'আঠারো বছর বয়স' পথে-প্রান্তরে বহু কী ছোটায়?
A.
ঝড়
B.
তুফান
C.
দীর্ঘশ্বাস
D.
জয়ধ্বনি
সঠিক উত্তরঃ
B.
তুফান
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- নিচের কোনটিতে আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচকদিকের প্রতিফলন ঘটেছে?
- আঠার বছর বয়স কীসে বাঁচে?
- ’আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় পদাঘাতে কী ভাঙতে চাওয়া হয়েছে?
- " আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা" -কারণ এই বয়সে মানুষ
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'- ব্যাখ্যা করো।
- আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর কেন?
- আঠারো বছর বয়স' কবিতায় এ বয়স বাঁচে কীভাবে?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাক-হানাদার বাহিনী নির্বিচারে অগণিত বাঙালিকে হত্যা করে। দেশে এমন অরাজকতা দেখে তরুণ যুবক রফিক আর চুপ থাকতে পারে না। অপরিসীম সাহস নিয়ে সে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশ ও দশের কল্যাণে সে নিজেকে উৎসর্গ করে।"আত্মত্যাগ ও মানব কল্যাণ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে উক্তিটির তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।
- পাড়ার সকলের প্রিয় পল্টু। অদ্ভুত তার চরিত্র। এখনই কারো গাছের ফল চুরি করে খেলো, তো পরক্ষণেই শীতার্তকে নিজের গায়ের জামা খুলে দিয়ে দিলো। কখনো গৃহস্থের গরুর গলার রশি খুলে দিয়ে মজা করছে, কখনো মহিলাদের আড্ডায় রাবারের সাপ ছেড়ে দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, কখনো পথচারীর গায়ে সাইকেল তুলে দিয়ে খিলখিল করে হাসছে। সেই পল্টই আবার প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলা করা ডাকাত দলকে একাই রুখে দিতে লড়াই করছে। কারো বাচ্চাটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, কারো অসুস্থ আত্মীয়কে হাসপাতালে নিতে হবে, কোনো কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার বিয়ের সব ব্যবস্থাপনা করে দিতে হবে, কারো অন্ন-বস্ত্রের সংস্থান করতে হবে—এ সবে পল্টুই সর্বাগ্রে ।'তবু আঠারোর শুনেছি জয় ধ্বনি'-পঙক্তিটির আলোকে উদ্দীপকটিকে মূল্যায়ন করো।
- দেশ ও জাতির কল্যাণে তারুণ্যশক্তি এগিয়ে যায় কেন?
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পিতার নাম কী?
- 'এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- 'একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রং' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- 'রক্তদানের পুণ্য' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- তরুণ নামের জয়-মুকুট শুধু তাহারই, যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা,মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
- জুলে-পুড়ে মরে ছারখার তুব মাথা নোয়াবার নয়'। কবিতাংশটি -
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- মাদক গ্রহণের অপরাধ মাথায় নিয়ে পুলিশ ভ্যানে উঠে বসল সাজিদ। মা-বাবা, পাড়া- প্রতিবেশী কেউ কল্পনা করতে পারেনি এমন দৃশ্য তাদের দেখতে হবে। শুধু ভালো ছাত্র হিসেবে নয়, তার মতো সাহসী, প্রতিবাদী, পরোপকারী সর্বগুণের অধিকারী একটি ছেলেও খুঁজে পাবে না কেউ। বয়স্করা বলতেন, 'আহা' এমন সোনার টুকরা যদি সবার ঘরে জন্মাত।" কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাজিদের মা বলেন, 'কিছুদিন ধরে অচেনা একটা ছেলে ওর সাথে দেখা করতে আসত। ভাবতে পারিনি এত বড় সর্বনাশ হবে আমার ছেলের।''এ বয়সে কানে আসে কত যন্ত্রণা'- উক্তিটি সাজিদের ক্ষেত্রে কীভাবে প্রযোজ্য? বুঝিয়ে দাও।
- গ্রামের রাস্তা হচ্ছে। কিন্তু মতিব্বর শ্রেণি ঠিকাদারদের সাথে আঁতাত করে নিম্নমানের রাস্তা করছে। গ্রামের যুবকেরা এটি বুঝতে পেরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ল। তারা একত্রিত হয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলো। শেষ পর্যন্ত ঠিকাদারেরা ঠিকমতো কাজ করতে বাধ্য হলো।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় যুবকদের সাথে উদ্দীপকের যুবকদের তুলনা করো।