পুষ্টির উপর ভিত্তি করে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ জোড় কোনটি?
সঠিক উত্তরঃ
A.
ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া
Explanation:

Another Explanation (5):
পুষ্টির উপর ভিত্তি করে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ জোড় কোনটি?
পুষ্টির প্রকারভেদ অনুযায়ী জীবজগতে বিভিন্ন জীবের মধ্যে সাদৃশ্য বা সমানতা দেখা যায়। এই বিষয়ে, "ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া" এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য ও সাদৃশ্য রয়েছে।
পুষ্টির ধরন অনুযায়ী জীবের শ্রেণীবিভাগ ও সাদৃশ্য
নিম্নলিখিত তালিকায় বিভিন্ন জীবের পুষ্টির ধরন অনুযায়ী শ্রেণীবিভাগ দেখানো হলো:
| জীবের ধরন | পুষ্টির ধরন | উদাহরণ |
|---|---|---|
| ছত্রাক | অস্তিত্বশীল (Heterotrophic) 💧 শোষণ (Absorptive) |
মাশরুম, ছত্রাকের বিভিন্ন প্রজাতি |
| ব্যাকটেরিয়া | অস্তিত্বশীল (Heterotrophic) 💧 শোষণ (Absorptive) |
অ্যামোনিয়া-নির্মাণকারী ব্যাকটেরিয়া, জীবাণু |
| সবজী ও প্রাণী | অস্তিত্বশীল (Heterotrophic) 💧 অর্থোথের্মিক বা হেটেরোথের্মিক |
মানুষ, পশু, উদ্ভিদ (অর্থের জন্য) |
পুষ্টির ধরন অনুযায়ী পার্থক্য ও সাদৃশ্য
- 🌱 ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া উভয়ই অস্তিত্বশীল (Heterotrophic), অর্থাৎ তারা নিজের খাদ্য তৈরি করে না, অন্য জীব বা অবশিষ্ট খাদ্য থেকে শোষণ করে জীবন চালায়।
- 🧫 উভয়ই শোষণের মাধ্যমে পুষ্টি গ্রহণ করে। তারা খাদ্য গ্রহণের জন্য সক্রিয় অংশগ্রহণ করে না, বরং তাদের চারপাশের ভাঙ্গা বা মৃত অবজেক্ট থেকে পুষ্টি শোষণ করে।
- 🌿 তাদের পুষ্টির ধরন বেশ সাদৃশ্যপূর্ণ, যা তাদের পারস্পরিক পার্থক্য কমিয়ে দেয়।
- ⚠️ তবে, তাদের আকার, গঠন, এবং জীববৈচিত্র্য আলাদা হতে পারে।
উপসংহার
অতএব, পুষ্টির উপর ভিত্তি করে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ জোড় হলো "ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া" কারণ তারা উভয়ই শোষণকারী ও অস্তিত্বশীল পদ্ধতিতে পুষ্টি গ্রহণ করে। এই কারণেই তাদের মধ্যে পারস্পরিক সাদৃশ্য অনেক বেশি।
Option A Explanation:
- পুষ্টির ধরন: ছত্রাক এবং ব্যাকটেরিয়া উভয়ই নিঃস্বরণী (saprophytic) বা পরজীবী (parasitic) জীবনযাত্রা সম্পন্ন করে, অর্থাৎ তারা অন্য জৈব পদার্থ থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে।
- অণুজীবের ধরণ: উভয়ই অণুজীব, যার ফলে তাদের পুষ্টি গ্রহণের পদ্ধতি ও ধরণ অনেকটাই সমান।
- উৎপত্তিস্থল ও খাদ্য উৎস: ছত্রাক সাধারণত মৃত বা নষ্ট হয়ে যাওয়া জৈব পদার্থ থেকে পুষ্টি নেয়, আর ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন উৎস থেকে, যেমন মাটি, জল, ও জীবিত দেহে থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে।
- পুষ্টির বৈচিত্র্য: উভয়ই বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি পদ্ধতি অনুসরণ করে, বিশেষ করে নিঃস্বরণী বা অবশোষণ (absorptive nutrition), যেখানে তারা খাদ্য শোষণ করে।
