‘চাষার দুক্ষু’ গল্পে চাষীর উদরে অন্ন নেই কেন?
A. অবহেলায়
B. শোষণের ফলে
C. অলসতায়
D. বঞ্চনা
সঠিক উত্তরঃ
C.
অলসতায়
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- নয়নপুর গ্রামের ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকরা পূর্বে একবেলামাঠে কাজ করত, একবেলা রিকশা চালাত। এখন তারাএক বেলা অটোকিশা চালায়, আরেক বেলা চায়েরদোকানে আড্ডা দেয়। তাদের বাহ্যিক আচরণ দেখেউন্নত মনে হলেও গ্রামের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থাপূর্বের মতোই শোচনীয় রয়ে গেছে। গ্রাম্য মাতব্বরজব্বার মিয়া বিষয়টি সবাইকে বুঝালেন। উদ্দীপকের জব্বার মিয়া 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- “যেথা পাই ______ বর্ণনার বাণী” - ‘ঐকতান’ কবিতার এ পংক্তিতে শূন্যস্থানে কী হবে?
- ‘একসময় এ দেশের গ্রামগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ ছিল'—উক্তিটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন রচনাকে নির্দেশকরে?
- ‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসের লেখক কে?
- কোন কবিতায় মানব মুক্তির উদাত্ত বাণী ধ্বনিত হয়েছে?
- কোরাণ-পুরাণ-বেদ-দেবান্ত-বাইবেল ত্রিপিটক-জেন্দাবেস্তা-গ্রন্থ-সাহেব পড়ে যাও যত সখ,-'এ লাইনে ব্যবহৃত 'জেন্দাবাস্তা' শব্দের 'জেন্দা' কী?
- সাম্যবাদী কবিতায় উল্লেখ্যকৃত 'শাক্যমনি' হলেন-
- স্কুলশিক্ষক আবির জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে নিজেকে যেমনসমৃদ্ধ করেছেন, তেমনি আলোকিত করেছেন শিক্ষার্থীদের।উদ্দীপকের আবিরের জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে নিজেকেসমৃদ্ধ করার সাথে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোনবিষয়ের মিল রয়েছে?
- ‘জুলেখার মন’ কাব্যগ্রন্হটির রচয়িতা কে?
- জগৎ জুড়িয়া আছে এক জাতিসে জাতির নাম মানুষ জাতি।উদ্দীপকের সাথে ‘সাম্যবাদী' কবিতার সাদৃশ্য কোথায়?
- কবর কবিতায় কোন রস প্রাধান্য পেয়েছে?
- ‘প্রকৃতির যে ধর্ম, মানুষের সে ধর্ম' 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের উক্তিটির অর্থ-
- ‘এইখানে এসে লুটাইয়া পড়ে সকল_____।’ - 'সাম্যবাদী' কবিতার এই চরণের শূন্যস্থানে কোনটি রয়েছে?
- ’চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে ‘তদ্দেশবাসিনী’ কে?
- 'বখতিয়ারের ঘোড়া' কাব্যগ্রন্থের লেখক কে?
- "ব্যোমযান, কামান, পদাতিযে রাষ্ট্রের অঙ্গ নয়, ন্যায়, ক্ষমা, মিতালী মনীষাযার মুখ্য অবলম্বন, জিজীবিষাসামান্য লক্ষণ।""উদ্দীপক ও কবির প্রত্যাশা বর্তমানে শান্তিপ্রিয় পৃথিবীবাসীর জন্য এক চিরায়ত প্রার্থনা সংগীত"- যুক্তিসহকারে বুঝিয়ে দাও।
- ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্যের লেখক কে?
- 'চমকে উঠে উভয়েই তাকালাম ওর দিকে।' বাক্যটির রচয়িতা
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।উদ্দীপকটির সাথে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের বিষয়গত অনৈক্য রয়েছে। আলোচনা কর।
- ধন-রত্ন সুখৈশ্বর্য কিছুতেই সুখ নাই,সুখ পর-উপকারে, তারি মাঝে খোঁজ ভাই।'আমিত্ব'কে বলি দিয়া স্বার্থ ত্যাগ কর যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি।নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি।'পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি'- এ উক্তিতে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূলভাব প্রতিফলিত হয়েছে- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।