মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

অণুজীবের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুর দিকে ফ্যাগোসাইটের গমনকে কি বলে?

A.

নেমোট্যাক্সিস

B.

মেনোট্যাক্সিস

C.

কেমোট্যাক্সিস

D.

ক্লাইনোট্যাক্সিস

Poster Download
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর আচরণট্যাক্সিস (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C.

কেমোট্যাক্সিস

Explanation:

Another Explanation (5):

অণুজীবের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুর দিকে ফ্যাগোসাইটের গমন: কেমোট্যাক্সিস 🚶‍♀️➡️🦠

কেমোট্যাক্সিস (Chemotaxis) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় দেখা যায়। এটি মূলত অণুজীবের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুর দিকে ফ্যাগোসাইটের (Phagocyte) গমনকে নির্দেশ করে।

কেমোট্যাক্সিস কী? 🤔

  • সংজ্ঞা: কেমোট্যাক্সিস হলো কোনো রাসায়নিক সংকেতের (Chemical Signal) প্রতি কোষের দিক-নির্দেশিত চলন।
  • ফ্যাগোসাইট: ফ্যাগোসাইট হলো সেই কোষ যা জীবাণু, মৃত কোষ এবং অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থকে গিলে ফেলে ধ্বংস করে।
  • ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু: যখন কোনো টিস্যু (Tissue) জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়, তখন সেটি কিছু রাসায়নিক পদার্থ নির্গত করে।

কেমোট্যাক্সিসের প্রকারভেদ ➗

কেমোট্যাক্সিস দুই ধরনের হতে পারে:

  1. পজিটিভ কেমোট্যাক্সিস (Positive Chemotaxis): যখন কোষ রাসায়নিক সংকেতের উৎসের দিকে আকৃষ্ট হয়। 💖
  2. নেগেটিভ কেমোট্যাক্সিস (Negative Chemotaxis): যখন কোষ রাসায়নিক সংকেতের উৎস থেকে দূরে সরে যায়। 💔

কেমোট্যাক্সিসের ধাপসমূহ 👣

কেমোট্যাক্সিস একটি জটিল প্রক্রিয়া। নিচে এর প্রধান ধাপগুলো উল্লেখ করা হলো:

  1. রাসায়নিক সংকেত নিঃসরণ: ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু বা অণুজীব রাসায়নিক সংকেত (যেমন: সাইটোকিন, কেমোকিন) নিঃসরণ করে। 🧪
  2. সংকেত গ্রহণ: ফ্যাগোসাইটের রিসেপ্টর (Receptor) এই রাসায়নিক সংকেত গ্রহণ করে। 📡
  3. অভ্যন্তরীণ সংকেত পথ (Intracellular Signaling Pathway) সক্রিয়করণ: রিসেপ্টর সংকেত গ্রহণ করার পর কোষের অভ্যন্তরে কিছু সংকেত পথ সক্রিয় হয়। 🚦
  4. কোষের চলন: সক্রিয় সংকেত পথের কারণে কোষের অ্যাকটিন (Actin) এবং মায়োসিন (Myosin) ফিলামেন্টগুলোর পুনর্বিন্যাস ঘটে এবং কোষটি রাসায়নিক সংকেতের উৎসের দিকে চলতে শুরু করে। 🏃‍♀️
  5. ফ্যাগোসাইটোসিস: ফ্যাগোসাইট ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু বা অণুজীবকে গিলে ফেলে ধ্বংস করে। 😋

কেমোট্যাক্সিসের গুরুত্ব 🌟

কেমোট্যাক্সিসের গুরুত্ব অপরিসীম। এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • রোগ প্রতিরোধ: এটি রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে। 🛡️
  • ক্ষত নিরাময়: ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে। 🩹
  • শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশ: ভ্রূণের বিকাশে কোষের সঠিক স্থানে পৌঁছানো নিশ্চিত করে। 👶

