During the Non-Cooperation Movement, which award did Mahatma Gandhi return?

অসহযোগ আন্দোলনকালে মহাত্মা গান্ধী কর্তৃক প্রত্যাবর্তিত পুরস্কার
অসহযোগ আন্দোলন (১৯২০-১৯২২) ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই আন্দোলনে মহাত্মা গান্ধী ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে পাওয়া একটি বিশেষ সম্মানসূচক পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। নিচে সেই পুরস্কার এবং এর পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করা হলো:
কাইজার-ই-হিন্দ
মহাত্মা গান্ধী কাইজার-ই-হিন্দ (Kaiser-e-Hind) উপাধিটি ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে পেয়েছিলেন। এটি তাঁকে ১৯১৫ সালে জনসেবার স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয়।
কাইজার-ই-হিন্দ একটি উর্দু শব্দবন্ধ, যার অর্থ হলো "ভারতের সম্রাট"।
গান্ধীজি এই উপাধিটি অসহযোগ আন্দোলনের সময় ব্রিটিশ সরকারের নীতির প্রতিবাদে ত্যাগ করেন। 😠
পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের কারণ
গান্ধীজি কাইজার-ই-হিন্দ উপাধি ত্যাগ করার প্রধান কারণগুলো হলো:
- জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড: ১৯১৯ সালের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ভারতীয়দের মধ্যে গভীর ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
- রাওলাট আইন: এই আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের মৌলিক অধিকার হরণ করে।
- খেলাফত আন্দোলন: এই আন্দোলনের প্রতি ব্রিটিশ সরকারের উদাসীনতা ভারতীয় মুসলিমদের হতাশ করে।
- অসহযোগ আন্দোলনের উদ্দেশ্য: স্বরাজ (নিজস্ব শাসন) প্রতিষ্ঠা করাই ছিল এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য।
ঘটনার সময়কাল
অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়: ১৯২০ সাল 🗓️
গান্ধীজি কাইজার-ই-হিন্দ উপাধি ত্যাগ করেন: ১৯২২ সাল 📅
অসহযোগ আন্দোলনের প্রভাব
অসহযোগ আন্দোলনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব নিচে উল্লেখ করা হলো:
- ব্রিটিশ সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি।
- ভারতীয়দের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি।
- স্বদেশী আন্দোলনের প্রসার।
- জাতীয়তাবাদের উন্মেষ।
সংক্ষিপ্ত তথ্যাবলী
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| পুরস্কারের নাম | কাইজার-ই-হিন্দ 🥇 |
| প্রদানকারী সংস্থা | ব্রিটিশ সরকার 🇬🇧 |
| গ্রহণের সাল | ১৯১৫ 🗓️ |
| ত্যাগের সাল | ১৯২২ 📅 |
| ত্যাগের কারণ | ব্রিটিশ সরকারের দমনমূলক নীতি 😠 |
অসহযোগ আন্দোলন এবং কাইজার-ই-হিন্দ উপাধি ত্যাগ ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। 👍