স্বাধীনতার যুদ্ধে গ্রামের এক বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল
আহত কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা। টাকার লোভে বাড়ির মালিক
তাদের পাকসেনাদের হাতে তুলে দেয়। সেই থেকে সে
বজলু রাজাকার নামে সকলের ঘৃণার পাত্র হয়ে আছে।
বজলু রাজাকার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন
চরিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়?
A.
রায়দুর্লভ
B.
ক্লাইভ
C.
শওকতজঙ্গ
D.
রাইসুল জুহালা
সঠিক উত্তরঃ
A.
রায়দুর্লভ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'ট্রাজেডি' নাটকের অঙ্গ বিভাজন কত প্রকার?
- ইংরেজরা পরাজিত হয়ে কোন জাহাজে আশ্রয় নেয়?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।'-উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- নেপাল ও গোপাল দুই ভাই। জমি নিয়ে বিরোধ তাদের দীর্ঘদিন। অনেক সালিশ-বিচার করেও কেউ তাদের বিরোধ মেটাতে পারেনি। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এখন জমির ভাগ বণ্টন নিয়ে মামলা চলছে আদালতে। ছোটো ভাই নেপাল বড়ো ভাইকে শায়েস্তা করতে আব্দুল নামে এক মুসলমানের কাছে ভিটের জমির এক অংশ বিক্রি করে। আব্দুল সেখানে বাড়ি বানিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। কোরবানির ঈদে সে নেপালের বাড়ির সামনে গোরু কোরবানি দেয়। এই ঘটনায় নেপালের মন ভেঙে যায়। কিছুদিন পর কাউকে কিছু না বলে জমি-জায়গা ফেলে সপরিবার ভারতে চলে যায় সে।উদ্দীপকের 'নেপাল' চরিত্রের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'মিরজাফর' চরিত্রের তুলনা করো।
- কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার কে?
- ধনকুবের উত্তম দেবনাথ তার চাচাতো ভাইয়ের ষড়যন্ত্রে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন। সরল মনের মানুষ উত্তম দেবনাথ তাঁর ভাইকে বিশ্বাস করে ঠকেছেন। তিনি পুলিশের ভয়ে চোরের মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁর স্ত্রী মাধবী ছোটো সন্তান নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঘোরেন। তার স্বামীর যখন এ দুরবস্থা, তখন তার কীসের অহংকার, কীসের কষ্ট।উদ্দীপকের মাধবী ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের লুৎফা কোন দিক দিয়ে অভিন্ন? ব্যাখ্যা করো।বিশ্লেষণ করো।
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- শোনা যায়, তিস্তাপাড়ে এখন আর ফসলি জমি নেই। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জমিতে মেশিন বসিয়ে উত্তোলন করে নিচ্ছে ভূগর্ভস্থ পাথর। এই অঞ্চলে ফসলের তুলনায় পাথরের মূল্য বেশি। দিনে দিনে মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলাকার সচেতন জনগোষ্ঠী দেশের স্বার্থে এতে বাধা দিলে তারা সাময়িকভাবে পাথর উত্তোলন-বদ্ধ রাখে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তিনটি মেশিন বসানোর অনুমতি নিয়ে বাস্তবে তিনশত মেশিন বসিয়ে আবার পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এতে যেমন ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন, তেমনি নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ব্যবসায়ীদের তাতে কিছু যায়-আসে না, অধিক মুনাফা অর্জনই যেন তাদের লক্ষ্য। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো শোনা যাবে, মাটির নিচে তলিয়ে গেছে তিস্তাপাড়ের বিশাল জনপদ।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের অসাধু ব্যবসায়ী আর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজ বেনিয়াদের চরিত্র অভিন্ন"- এই বিষয়ে তোমার অভিমত আলোচনা করো।
- 'নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?' উদ্দীপকের 'তস্কর' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোনটিপ্রতিনিধিত্ব করে?
- পারফেক্ট স্কাউন্ডেল বলা হয়েছে কাকে?