Option B Explanation:
- ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া দুটি জীবাণু, তবে তাদের পুষ্টির প্রক্রিয়া ও জৈবিক বৈশিষ্ট্য ভিন্ন।
- ব্যাকটেরিয়া স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করে এবং বিভিন্ন ধরণের অর্গানিক ও অজৈব উৎস থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে। তারা সাধারণত শ্রেণিবদ্ধ হয়: নিরপেক্ষ, অ্যানারোবিক বা অক্সিজেন-প্রচুর।
- ভাইরাস জীবনযাত্রার জন্য শুধুমাত্র অন্য জীবের কোষে আক্রমণ করে, কারণ তারা নিজস্ব পুষ্টি বা জীবনচক্রের জন্য ATP বা অন্যান্য জৈবিক উপাদানের উৎপাদন করতে পারে না। তাই ভাইরাস নিজে পুষ্টি নিতে পারে না।
- সারাংশ: এই কারণেই ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া পুষ্টির ক্ষেত্রে ভিন্ন, তবে তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন, তারা উভয়ই জীবাণু এবং পুষ্টি গ্রহণের জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করে।
Option C Explanation:
- শৈবাল: শৈবাল হলো এক ধরনের অশ্বসার্জনীয় অঙ্গবিশেষ যা জলজ পরিবেশে পুষ্টি সংগ্রহ করে। এগুলি মূলত অন্ধকূপ ও ফুসফুসের মতো অঙ্গের মাধ্যমে ফটোসিনথেসিসের মাধ্যমে নিজেদের পুষ্টি সংগ্রহ করে।
- ব্যাকটেরিয়া: ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী অণুজীব যা বিভিন্ন পরিবেশে থাকতে পারে। এগুলি বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি শোষণ করে, যেমন অণু বা অণুজীবের জন্য প্রয়োজনীয় জৈব যৌগ উৎপাদন করে।
- পুষ্টির ভিত্তিতে সাদৃশ্য: শৈবাল ও ব্যাকটেরিয়া উভয়ই প্রাকৃতিক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা উভয়ই পুষ্টি সংগ্রহের জন্য আলাদা পথ অনুসরণ করে তবে তাদের মধ্য??? কিছু পুষ্টির উপাদান ও প্রক্রিয়া মিল রয়েছে।
- সারসংক্ষেপ: এই দুই জীবের মধ্যে পুষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহের প্রক্রিয়া ও পরিবেশের উপর নির্ভরশীলতা কিছুটা হলেও সমান হতে পারে, যা তাদের পুষ্টির উপর ভিত্তি করে সাদৃশ্যপূর্ণ করে তোলে।
Option D Explanation:
- শৈবাল: শৈবাল হলো জলজ অঙ্গপ্রদর্শক অণুজীব, যা সাধারণত আলগা কাণ্ড, পাতলা বা কাণ্ডহীন হতে পারে। এটি প্যারামেশিয়াম বা পলিস্কাস্টিক সমষ্টি গঠন করে থাকে এবং সাধারণত সূর্যালোকের মাধ্যমে ফটোসিনথেসিস করে।
- ছত্রাক: ছত্রাক হলো এক ধরনের অণুজীব, যা মূলত মৃত বা মৃতপ্রায় অঙ্গপ্রত্যঙ্গের উপরে জীবন্ত থাকে। এটি নির্জন বা সমষ্টিগত হতে পারে এবং সাধারণত শোষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য সংগ্রহ করে।
- পুষ্টির উপর ভিত্তি করে সাদৃশ্য: শৈবাল ও ছত্রাক উভয়ই বিভিন্ন ধরণের অণুজীব, তবে তাদের পুষ্টির উপায়ে পার্থক্য রয়েছে। শৈবাল ফটোসিনথেসিসের মাধ্যমে নিজের খাদ্য তৈরি করতে পারে (অর্থাৎ, স্ব-পুষ্টি), যেখানে ছত্রাক সাধারণত অন্য জীবের মৃত দেহ বা অপচয় থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে (অর্থাৎ, পরিপাক্য বা পরিপাক্যমুখর পুষ্টি)।