জসীমউদ্দীনের নাটক–
A. বেদের মেয়ে
B. রাখালী
C. মাটির কান্না
D. বোবা কাহিনী
সঠিক উত্তরঃ
A.
বেদের মেয়ে
Explanation: জসীমউদ্দীনের নাটক বেদের মেয়ে। তাঁর রচিত একমাত্র উপন্যাস বোবা কাহিনী ‘রাখালী’ ও ‘মাটির কান্না’ তাঁর কাব্যগ্রন্হ।
Related Questions (Any University/Year)
- জসীমউদ্দীনের নাটক কোনটি?
- কোন কবির কবিতা ছাত্রাবস্থাই স্কুল পাঠ্যগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়?
- সোহানা অনেক কষ্ট করে তার ছোট ভাইকে পড়াশোনা করিয়েছে। অন্যের বাড়িতে কাজ করে সে অর্থ জোগাড় করেছে। দিনরাত পরিশ্রম করে ভাইকে পড়াশোনার টাকা পাঠাত। এখন তার ছোট ভাই সরকারি চাকরি করে। কিন্তু বোনের খোঁজখবর রাখে না। এতে সোহানার কোনো অভিযোগ নেই বরং সে তার ভাইয়ের সর্বদা ভালো চায়।সোহানা চরিত্রে 'প্রতিদান' কবিতার কোন • দিকটি তাৎপর্যময় হয়ে উঠেছে?
- ' প্রতিদিন ' কবিতায় কবির কোন চেতনা প্রকাশ পেয়েছে?
- 'কাঁটা পেয়ে তারে ফুল করি দান সারাটি জনম-ভর'- ব্যাখ্যা করো।
- যে পথে গিয়েছে তারা কালিদাস, দান্তে ও হোমারঅজেয় রবীন্দ্রনাথ, বেদব্যাস, খৈয়াম, হাফিজ,সুকান্ত-মিল্টন-শেলী অকাতরে ঢেলে মনসিজসেই পথে গেছে সেও। এই শান্তি আমার-তোমার।হে মন, প্রফুল্ল হও। শোনো তার মৃত্যুহীন গানমানুষ সকল সত্য। এই সত্যে আমি অনির্বাণ।উদ্দীপকের ভাবের সঙ্গে 'প্রতিদান' কবিতার সাদৃশ্য দেখাও।
- 'প্রতিদান' কবিতায় কবির কোন চেতনা প্রকাশ পেয়েছে?
- যে প্রত্যয় শব্দের উত্তরে যুক্ত হয় তাকে বলা হয়-
- যা রুপিবে তাই পাবে, সংসার যে কর্মভূমি!উদ্দীপকের অন্তর্নিহিত তাৎপর্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণপঙক্তি কোনটি?
- কবি কেন অনিষ্টকারীর জন্য দীর্ঘ রজনী জেগে থাকেন?
- অনুজের হস্ত ধরিয়া নিকটে বসাইয়া হাসান বলিতে লাগিলেন, ভাই স্থির হও। আমি আমার বিষ দাতাকে চিনি। যাহা হউক ভাই, তাহার নাম আমি কখনোই মুখে আনিব না। তাহার প্রতি আমার রাগ; হিংসা-দ্বেষ কিছুই নাই। ঈশ্বরের নামে শপথ করিয়া বলিতেছি, আমার বিষদাতার মুক্তির জন্য ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা করিব।উদ্দীপকে সঙ্গে 'প্রতিদান' কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে কি? আলোচনা করো।
- স্বর্ণ করে নিজ রূপে অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিতউদ্দীপকের বিষয়বস্তু তোমার পঠিত কোন রচনার সঙ্গেসাদৃশ্যপূর্ণ?
- কোন মনোভাব নিয়ে কারও মঙ্গল করা যায় না?
- 'প্রতিদান' কবিতায় অনিষ্টকারীদের প্রতি, কবির মনোভাব কী?
- কবি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান কোথায় ?
- বীথি ও তনা রুমমেট ও সহকর্মী। এক অফিসে কাজ করলেও বীথি তনাকে প্রায়ই সকলের সামনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অপমান ও তাচ্ছিল্যপূর্ণ আচরণ করে। তনার আড়ালে তার ব্যক্তিত্ব ও পরিবার নিয়ে আজেবাজে কথা ছাড়ায়'। তনা নিজের নম্র আচরণ দিয়ে এবং সকলের কাছে বীথির প্রশংসার মাধ্যমে তাকে শুধরে দেওয়ার চেষ্টা করে। গুটি বসন্তে বীথি অসুস্থ হলে হলে অফিস থেকে। ছুটি নিয়ে দিনরাত সেবার মাধ্যমে স্বজনহীন বীথিকে সুস্থ করে তোলে। বিথী তনার প্রতি নিজের আচরণের কথা ভেবে অনুশোচনায় দগ্ধ হয়।
- জীবনের প্রকৃত সার্থকতা কীসে বলে কবি জসীমউদ্দীন মনে করেন?
- জসীম একটি রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের কাজ হবে। একটি প্লেট ভেঙে ফেলার কারণে মালিক তাকে মারধর করে। রাতে রেস্টুরেন্ট বন্ধ করার সময় ক্যাশ বাক্সের নিচে অনেকগুলো টাকা পড়ে থাকতে দেখে জসীম। তখন দোকানে কেউ ছিল না। জসীম বুঝতে পারে এগুলো মালিকের টাকা। তাই সকালে মালিক রেস্টুরেন্টে এলে জসীম টাকাগুলো তাকে ফেরত দেয়। এতে মালিক তাকে কিছু বকশিশ দেয় এবং মারধর করার জন্য অনুতপ্ত হয়।'রেস্টুরেন্ট মালিকের মানসিক পরিবর্তন যেন কবির ভালোবাসাপূর্ণ পৃথিবী নির্মাণের সহায়ক।'- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- পরার্থে আপন সুখ দিয়ে বিসর্জন,তুমিও হওগো ধন্য তরুর মতন।অনুচ্ছেদ ও 'প্রতিদান' কবিতার অনুসারে মানবজীবন কখন সার্থক হবে।?
- যে মোরে দিয়েছে বিষে-ভরা বাণ'-এর পরের চরণ কোনটি