মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোন ভাইরাসের আক্রমণের দেহের কোষ ফেটে যায়?

A. HIV
B. TMV
C. SIV
D. Ebola
Poster Download
KUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসের অর্থনৈতিক গুরুত্ব (Topic Practice)KU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. Ebola
Explanation:

Another Explanation (5):

প্রশ্নের উত্তর: কোন ভাইরাসের আক্রমণের কারণে দেহের কোষ ফেটে যায়?

উত্তরঃ Ebola ভাইরাস।

ব্যাখ্যা / বিশ্লেষণ:

Ebola ভাইরাস একটি মারাত্মক রক্তস্রাবজনিত অসুখ, যা সাধারণত আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়। এটি একটি ফ্ল্যাভিভিরিডি পরিবারের ভাইরাস, যা শরীরের কোষের মধ্যে প্রবেশ করে তাদের ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই ভাইরাসের আক্রমণে কোষের ভেতর রক্তক্ষরণ (hemorrhage) ঘটে, এবং কোষের ঝিল্লি ফেটে যায়। এর ফলে, গুরুতর রক্তপাত এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি হয়।

এই ভাইরাসের কারণে কোষের ফাটনের কারণ হলো ভাইরাসের সঙ্গে সংক্রমিত কোষের ভেতরে প্রবেশ করে তা ধ্বংস করার জন্য ভাইরাসের প্রোটিন ও জেনেটিক উপাদান ব্যবহৃত হয়। এর ফলে কোষের ভেতর চাপ বৃদ্ধি পায় এবং শেষ পর্যন্ত কোষের ঝিল্লি ছিঁড়ে যায়।

এই প্রক্রিয়াটি রোগের তীব্রতা বাড়ায় এবং জীবনের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে। তাই, Ebola ভাইরাসের আক্রমণে কোষের ফাটন একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

সংক্ষিপ্ত টেবিল: Ebola ভাইরাসের প্রভাব

প্রভাব বর্ণনা
কোষের ফাটন Viral invasion causes membrane rupture, leading to cell death
রক্তক্ষরণ Hemorrhagic fever resulting from blood vessel damage
অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি Multiple organ failure due to extensive tissue damage

👉 এই কারণেই Ebola ভাইরাসের আক্রমণে দেহের কোষ ফেটে যায়, যা রোগের তীব্রতা ও প্রাণঘাতী প্রভাব বাড়িয়ে দেয়।

Option A Explanation:

HIV (Human Immunodeficiency Virus) সম্পর্কিত তথ্য

  • প্রকার: ভাইরাস
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এটি ইমার্জিং ভাইরাসের মধ্যে অন্যতম, যা মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: মূলত রক্ত, যৌন সংস্পর্শ, ও মা থেকে সন্তানকে।
  • প্রভাব: এটি শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ধ্বংস করে, ফলে অন্যান্য সংক্রমণ ও রোগের জন্য ঝুঁকি বাড়ে।
  • উপসর্গ: সাধারণত প্রথমে উপসর্গ দেখা যায় না, তবে পরে ক্লান্তি, ওজন কমে, জ্বর, ক্ষত ইত্যাদি হতে পারে।
  • উপশম ও প্রতিকার: এই ভাইরাসের জন্য এখনো কোন সম্পূর্ণ নিরাময় নেই, তবে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধ দিয়ে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
Option B Explanation:
  • TMV (Tobacco Mosaic Virus): এটি একটি ক্ষুদ্র ভাইরাস যা টোবাকো গাছের পাতা ও শাখায় মোজাইক ধরণের দাগ সৃষ্টি করে।
  • রাসায়নিক গঠনে: TMV একটি ভাইরাস যা এক ধরনের RNA ধারণ করে, তবে এটি DNA ধারণ করে না।
  • উৎপত্তি ও প্রভাব: এটি প্রথম আবিষ্কৃত ভাইরাসগুলোর মধ্যে একটি এবং উদ্ভিদ রোগের জন্য দায়ী।
  • সংক্রমণের পদ্ধতি: মূলত সংস্পর্শের মাধ্যমে এটি উদ্ভিদে ছড়িয়ে পড়ে।
Option C Explanation:

SIV (Simian Immunodeficiency Virus) এর ব্যাখ্যা:

  • প্রকার: একটি ভাইরাল এন্ট্রোভাইরাস যা মূলত প্রাইমেট বা বানরদের মধ্যে দেখা যায়।
  • প্রভাব: SIV মানুষের মধ্যে মহামারী আকারে দেখা যায় না, তবে এটি HIV এর পূর্বসূরি বলে মনে করা হয়।
  • সংক্রমণ প্রক্রিয়া: ভ??ইরাসটি সংক্রমিত কোষের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে।
  • কোষের উপর প্রভাব: SIV সাধারণত কোষের ফাটিয়ে দেয় না, বরং কোষের মধ্যে প্রবেশ করে এবং সেগুলিকে ধ্বংস করে বা তাদের কার্যক্রম ব্যাহত করে।
Option D Explanation:
  • Ebola: ইবোলা ভাইরাস একটি মারাত্মক রোগের কারণ যা প্রধানত মানবদেহে রক্তপ্রবাহ এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি করে।
  • এটি একটি রেনোভাইরাস পরিবারের ভাইরাস, যা মূলত অরণ্য অঞ্চলের প্রাণীদের মধ্যে থাকতে দেখা যায়।
  • ইবোলা সংক্রমণ সাধারণত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে শরীরের তরল মাধ্যমে, যেমন রক্ত, লালা, ঘাম, বা খাদ্য ও পানীয়ের মাধ্যমে।
  • রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে জ্বর, ক্লান্তি, পেশী ব্যাথা, গলা ব্যাথা, বমি বমি ভাব, ডায়েরিয়া এবং হেমরেজিক ঘটনা অন্তর্ভুক্ত।
  • প্রতিরোধে কোভিড-১৯ এর মত ভাইরাসের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সংক্রমণ রোধে সচেতনতা এবং উপযুক্ত চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ।