‘শোনো একটি মুজিবুরের থেকে লক্ষ মুজিবুরের কণ্ঠ’- এই গানের গীতিকার কে?
A. অংশুমান রায়
B. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
C. গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
D. নজরুল ইসলাম বাবু
সঠিক উত্তরঃ
C.
গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ‘শোনো একটি মুজিবুরের থেকে লক্ষ মুজিবুরের কণ্ঠ’ গানটি গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের লেখা। এটি একটি মহৎ সৃজনশীল সৃষ্টি যা সত্তার মধ্যে অসীম শক্তির উদ্যাপন করে। অপশন বিশ্লেষণ: A. অংশুমান রায়: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান: ভুল, এটি সঠিক নয়। C. গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার: সঠিক, এটি গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের লেখা। D. নজরুল ইসলাম বাবু: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: এই গানের গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, যিনি তার সৃজনশীলতা দিয়ে গানের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করেছেন।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামে??কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- ‘আমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো করিয়া গড়িয়া লইব’- এর লেখকঃ
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত জীবনীকাব্য?
- ‘অন্তরে যাদের এত গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে?’ - কার রচনার অংশ?
- “যে রাষ্ট্র হাতপাতা আর চাটুকারিতাকে দেয় প্রশ্রয়, সে রাষ্ট্র কিছুতেই আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারেনা।”- উক্তিটি কার?
- বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে মিথ্যাকে মৃত্যুক আকড়িয়া পড়িয়া থাকে। উক্তিটি যে প্রবন্ধের অংশ তার লেখক
- ’খোদা হাত দিয়াছেন বেহেশত ও বেহেশতি চিজ অর্জন করিবার জন্য,’কার কথা?
- যৌবনের গান’ কে লিখেছেন?
- নজরুলের মতে, ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে_____পাওয়া যায়।
- আমার পথ' প্রবন্ধে কী আমাদের মিচির করে ফেললো?
- ‘আমি কমবক্তার দলে’ কার উক্তি?
- আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক নিজেকে কী হিসেবে অভিহিত করেছে?
- যৌবনর গান কী ধরনের সাহিত্য কর্ম ?
- কবি নজরুল ইসলাম সত্যকে সালাম-নমস্কার জানাচ্ছেন কারণ সত্য কবিকে - i. সঠিক পথ দেখাবে ii. মাথা উঁচু করে রাখবেiii. অহংকারী করবেনিচের কোনটি সঠিক?
- যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান। উদ্ধৃতি টি কার?
- 'আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে'-উক্তিটিতে 'দৃষ্টিভঙ্গি' শব্দটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যকে কিসের মধ্যে পাওয়া যায়?
- 'যার ভিতরে _______, সেই বাইরে ভয় পায়।' শূন্যস্থানে বসবে -
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: যার ভিত্তি পচে গেছে, তাকে একদম উপড়ে ফেলে নতুন করে ভিত্তি না গাঁথলে তার উপর ইমারত যতবার খাড়া করা যাবে, ততবারই তা পড়ে যাবে। দেশের যারা শত্রু, দেশের যা-কিছু মিথ্যা, ভণ্ডামি, মেকি তা সব দূর করতে প্রয়োজন হবে আগুনের সম্মার্জনা! আমার এমন গুরু নেই, যার খাতিরে সে আগুন-সত্যকে অস্বীকার করে কারুর মিথ্যা বা ভণ্ডামিকে প্রশ্রয় দেবে। আমি সে-দাসত্ব হতে সম্পূর্ণ মুক্ত। আমি কোনো দিনই কারুর বাণীকে বেদবাক্য বলে মেনে নেব না, যদি তার সত্যতা প্রাণে তার সাড়া না দেয়। না বুঝে বোঝার ভণ্ডামি করে পাঁচ জনের শ্রদ্ধা আর প্রশংসা পাবার লোভ আমি কোনো দিনই করব না। (ক) উপরের অংশটুকু কার লেখা? কোন রচনার অংশবিশেষ? (খ) 'আগুনের সম্মার্জনা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? (গ) ইমারত পড়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে কেন? (ঘ) লেখক কোন দাসত্বের কথা বলেছেন? (ঙ) এখানে ভণ্ডামি বলতে কী বোঝানো হয়েছে?