কোনটি অপ্রতিসম প্রাণী?
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসপ্রাণীবৈচিত্র্য ও প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস (Topic Practice)
সঠিক উত্তরঃ
D.
অ্যামিবা
Explanation:

Another Explanation (5):
অপ্রতিসম প্রাণী: একটি বিশ্লেষণ
প্রাণীর গঠন বা শারীরিক গঠন অনুযায়ী, কিছু প্রাণী অপ্রতিসম বা অসমমিত। অর্থাৎ, এই প্রাণীর দেহের কোন নির্দিষ্ট দিক বা অংশ অন্য অংশের সাথে সমতল বা সমান নয়।
অপ্রতিসম প্রাণীর উদাহরণ:
- অ্যামিবা 🧫
- অরগানিজম 🧬
- মোড়কপ্রাণী 🐌
অপ্রতিসম প্রাণীর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
| বিশেষতা | বর্ণনা |
|---|---|
| শারীরিক গঠন | অপ্রতিসম প্রাণীর দেহের কোন নির্দিষ্ট বা সমতল অংশ নেই। |
| উদাহরণ | অ্যামিবা, গোলকাকৃতি প্রাণী ইত্যাদি। |
| উৎপত্তি | প্রাকৃতিকভাবে এই ধরনের গঠন বৈচিত্র্যপূর্ণ। |
সাধারণতঃ
অপ্রতিসম প্রাণী যেমন অ্যামিবা, তাদের দেহের গঠন সরল হলেও অপ্রতিসম। তারা দেহের কোন নির্দিষ্ট দিক বা অঙ্গের সমতলতা বা সমানতা অনুভব করে না।
অতএব, প্রশ্নের উত্তরে বলা হয় যে, অ্যামিবা একটি অপ্রতিসম প্রাণী। 👍
Option A Explanation:
- ইলিশ: ইলিশ হচ্ছে একটি জনপ্রিয় মাছ যা মূলত মিঠা ও সামুদ্রিক পানিতে পাওয়া যায়। তবে, বিশেষ করে বাংলাদেশের নদী ও খালবিলের মিঠা পানিতে ইলিশের প্রজনন ও বাসস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মাছটি দেশের নদী-পানির পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল এবং এর প্রজনন স্থানগুলো প্রাকৃতিকভাবে সংরক্ষিত থাকায় এটি মিঠা পানির এন্ডেমিক হিসেবে বিবেচিত।
Option B Explanation:
- তারামাছ একটি অপ্রতিসম প্রাণী, কারণ এর শরীরের গঠন দেহের একপাশে অন্যপাশের তুলনায় ভিন্ন।
- অপ্রতিসমতা মানে শরীরের একপাশ অন্যপাশের তুলনায় সমান নয় বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
- তারামাছের শরীরের দিক ও আকারের বৈচিত্র্য দেখা যায়, যা এটিকে অপ্রতিসম প্রাণী করে তোলে।
Option C Explanation:
হাইড্রা
- প্রাণী: হাইড্রা (Hydra)
- ত্রিস্তরী গঠন: হাইড্রা ত্রিস্তরী প্রাণী, অর্থাৎ এর শরীরে তিনটি স্তর থাকে।
- স্তরসমূহ:
- একটি বাহ্যিক স্তর (Ectoderm)
- মাঝের স্তর (Mesoderm)
- অভ্যন্তরীণ স্তর (Endoderm)
- অর্থ: এই ত্রিস্তরী গঠন তাকে জটিল ও কার্যক্ষম করে তোলে, যেমন চলাচল ও খাদ্য গ্রহণে সুবিধা করে।
- উপকারিতা: সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায় এবং ছোট জলজ প্রাণী হিসেবে পরিচিত।
Option D Explanation:
অ্যামিবা সম্পর্কে বিস্তারিত
- প্রজাতি: অ্যামিবা (Amoeba)
- ত্রিস্তরী: হ্যাঁ, অ্যামিবা ত্রিস্তরী (প্রথম, মধ্যম, এবং বাহ্যিক স্তর) প্রাণী হিসেবে বিবেচিত
- অবস্থান: সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়
- প্রজনন: সাধারণত অঙ্গপ্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে বিভাজন (সেল ডিভিশন)
- উপাদান: একক কোষবিশিষ্ট এবং বিভিন্ন ধরনের জীবজনিত কার্য সম্পাদন করতে সক্ষম
- নির্মাণ: সহজতর অঙ্গপ্রতিও নেই, তবে কোষের ভিতরে বিভিন্ন অংশ থাকে যেমন নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম ইত্যাদি