দ্বিতীয় পর্যায়ের মৌল Be এর তড়িৎ ঋণাত্মকতা-
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এখানে Be মৌলের তড়িৎঋণাত্মকতা জানতে চাওয়া হয়েছে। Be এর তড়িৎঋণাত্মকতা 1.5। অপশন বিশ্লেষণ: A. 1: ভুল, এটি কম। B. 1.5: সঠিক, Be এর সঠিক মান। C. 2.5: ভুল, এটি উচ্চতর। D. 3.5: ভুল, এটি অত্যন্ত বেশি। নোট: তড়িৎঋণাত্মকতা পরমাণুর বৈশিষ্ট্যের একটি মৌলিক গুণ যা রাসায়নিক বন্ধন নির্ধারণে সাহায্য করে।
Another Explanation (5):
বেরিলিয়ামের তড়িৎ ঋণাত্মকতা: ১.৫
বেরিলিয়াম (Be) পর্যায় সারণীর দ্বিতীয় পর্যায়ের মৌল। এর তড়িৎ ঋণাত্মকতা ১.৫।
ব্যাখ্যা
তড়িৎ ঋণাত্মকতা হলো কোনো পরমাণুর বন্ধন ইলেকট্রন নিজের দিকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা। বিভিন্ন স্কেলে এর মান পরিমাপ করা হয়। সাধারণত, পলিং স্কেলে বেরিলিয়ামের তড়িৎ ঋণাত্মকতার মান ১.৫ ধরা হয়।
তড়িৎ ঋণাত্মকতা প্রভাবিত করার কারণ:
* পারমাণবিক আকার: বেরিলিয়ামের পারমাণবিক আকার ছোট হওয়ায় এর নিউক্লিয়াসের ইলেকট্রনগুলোর উপর আকর্ষণ ক্ষমতা বেশি। ⚛️
* নিউক্লীয় চার্জ: বেরিলিয়ামের নিউক্লিয়াসে ৪টি প্রোটন থাকায় এর কার্যকর নিউক্লীয় চার্জ বেশি, যা ইলেকট্রনকে আকর্ষণ করে। ➕
* ইলেকট্রন বিন্যাস: বেরিলিয়ামের ইলেকট্রন বিন্যাস \(1s^2 2s^2\)। এর বহিঃস্থ স্তরে দুইটি ইলেকট্রন থাকায় এটি সহজে ইলেকট্রন ত্যাগ করতে চায়, তবে তড়িৎ ঋণাত্মকতার কারণে বন্ধন ইলেকট্রনকে কিছুটা আকর্ষণ করতে পারে। ⚡
পর্যায় সারণীতে অবস্থান
বেরিলিয়াম পর্যায় সারণীর ২য় গ্রুপে অবস্থিত। একই গ্রুপে উপর থেকে নিচে পারমাণবিক আকার বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে তড়িৎ ঋণাত্মকতা সাধারণত কমতে থাকে। 📉
ব্যবহারিক প্রয়োগ
বেরিলিয়াম একটি হালকা ধাতু এবং এর বিভিন্ন ব্যবহার রয়েছে। এর যৌগগুলো বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে।🧪