কেমোট্যাক্সিসে জড়িত কিছু রাসায়নিক পদার্থ 🧪

রাসায়নিক পদার্থ উৎস কাজ
কেমোকিন (Chemokines) ক্ষতিগ্রস্ত কোষ, ইমিউন কোষ ফ্যাগোসাইটকে আকৃষ্ট করা
কমপ্লিমেন্ট ফ্যাক্টর (Complement factors) লিভার ফ্যাগোসাইটোসিস বৃদ্ধি এবং প্রদাহ সৃষ্টি
ফর্মাইল পেপটাইড (Formyl peptides) ব্যাকটেরিয়া ফ্যাগোসাইটকে ব্যাকটেরিয়ার দিকে আকৃষ্ট করা

পরিশেষে, বলা যায় কেমোট্যাক্সিস একটি অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া যা আমাদের শরীরকে বিভিন্ন রোগ ও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। 👍

Option A Explanation:
  • নেমোট্যাক্সিস: এটি একটি প্রকারের ট্যাক্সিস যেখানে কোনও অঙ্গ বা শরীরের অংশের আকার বা গঠন পরিবর্তিত হয়। সাধারণত, এই পরিবর্তনটি পরিবেশের উপর ভিত্তি করে ঘটে এবং প্রাণীর চলাচল বা কার্যকলাপে সহ??য়ক হয়।
Option B Explanation:
  • মেনোট্যাক্সিস হল একটি প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া যেখানে প্রাণীটি কোনও উচ্চস্থান বা উপরে ওঠার প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখায়।
  • এটি প্রায়শই প্রাকৃতিক পরিবেশে জীবনধারণের জন্য উপকারী, যেমন শিকার থেকে দূরে থাকা বা আক্রমণের সময় নিরাপদ স্থানে যাওয়া।
  • মেনোট্যাক্???িস সাধারণত প্রাণীর দেহের পজিশন বা দিক পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ পায়, যেমন মাথা উপরে বা নিচে করা।
  • এটি সাধারণত অপ্রত্যক্ষ সংকেত বা শারীরিক প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে, যা পরিবেশের পরিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
Option C Explanation:
  1. কেমোট্যাক্সিস (Chemotaxis): এটি একটি জীবের সঙ্গতিপূর্ণ প্রক্রিয়া যেখানে তারা রাসায়নিক সিগন্যালের প্রতিক্রিয়ায় দিক পরিবর্তন করে পরিবেশে চলাচল করে।
  2. প্রধানত, এটি জীবের রাসায়নিক সূচক বা সংকেতের প্রতি সংবেদনশীলতা নির্দেশ করে, যেমন খাদ্য বা বিপজ্জনক উপাদানের উপস্থিতি।
  3. উদাহরণস্বরূপ, ব্যাকটেরিয়া খাদ্যসূত্রের দিকে বা ক্ষতিকর রাসায়নিকের থেকে দূরে চলে যায় বলে এটি কেমোট্যাক্সিসের প্রমাণ।
  4. এই প্রক্রিয়ায় জীবের শরীরের বিশেষ রিসেপ্টর বা সেন্সর রাসায়নিক সংকেতগুলো শনাক্ত করে এবং তার ভিত্তিতে চলাচলের দিক নির্ধারণ করে।
  5. কেমোট্যাক্সিসের সাহায্যে জীবেরা তাদের পরিবেশে টিকে থাকতে সক্ষম হয় এবং খাদ্য সংগ্রহ বা বিপদ থেকে রক্ষা পায়।
Option D Explanation:
  • ক্লাইনোট্যাক্সিস (Kleino-taxis): এটি একটি প্রাণীর স্বতঃপ্রণোদিত বা স্বাভাবিক চলাচলের প্রক্রিয়া যেখানে প্রাণীটি তার শরীরের নির্দিষ্ট অংশ বা দিক অনুযায়ী চলাচল করে। সাধারণত, এটি কোনও নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা বাহ্যিক প্রেরণার ভিত্তিতে হয় না, বরং স্বতঃপ্রণোদিত।
  • উপস্থিতি: সাধারণত প্রাণীর স্বাভাবিক চলাচল বা আচরণবিধির অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
  • উদাহরণ: কিছু মাছ বা পতঙ্গের চলাচল যেখানে তারা নির্দিষ্ট দিক বা অবস্থানে চলাচল করে।