মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

মৃত সালমোনেলা টাইফি জীবাণু থেকে নিম্নের কোনটি তৈরি করা হয়?

A. জলবসন্ত
B. টাইফয়েড ভ্যাকসিন
C. পোলিও
D. র‍্যাবিস ভ্যাকসিন
Poster Download
Dentalজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবব্যাকটেরিয়া (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. টাইফয়েড ভ্যাকসিন
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

মৃত সালমোনেলা টাইফি থেকে টাইফয়েড ভ্যাকসিন 💉

টাইফয়েড জ্বর একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। এটি সালমোনেলা টাইফি (Salmonella Typhi) নামক ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায়। এই রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষার জন্য টাইফয়েড ভ্যাকসিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

টাইফয়েড ভ্যাকসিন তৈরির প্রক্রিয়া ⚙️

টাইফয়েড ভ্যাকসিন বিভিন্ন উপায়ে তৈরি করা যায়। এর মধ্যে একটি হলো মৃত (killed) সালমোনেলা টাইফি জীবাণু ব্যবহার করা। নিচে প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করা হলো:

  1. জীবাণু কালচার: প্রথমে, সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়াকে ল্যাবরেটরিতে কালচার করা হয়। 🔬
  2. জীবাণু নিষ্ক্রিয়করণ: এরপর, সংগৃহীত ব্যাকটেরিয়াগুলোকে রাসায়নিক বা তাপের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় (kill) করা হয়।🌡️ এই প্রক্রিয়ায় জীবাণুগুলো মারা যায়, কিন্তু এদের অ্যান্টিজেনিক বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ থাকে।
  3. পরিশোধন: মৃত জীবাণুগুলোকে ভালোভাবে পরিশোধন করা হয়, যাতে ভ্যাকসিনে অন্য কোনো ক্ষতিকর উপাদান না থাকে। 🧪
  4. ফর্মুলেশন: সবশেষে, পরিশোধন করা মৃত জীবাণুগুলোকে একটি নির্দিষ্ট ডোজে ভ্যাকসিনের আকারে তৈরি করা হয়। 💊

মৃত জীবাণু ভ্যাকসিনের সুবিধা 👍 এবং অসুবিধা 👎

বৈশিষ্ট্য সুবিধা অসুবিধা
নিরাপত্তা জীবিত ভ্যাকসিনের চেয়ে নিরাপদ, কারণ এতে সংক্রমণের ঝুঁকি নেই। ✅ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।
কার্যকারিতা টাইফয়েড জ্বরের বিরুদ্ধে কার্যকর সুরক্ষা প্রদান করে।🛡️ সুরক্ষার জন্য বুস্টার ডোজের প্রয়োজন হতে পারে। 🗓️
সংরক্ষণ সংরক্ষণ করা সহজ। 🧊 অন্যান্য ভ্যাকসিনের তুলনায় বেশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে (যেমন: জ্বর, ব্যথা)। 🤒

টাইফয়েড ভ্যাকসিনের গুরুত্ব 🌟

  • টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধে সাহায্য করে। 🥇
  • ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। 🌍
  • রোগের বিস্তার কমাতে সাহায্য করে। 📉
  • ব্যক্তিগত ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিতে অবদান রাখে। ❤️

নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে টাইফয়েড জ্বর থেকে নিজেকে ও সমাজকে সুরক্ষিত রাখা যায়।🤝 সুস্থ থাকুন! 😃

```
Option A Explanation:

জলবসন্ত

  • জলবসন্ত একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত শিশুদের মধ্যে দেখা যায়।
  • এটি মূলত ভাইরাসের কারণে হয়, যা ভাইরাস পরিবারের ভ্যাকসিনা ভাইরাস জেনাস থেকে উদ্ভূত।
  • রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে:
    • চুলকানি সহ লাল রঞ্জিত দানা বা ফুসকুড়ি
    • প্রারম্ভিক জ্বর
    • অস্থিরতা ও ক্লান্তি
  • ফুসকুড়িগুলি ধীরে ধীরে ফোড়া বা পুঁড়ি হয়ে যায় এবং পরে কুঁড়ি হিসেবে শুকিয়ে যায়।
  • এটি খুব সহজে ছড়ায় মুখের জল, ফুসকুড়ির ক্ষত বা শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে।
  • প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হয় যা এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
Option B Explanation:
  1. টাইফয়েড ভ্যাকসিন: এটি একটি জীবাণু ভিত্তিক ভ্যাকসিন যা Salmonella Typhi জীবাণুর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়।
  2. প্রচুরসংখ্যক জীবাণু থেকে তৈরি হয় যা শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করে।
  3. ভ্যাকসিনটি Salmonella Typhi জীবাণুর উপাদান বা আংশিক জীবাণু (অ্যাটেনুয়েটেড বা ইনঅ্যাকটিভ) ব্যবহার করে তৈরি হয়।
  4. এটি শরীরে Salmonella Typhi জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, ফলে টাইফয়ে?? রোগের প্রতিরোধ সম্ভব হয়।
  5. ভ্যাকসিনটির মাধ্যমে রোগের সংক্রমণ কমে এবং মহামারি রোধে সহায়ক হয়।
Option C Explanation:
  • পোলিও: পোলিও বা পোলিওমাইলাইটিস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা পোলিওভাইরাস দ্বারা হয়।
  • এটি সাধারণত প্রধানত শিশুদের মধ্যে ঘটে, তবে সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
  • রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জ্বর, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্যারালাইসিস বা অক্ষমতা হয়ে থাকে।
  • বিশেষ করে, পোলিও ভাইরাসের কারণে পেরেক বা পা এর অস্থিরতা বা পক্ষাঘাত দেখা দিতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
  • প্রতিরোধের জন্য মূল উপায় হলো পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা (ইনজেকশন বা ওরাল ভ্যাকসিন)।
  • সাধারণত, সঠিক চিকিৎসা না থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে রোগের প্রভাব স্বাভাবিক হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অক্ষমতা হতে পারে।
Option D Explanation:
  • র‍্যাবিস ভ্যাকসিন: এটি র‍্যাবিস ভাইরাসের বিরুদ্ধে তৈরি করা হয়।
  • র‍্যাবিস ভাইরাসটি মূলত নির্বীজন কুকুর, বিড়াল, গবাদিপশু এবং অন্যান্য প্রাণীদের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
  • ভ্যাকসিনটি ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয় এবং এটি র‍্যাবিস ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
  • প্রথমবারের মতো ১৯২০ দশকে র‍্যাবিসের প্রতিষেধক তৈরি হয়, যা এখন বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হয়।
  • র‍্যাবিস ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা মূলত ভাইরাসের প্রোটিনের অংশের উপর ভিত্তি করে, যা শরীরে অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে।