সৈয়দপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাঁর নিকটাত্মীয় মনির একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। কেউই মনিরকে বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে নিতে পারেনি। মুক্তিযোদ্ধের শেষের দিকে একদিন মনির রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে ধরিয়ে দেয় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে।
'নিকটজনের দ্বারা 'বিপর্যয়ের শিকার রফিক উদ্দিন ও সিরাজউদ্দৌলা।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মন্তু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বেদনাবহ পরিণতি খন্ড চিত্র।"- আলোচনা কর।
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজউদ্দৌলার উপস্থিতিআছে কয়টি দৃশ্যে?
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- 'বিপদ আসন্ন দেখে কাপুরুষেয় মতো হাল ছেড়ে দিও না।' কার সংলাপ?
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত অধ্যায়টি বিশ্লেষণ করো।
- মনা, লোভা, সুমিসহ মোট বারোজন নিজেদের আর্থিক উন্নতির জন্য একটি সমবায় সমিতি গঠন করে। সবাই প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে মনার কাছে জমা রাখে। কি??ুদিন পর মনা সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।উদ্দীপকে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
- ‘আমি জানি হি ইজ অ্যা ডেড হর্স’ -এখানে ‘ডেড হর্স’ বলতে বোঝানো হয়েছে-
- ‘ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড়লজ্জার কথা।'— উমিচাঁদের উক্তিটিতে প্ৰকাশপেয়েছে—
- শাহীন গ্রামে প্রতিবেশীর বাড়িতে চুরি করে ধরা পড়ে। মা-বাবা সম্মান বাঁচাতে ছেলেকে মামাবাড়ি পাঠিয়ে দেয়। সেখানে কিছুদিন থাকার পর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। মামার ঘরের ছোট ছোট দামি জিনিসপত্র হারাতে থাকে। প্রথমত তারা কাজের মেয়েকেই সন্দেহ করে। কিন্তু মেয়ের জন্মদিনের উপহার হারিয়ে গেলে তা পাওয়া যায় শাহীনের ঘরের আলমারির মধ্যে তালাবদ্ধ অবস্থায়। তখন মুখোশ খুলে যায় শাহীনের। মামাবাড়ি থেকে সে বিতাড়িত হয়।'শাহীন কিংবা লর্ড ক্লাইভের মতো মানুষের অভাব সমাজে নেই'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ, পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। তখন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন মোনায়েম খাঁ। বাঙালি হয়েও তিনি স্বদেশ ও স্বজাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। তার সাথে নানা অপতৎপরতায় যুক্ত হয় এ দেশের কিছু দালাল-দোসর। মোনায়েম খাঁ ও তার সহযোগী কুলাঙ্গারদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় হানাদার বাহিনী লাখ লাখ দেশপ্রেমিক বাঙালিকে হত্যা করে।উদ্দীপকের মোনায়েম খাঁ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়। চরিত্রটি কার এবং কেন? ব্যাখ্যা কর।
- গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপচারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষিদের নীলচাষে বাধ্য করা; নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম; নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকান্ডের অংশ প্রজাপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীনমাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীলকরকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তী সময়ে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীনমাধব মৃত্যুবরণ করে।উদ্দীপকের নীলকরদের অত্যাচারের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কে বর্ণিত ইংরেজদের অত্যাচারের তুলনা করো।
- কী থেকে নাটকের উদ্ভব?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশি-বিদেশি চক্রান্তে একদলবিপথগামী সেনাসদস্যের সহায়তায় জাতির জনকবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে ক্ষমতা দখলকরে খন্দকার মোশতাক। উদ্দীপকের খন্দকার মোশতাক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের মিরজাফরের উদ্দেশ্য কোন অর্থে অভিন্ন?
- অন্ধকূপ হত্যার কাহিনি প্রচার করেছিলেন কে?
- মাত্র সতেরো জন্য সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খিলজি বাংলার মসনদ দখল করে নেন। এই সতেরো জন্য সৈন্য যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের অসামান্য সাহস, বিশ্বাস আর শৃঙ্খলার জন্য। 'পক্ষান্তরে লক্ষ্মণসেনের বাহিনী ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় জর্জরিত। লক্ষ্মণসেনের বিশাল বাহিনী তাকে রেখে পালিয়ে গেল। তাই লক্ষ্মণসেনও আত্মগোপনে চলে গেলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।'মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।'- এই উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য।'- কথাটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ও দেশের কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ পাকহানাদার বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে দেশের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি করেছে। তাদের একজন সোবহান মুন্সী। মানবতাবিরোধী অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার সাক্ষী দবির বলেন, এই সোবহান মুন্সীই পাকহানাদার বাহিনীকে তাদের গ্রামে আনে এবং সে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে।উদ্দীপকের সোবহান মুন্সী 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?- ব্যাখ্যা কর।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রনির্ভর নাটক রচনা করেন কে?
- লাল পলাশের ভস্মস্তূপে কিসের জ্বালাস্তব্ধ অধীর বজ্রগর্ভ মেঘের মতো?শিবির-সীমায় মনের ছায়ায় ইতস্ততছড়ায় সে তার কূট-মন্ত্রণা ঘৃণায় ঢালাদুই শতকের সেই একদিন মনে কি পড়ে?মিরজাফরের গুলির শিখায়, সমুদ্ধতনিভল তোমার দিনের সূর্য দিগন্তরেদূর গোধূলীর সেই একদিন মনে পড়েমনে কি পড়ে?উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল চেতনার যে মিল রয়েছে তা যুক্তিসহকারে উপস্থাপন করো।
- “সবাই উচ্চাবিলাষী । সবাই সুযোগ খুঁজছে ৷ ” ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে এ উক্তিটি কার?
- মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতীয় স্বার্থের বদলে নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অনেকেই পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা দেয়। এদের স্বাধীনতাকামী মানুষ ঘৃণা করে। এরা গাদ্দার বলে বিবেচিত হয়।উদ্দীপকের 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে-বিশ্বাসঘাতকতাদেশদ্রোহিতাঅপমানবিকতানিচের কোনটি সঠিক?