টিস্যু কোষে অক্সিজেনের জোগান চাহিদার তুলনায় কম হলে তাকে বলে-
সঠিক উত্তরঃ
B.
হাইপক্সিয়া
Explanation:
হাইপক্সিয়া
Option A Explanation:
- অ্যানক্সিয়া (Anoxia): এটি এমন একটি অবস্??া যেখানে টিস্যু বা কোষে অক্সিজেনের সম্পূর্ণ অভাব ঘটে। এর ফলে কোষসমূহ সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না এবং দ্রুত ক্ষতি হতে পারে।
- প্রভাবসমূহ:
- কোষের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায় বা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
- দ্রুত টিস্যু ক্ষয় বা মৃত্যু সৃষ্টি হতে পারে।
- প্রচুর ক্ষেত্রে অ্যানক্সিয়া জীবনঘাতী পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।
- উপসর্গ: শ্বাসকষ্ট, চেতনার পরিবর্তন, অচেতনতা, এবং অঙ্গপ্রতঙ্গের ক্ষতি হতে পারে।
- চিকিৎসা: দ্রুত অক্সিজেন সরবরাহ এবং মূল কারণ নির্ণয় করে এর সমাধান করতে হয়।
Option B Explanation:
হাইপক্সিয়া (Hypoxia) এর ব্যাখ্যা
- অর্থ: হাইপক্সিয়া হলো এমন অবস্থা যেখানে শরীরের বা টিস্যুর মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকে।
- কারণসমূহ:
- বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের কমে যাওয়া
- শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা
- রক্তে অক্সিজেনের অসামঞ্জস্যতা
- প্রভাব: শরীরের টিস্যু এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অক্সিজেনের যোগান কমে গেলে তাদের কার্যকারিতা প্রভাবিত হয়।
- চিহ্ন ও লক্ষণ: চেহারা ধূসর বা নীলচে হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, দ্রুত শ্বাসগ্রহণ, ক্লান্তি ইত্যাদি।
- চিকিৎসা: অক্সিজেন থেরাপি, কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা এবং মূল রোগের চিকিৎসা।
Option C Explanation:
- অ্যাপনিয়া (Aplasia): এটি একটি মেডিকেল অবস্থা যেখানে শরীরের কোনও অঙ্গ বা টিস্যু সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে গঠন বা কার্যক্ষমতা হারায়।
- প্রধানত এটি অঙ্গের বিকাশে ব্যাঘাতের কারণে ঘটে, যেমন হাড়ের মাথার অঙ্গের বিকাশ বা রক্তের উৎপাদন কমে যাওয়া।
- অ্যাপনিয়া বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন হিমোফিলিয়া, অ্যাপ্লাজিয়া ইত্যাদি।
- এটি সাধারণত জন্মগত বা অনুবর্তী কারণের জন্য হয় এবং এর ফলে রোগীর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।
- উপসর্গের মধ্যে অসুস্থতা, দুর্বলতা, এবং অঙ্গের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া অন্তর্ভুক্ত।
Option D Explanation:
- ডিপসনিয়া: ডিপসনিয়া হলো একটি শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত অবস্থা যেখানে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায় বা শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি কমে যায়। এটি সাধারণত শ্বাসনালী বা ফুসফুসের সমস্যার কারণে হয়ে থাকে।
- প্রধান কারণসমূহ:
- ফুসফুসের অসুস্থতা যেমন অ্যাজমা, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (COPD)
- শ্বাসনালীর অবরোধ বা ক্ষতি
- অক্সিজেন সরবরাহের অভাব
- হ্রাসপ্রাপ্ত শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি বা গভীরতা
- লক্ষণসমূহ:
- শ্বাসের কষ্ট বা ঘনঘন শ্বাস নেওয়া
- চোখ ও ত্বকের নীলচে রঙ
- অবসাদ বা দুর্বলতা
- অবসাদ বা দুর্বলতা
- চিকিৎসা: মূলত শ্বাসের সমস্যা নির্ণয় ও সমাধান, অক্সিজেন থেরাপি এবং প্রয়োজনীয় মেডিকেল ইনটারভেনশনের মাধ্যমে এটি মোকাবেলা করা হয়।