- 'শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়'- ব্যাখ্যা করো।
- ১৯৭১ সালে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ আর লাখো শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পথ চলায় পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী ছাড়াও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল এদেশীয় রাজাকার শ্রেণি। গণহত্যা, লুট, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ নানা ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডে শামিল হয় তারা। কিন্তু এদেশের স্বাধীনতার জয়যাত্রায় কোনোভাবেই তারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এদেশের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এদেশে স্বাধীন হয়েছে।"বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ রাজাকারদের বিরুদ্ধে জেগে উঠলেও সিরাজউদ্দৌলার প্রজারা মীরজাফরদের বিরুদ্ধে জেগে ওঠেনি"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- "ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবীকে রেখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত, এ বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।"উদ্দীপকের ১ম দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটির সাথে।সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- সিংহজানী পরগণার এক প্রতাপশালী জমিদারের নাম সিংহ নারায়ণ রায়। প্রজাবাৎসল্য তার চরিত্রের অন্যতম দিক। প্রজাদের সুখের জন্য তিনি দিঘি খনন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা, খাদ্যাভাব মোকাবিলায় খাদ্য মজুদসহ নানা রকম জনহিতকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তার জমিদারির অন্যতম সদস্য ছিলেন একমাত্র ভগ্নিপতি সমর সমাদ্দর। তিনি তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং বিশ্বাস করতেন। এই বিশ্বাসের সুযোগে সমর সমাদ্দার আত্মস্বার্থ চরিতার্থে ব্যস্ত থাকত। তার কৃতকর্ম অনেকবার ধরা পড়লেও জমিদার ঔদার্যবশত তাকে ক্ষমা করে দিতেন। এক বছর খাজনা পরিশোধের জন্য সমরকে দায়িত্ব দিলে সে সমস্ত অর্থ নিয়ে আত্মগোপন করে। সূর্যাস্ত আইনে জমিদারির পতন ঘটে।উদ্দীপকের সমর সমাদ্দার কীভাবে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফরের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'যত দিন রবে পদ্মা, মেঘনা, গৌরী, যমুনা বহমানততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।'"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আংশিক ভাব ধারণ করে মাত্র।"- মূল্যায়ন করো।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতীয় স্বার্থের বদলে নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অনেকেই পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা দেয়। এদের স্বাধীনতাকামী মানুষ ঘৃণা করে। এরা গাদ্দার বলে বিবেচিত হয়।উদ্দীকের গাদ্দার 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের-
- প্রাচীন গ্রিস প্রজাতন্ত্রী নগররাষ্ট্র ছিল। 'জুলিয়াস সিজার একজন সফল সেনাপ্রধান ছিলেন। কালক্রমে জুলিয়াস সিজার একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। তাঁর এ নীতির সমর্থন দেন তাঁর স্নেহভাজন ব্রুটাস। পরবর্তীতে সিনেটররা রাষ্ট্রের কল্যাণার্থে সিজারকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেন। ব্রুটাস তখন ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে যোগ দেন। নিরস্ত্র সিজারকে সিনেটররা একের পর এক ছুরিকাঘাত করতে থাকে। যখন তাঁর প্রিয় ব্রুটাস তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন তখন সিজার হতবাক হয়ে বলে, Et tu, Brue অর্থ: ও ব্রুটাস তুমিও?'যুগে যুগে কালে কালে ব্রুটাসরা আছেন, থাকবেন'- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি যাচাই করো।
- সিংহজানী পরগণার এক প্রতাপশালী জমিদারের নাম সিংহ নারায়ণ রায়। প্রজাবাৎসল্য তার চরিত্রের অন্যতম দিক। প্রজাদের সুখের জন্য তিনি দিঘি খনন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা, খাদ্যাভাব মোকাবিলায় খাদ্য মজুদসহ নানা রকম জনহিতকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তার জমিদারির অন্যতম সদস্য ছিলেন একমাত্র ভগ্নিপতি সমর সমাদ্দর। তিনি তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং বিশ্বাস করতেন। এই বিশ্বাসের সুযোগে সমর সমাদ্দার আত্মস্বার্থ চরিতার্থে ব্যস্ত থাকত। তার কৃতকর্ম অনেকবার ধরা পড়লেও জমিদার ঔদার্যবশত তাকে ক্ষমা করে দিতেন। এক বছর খাজনা পরিশোধের জন্য সমরকে দায়িত্ব দিলে সে সমস্ত অর্থ নিয়ে আত্মগোপন করে। সূর্যাস্ত আইনে জমিদারির পতন ঘটে।'উদ্দীপকের প্রজাবৎসল সিংহ নারায়ণ রায় যে কারণে জমিদারি হারিয়েছেন একই কারণে'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে বাংলার স্বাধীনতা-সূর্য অস্ত যায়।'- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে উক্তিটি যাচাই করো।
- " এখন থেকে কারও শান্তিতে আর কোনো রকম বিঘ্ন ঘটবে না।"- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে যিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত কর???ছেন -
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম যথার্থভাবে ভেবেছিলেন এবং বুঝেছিলেন সকল দুঃশাসক ও শোষকের জুলুম নিপীড়ন থেকে উদ্ধার পাবার শ্রেষ্ঠ অবলম্বন হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্র। এ শিক্ষা তিনি ইতিহাস থেকে লাভ করেছিলেন। তাই তিনি আমাদের এই উপমহাদেশের মুক্তির জন্য যুদ্ধকেই প্রধান মাধ্যম হিসেবে গণ্য করেছিলেন। তার কবিতায় এ চেতনা লক্ষ করা যায়।উদ্দীপকের কবি নজরুলের চেতনার সাথে নবাব সিরাজের চেতনার সাদৃশ্য নিরূপণ কর।