মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোনটি ক্ষয়কারী ও বিষাক্ত যৌগ?

A. ইথানল
B. পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
C. মিথানল
D. আর্সেনিক অক্সাইড
Poster Download
JUUnit-DSet-7রসায়ন প্রথম পত্রল্যাবরেটরির নিরাপদ ব্যবহারল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতিকে তাপ দেয়ার কৌশল (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. আর্সেনিক অক্সাইড
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: বিষাক্ত যৌগ সনাক্ত করতে বলা হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. ইথানল: ভুল, এটি সাধারণত ক্ষতিকর নয়। B. পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড: ভুল, এটি ক্ষয়কারী হলেও প্রধানত বিষাক্ত নয়। C. মিথানল: ভুল, এটি বিষাক্ত তবে প্রশ্নের সেরা উত্তর নয়। D. আর্সেনিক অক্সাইড: সঠিক, এটি একটি বিষাক্ত যৌগ। নোট: আর্সেনিক অক্সাইড অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থ।
Another Explanation (5):

আর্সেনিক অক্সাইড: একটি ক্ষয়কারী ও বিষাক্ত যৌগ ☠️

আর্সেনিক অক্সাইড (Arsenic oxide) একটি অত্যন্ত ক্ষতিকর রাসায়নিক যৌগ। এটি বিভিন্ন রূপে বিদ্যমান, তবে আর্সেনিক ট্রাইঅক্সাইড (Arsenic trioxide - As2O3) সবচেয়ে পরিচিত এবং এটিই মূলত ক্ষয়কারী ও বিষাক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

আর্সেনিক অক্সাইডের ক্ষতিকর দিকসমূহ:

  • ক্ষয়কারী ক্ষমতা: আর্সেনিক অক্সাইড ত্বক, চোখ ও শ্বাসতন্ত্রের সংস্পর্শে আসলে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। এটি প্রোটিন এবং অন্যান্য জৈব অণুগুলোর সাথে বিক্রিয়া করে তাদের গঠন পরিবর্তন করে ফেলে। 🔥
  • বিষাক্ততা: এটি একটি মারাত্মক বিষ। অল্প পরিমাণে গ্রহণ করলেও বমি, ডায়রিয়া, পেট ব্যথা, দুর্বলতা এবং এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। 💀
  • পরিবেশগত প্রভাব: আর্সেনিক অক্সাইড মাটি ও পানিতে মিশে পরিবেশ দূষণ করে এবং খাদ্য শৃঙ্খলের মাধ্যমে জীবদেহে প্রবেশ করে। 🌍
  • দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি: দীর্ঘকাল ধরে আর্সেনিকের সংস্পর্শে থাকলে ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্নায়ুরোগ এবং অন্যান্য গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। 🤕

আর্সেনিক অক্সাইডের ব্যবহার (সীমিত ও নিয়ন্ত্রিত):

আর্সেনিক অক্সাইড অত্যন্ত বিষাক্ত হওয়া সত্ত্বেও কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে এর সীমিত ব্যবহার রয়েছে:

  1. চিকিৎসা ক্ষেত্রে: কিছু নির্দিষ্ট ধরনের লিউকেমিয়ার (Leukemia) চিকিৎসায় এটি ব্যবহার করা হয়। তবে, এটি শুধুমাত্র প্রশিক্ষিত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে এবং কঠোর নিয়ম মেনে ব্যবহার করা হয়। 👨‍⚕️
  2. কীটনাশক ও কাঠ সংরক্ষণে: পূর্বে কীটনাশক হিসেবে এবং কাঠ সংরক্ষণে এর ব্যবহার ছিল, তবে বর্তমানে এর ব্যবহার অনেক কমে গেছে এবং এর বিকল্প খোঁজা হচ্ছে। 🪲
  3. গ্লাস শিল্পে: কাঁচের উৎপাদনে সামান্য পরিমাণে আর্সেনিক অক্সাইড ব্যবহার করা হয় কাঁচের উজ্জ্বলতা বাড়াতে। 🧪

আর্সেনিক অক্সাইডের বিষক্রিয়ার লক্ষণ:

লক্ষণ গুরুত্ব
তীব্র বমি ও ডায়রিয়া উচ্চ
পেটে তীব্র ব্যথা উচ্চ
দুর্বলতা ও মাংসপেশীর খিঁচুনি মাঝারি
ত্বকে জ্বালাপোড়া ও ফুসকুড়ি মাঝারি
মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা নিম্ন

সাবধানতা:

  • আর্সেনিক অক্সাইড থেকে সবসময় দূরে থাকুন। ⚠️
  • এটি ব্যবহারের সময় অবশ্যই নিরাপত্তা সরঞ্জাম (যেমন: মাস্ক, গ্লাভস) ব্যবহার করুন। 🧤
  • আর্সেনিক দূষণমুক্ত পানি পান করুন। 💧
  • আর্সেনিকযুক্ত এলাকা থেকে খাদ্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন। 🚫

আর্সেনিক অক্সাইড একটি মারাত্মক ক্ষতিকর যৌগ। এর সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান এবং সতর্কতা অবলম্বন করাই নিরাপদ থাকার উপায়। 🙏