UNESCO কোন সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতি দেয়?
CUUnit-DSet-2সাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকবিভিন্ন সংস্থাবিভিন্ন সংস্থা (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
১৯৯৯ সালে
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
UNESCO কর্তৃক ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি
UNESCO ১৯৯৯ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য রক্ষায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। 🥳
স্বীকৃতির পটভূমি
- ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য: ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগ আন্তর্জাতিক মহলে recognition পায়। ✊
- জাতিসংঘের ভূমিকা: জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (UNESCO) এই প্রস্তাবকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে।
- বিভিন্ন দেশের সমর্থন: বিভিন্ন দেশ এই প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানায়। 👍
স্বীকৃতির ঘোষণা
UNESCO র সাধারণ সম্মেলন প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ২৯তম অধিবেশনে এই ঘোষণা করা হয়। 📝
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য
- ভাষার অধিকার রক্ষা: এই দিবসটি বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষের অধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। 🗣️
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ: নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার অনুপ্রেরণা যোগায়। 💃
- বহুভাষিক শিক্ষার প্রসার: বহুভাষিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। 📚
- আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি: বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করে।🤝
সময়কাল
| বছর | ঘটনা |
|---|---|
| ১৯৫২ | ভাষা আন্দোলন |
| ১৯৯৯ | UNESCO কর্তৃক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি |
| ২০০০ | প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন 🎉 |
দিবসটির প্রভাব
এই স্বীকৃতির ফলে বিভিন্ন দেশে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংস্থা এই দিনে আলোচনা সভা, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। 🎤
ভবিষ্যৎ
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের মাধ্যমে পৃথিবীর সকল ভাষা ও সংস্কৃতিকে সম্মান জানানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। 💖🌍
আসুন, আমরা সবাই মিলে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করি এবং বিশ্বজুড়ে ভাষাগত বৈচিত্র্য উদযাপনে অংশ নেই। 🥳✨
```