ভেবে নিজের প্রাণ বাঁচাতে একটি বৃক্ষের উপর উঠে গেল; কিন্তু সমর গাছে উঠতে পারে না। উপায় না দেখে সে মৃত মানুষের মতো মাটিতে শুয়ে পড়ল। হিংস্র ভালুকটি দৌড়ে এসে সমরের দেহটিকে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করে অবশেষে মৃতদেহ ভেবে চলে গেল। বিপদমুক্ত ভেবে অমর এবার বৃক্ষ থেকে নামল আর বন্ধু সমরের কাছে জানতে চাইল, ভালুক তার কাকে কানে কী বলে গেছে? সমর গম্ভীর স্বরে উত্তর দিল- 'ধূর্ত ও প্রতিজ্ঞা ভঙ্গকারীরা চিরকালই শত্রু হয়, বন্ধু হয় না, এই কথাই বলেছে।'
উদ্দীপকের সমর চরিত্র কোন বিবেচনায় সিরাজউদ্দৌলা চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- হোসেন মিয়া বিশাল সম্পত্তির অধিকারী। তার চার ছেলে সবাই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য কৌশলী, মনোভাবের অধিকারী। হোসেন মিয়া সবকিছু বুঝতে পারলেও সন্তান হিসেবে তাদেরকে বারবার ক্ষমা করে দেন। তার এই অপরিসীম কোমল মনোভাবের কারণে একসময় ছেলেরা গোপনে পুরো সম্পত্তি অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয় এবং শেষ পরিণতিতে হোসেন মিয়া রাস্তায় নেমে আসেন।"সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?" বক্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- "আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে।"- বুঝিয়ে দাও।
- 'ফিরে এসেছি রাজধানীতে স্বাধীনতা বজায় রাখবার শেষ চেষ্টা করব বলে।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- রফিক স্পষ্টভাবেই তার চাওয়াটা সকলকে জানিয়ে দিয়ে গেছে। সে সহ-সভাপতির পদ চায়। এও বলেছে যে, যদি সোহেলদের দল জিতবে নিশ্চয়তা থাকে তাহলেই কেবল রফিক তাদের দলে আসবে, পরাজয়ের আশঙ্কা থাকলে সে তার বর্তমান দল ত্যাগ করবে না। উদ্দীপকের রফিক চরিত্রটি 'সিরাজউদ্???ৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিরূপ?
- 'নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই।"- ক্লাইভের এ কথার অর্থ কী?
- প্রগতিশীল যুবক আকাশ শহর থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করে এক সময় নিজ গ্রাম শিবালয়ে ফিরে আসে। তার গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তাই গ্রামের মানুষকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে গ্রামে একটা স্কুল প্রতিষ্ঠা- করতে চায় আকাশ। এর জন্য গ্রামের লোকজনকে ডেকে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। সভায় গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি ছমির মিয়া নিজের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার ভয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে এবং তাকে কৌশলে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য করে।উদ্দীপকের আকাশের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি আলোচনা করো।
- ‘জন্ডিস’ একটি–
- "শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়"- ব্যাখ্যা করো।
- রক্ত ঝরেঅগ্নির মতো বাঁশের কেল্লা বেদির পরেরক্ত ঝরাই ফাঁসির মঞ্চে দীপান্তরেঝরেছে সকল রক্ত। এখন কখানা হাড়েঝকঝক করে তীব্র তীক্ষ্ণ বর্শা-ফলানতুন দস্যু আসে যদি, দেশ দেবো না তারেইস্পাত হাড়ে গড়েছি বজ্র বহ্নি-জ্বালা।উদ্দীপকের 'বাঁশের কেল্লা' আর পলাশীর আম্রকানন কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন'- কে, কেন বলেছে?
- কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার কে?
- আজ নবাবকে ডোবাচ্ছেন, কাল আমাদের পথে বসাবেন না তা কি বিশ্বাস করা যায়?' উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- 'শোনো, একদিন এই দেশটাতেদানবেরা দেয় হানাশকুনেরা মেলে ডানাপুড়ে ছারখার মাঠের শস্য'মানুষের আস্তানা।'"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে কতটুকু যোগসূত্র স্থাপন করেছে?" বিশ্লেষণ করো।
- সুসময়ে অনেকেই বন্ধু বটে হয়অসময়ের-হায় হায় কেউ কারো নয়।উদ্দীপকটি পলাশির যুদ্ধে পরাজিত নবাবের কোন মুহূর্তটিকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
- "সবাই মিলে আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?”- উক্তিটি কে, কেন করেছে?
- 'ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজা সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?'- উক্তিটিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- নতুন বাইকে চেপে রাশেদ একদিন বিকেলে তার মামার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে নির্জন স্থানে লাঠিতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একজন লোক হাত তুলে তাকে থামতে বলে। রাশেদ কাছে গিয়ে বাইক থামালে লোকটি তাকে অনুরোধ করে বলে- "ভাই, আমি একজন পঙ্গু মানুষ, দয়া করে আমাকে সামনের মোড়ে নামিয়ে দিবেন?" রাশেদ তাকে বাইকের পিছনে নিয়ে কিছুদূর যেতেই লোকটি কৌশলে তার হাতের লাঠি ফেলে দেয় এবং তাকে লাঠিটা আনতে অনুরোধ করে। রাশেদ বাইক থেকে নেমে লাঠি আনতে গেলে লোকটি নিমিষেই বাইক নিয়ে উধাও হয়ে যায়।সরল বিশ্বাসের কারণে মানুষ প্রতারণার শিকার হয়- উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ক্ষেত্রে কতটুকু সত্য তা বিশ্লেষণ করো।
- 'ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষেসবই সম্ভব, লুৎফা।'- উক্তিটি কার? -
- 'অর্থাৎ ঘুষ খেয়ে খেয়ে ঘুষ কথাটির অর্থই বদলেগেছে আপনার কাছে'— উক্তিটি কার?
- ইতিহাস পথ নিল কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদের জোয়ার লাগে,পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়'- এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।