Platyhelminthes পর্বের প্রাণীরা কোন ধরণের?
JUUnit-DSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসপ্রাণীবৈচিত্র্য ও প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
অ্যাসিলোমেট
Explanation: Platyhelminthes পর্বের প্রাণীরা অ্যাসিলোমেট অর্থাৎ এদের দেহে প্??কৃত দেহগহ্বর থাকে না। ইউসিলোমেট, স্যুডোসিলোমেট এবং সুপারসিলোমেট এই ধরনের প্রাণীদের অন্তর্ভুক্ত নয়। সঠিক উত্তর Option A।
Another Explanation (5):
Platyhelminthes পর্বের প্রাণীদের অ্যাসিলোমেট হওয়ার ব্যাখ্যা
Platyhelminthes পর্বের প্রাণীরা অ্যাসিলোমেট। এর মানে হল তাদের দেহে কোনো প্রকৃত দেহ গহ্বর (body cavity) থাকে না। নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হল:অ্যাসিলোমেট কী? 🤔
অ্যাসিলোমেট (Acoelomate) হলো সেইসব প্রাণী যাদের মেসোডার্ম (mesoderm) নামক ভ্রূণীয় স্তর থেকে সৃষ্ট কোনো দেহ গহ্বর থাকে না। দেহ গহ্বর হলো তরলপূর্ণ স্থান যা দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে ধারণ করে এবং কুশন হিসেবে কাজ করে। অ্যাসিলোমেট প্রাণীদের ক্ষেত্রে, মেসোডার্ম পParenthesesিমা দিয়ে পূর্ণ থাকে, যার ফলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সরাসরি দেহের প্রাচীরের সাথে লেগে থাকে।Platyhelminthes কেন অ্যাসিলোমেট? 🧐
Platyhelminthes বা চ্যাপ্টা কৃমিদের দেহে মেসোডার্মাল কোষ দিয়ে পূর্ণ প্যারেনকাইমা (parenchyma) নামক টিস্যু থাকে। এই প্যারেনকাইমা অঙ্গগুলোর মধ্যে স্থান পূরণ করে এবং তাদের সাপোর্ট দেয়। কোনো তরলপূর্ণ গহ্বর না থাকায় এদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো ভালোভাবে সুরক্ষিত থাকে এবং সহজে স্থানচ্যুত হয় না।বৈশিষ্ট্যসমূহ 📝
* দেহ গহ্বর অনুপস্থিত: এদের দেহে কোনো সিলোম (coelom) বা দেহ গহ্বর নেই। 🚫 * প্যারেনকাইমা: মেসোডার্ম থেকে উৎপন্ন প্যারেনকাইমা নামক টিস্যু দ্বারা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পরিবেষ্টিত থাকে। 🧱 * সরল গঠন: তুলনামূলকভাবে সরল শারীরিক গঠন বিদ্যমান। 🧽 * ভাস্কুলার সিস্টেমের অভাব: এদের কোনো সংবহনতন্ত্র (circulatory system) নেই। ❤️🩹 * তন্ত্র: খাদ্য পরিপাক এবং রেচনতন্ত্র উপস্থিত। 🍎Platyhelminthes পর্বের প্রাণীদের উদাহরণ 🐠
| বৈজ্ঞানিক নাম | সাধারণ নাম | বাসস্থান | বৈশিষ্ট্য | | ------------------- | ------------- | ------------- | ----------------------------------------- | | *Dugesia* | প্ল্যানারিয়া | মিঠা পানি | পুনরুৎপাদনে সক্ষম | | *Schistosoma* | রক্ত কৃমি | মেরুদণ্ডী প্রাণী | পরজীবী, রোগ সৃষ্টিকারী | | *Taenia solium* | ফিতা কৃমি | শূকর ও মানুষ | পরজীবী, খাদ্যনালী ও অন্ত্রে বাস করে | | *Fasciola hepatica* | যকৃত কৃমি | ভেড়া ও অন্যান্য তৃণভোজী প্রাণী | পরজীবী, যকৃতে বাস করে |অ্যাসিলোমেট হওয়ার সুবিধা 👍
* ক্ষতি থেকে সুরক্ষা: প্যারেনকাইমা অঙ্গগুলোকে বাহ্যিক আঘাত থেকে রক্ষা করে। 🛡️ * সহজ পরিবহন: ছোট আকারের কারণে গ্যাস ও পুষ্টি উপাদান সরাসরি কোষের মাধ্যমে পরিবাহিত হতে পারে। 🚚 * পুনরুৎপাদন ক্ষমতা: কিছু প্ল্যাটিহেলমিন্থেসের অসাধারণ পুনরুৎপাদন ক্ষমতা দেখা যায়। ✨অ্যাসিলোমেট হওয়ার অসুবিধা 👎
* জটিলতা কম: শারীরিক গঠন সরল হওয়ায় জটিল শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া সম্পাদনে অসুবিধা হতে পারে। ⚙️ * সংবহনতন্ত্রের অভাব: পরিবহন প্রক্রিয়া কোষভিত্তিক হওয়ায় বড় আকারের প্রাণীদের জন্য এটি উপযুক্ত নয়। 🩸আশা করি, এই ব্যাখ্যা Platyhelminthes পর্বের প্রাণীদের অ্যাসিলোমেট হওয়ার কারণ বুঝতে সাহায্য করবে। 🥳
Option A Explanation:
- অ্যাসিলোমেট: এই ধরনের শরীরের অভ্যন্তরে স্লো, অপ্রচলিত বা ক্ষুদ্র সংখ্যক সেলুলার সিস্টেম থাকে।
- সাধারণত এই ধরনের প্রাণীরা খুবই সরল গঠনযুক্ত হয়।
- এরা সাধারণত স্নায়বিক, শ্বাসপ্রশ্বাস ও পরিপাকতন্ত্রের জন্য বিশেষ কোন জটিল অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রয়োজন হয় না।
- উদাহরণস্বরূপ, প্লেটিহেলমিন্থসের অনেক সরল ধরণের প্রাণী অ্যাসিলোমেট হিসেবে বিবেচিত।
Option B Explanation:
- ইউসিলোমেট: ইউসিলোমেট (Eucoelomate) হল এমন প্রাণী যারা মূল দেহের ভিতরে একটি সত্যিকারের সিলো (coelom) বা গহ্বর নিয়ে গঠিত, যা প্রাকৃতিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস, পুষ্টি এবং অন্যান্য দেহের কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ, এই গহ্বরটি দেহের পেশী, হাড় বা অন্যান্য টিস্যু দ্বারা পৃথক নয়, বরং এটি মূল দেহের অভ্যন্তরীণ অংশের স্বাভাবিক গঠন হিসেবে বিবেচিত হয়।
- ইউসি??োমেট প্রাণীদের গঠন সাধারণত জটিল এবং তারা বিভিন্ন শারীরিক কার্যক্রমে সক্ষম হয়, যেমন চলাফেরা, শ্বাসপ্রশ্বাস, এবং পুষ্টি শোষণ।
Option C Explanation:
- স্যুডোসিলোমেট: এটি একটি স্তরবিহীন টিস্যু যা জীবের শরীরের ভিতরে উপস্থিত থাকে, তবে এটি আসলে আস্তে আস্তে বিভক্ত না হয়ে একধরনের অস্থির বা অপ্রচলিত স্তর হিসেবে কাজ করে।
- এই স্তরটি সাধারণত প্যাথোজেন বা অন্যান্য জীবের জন্য একটি সুরক্ষা স্তর হিসেবে কাজ করে।
- এটি মূলত একটি ফাল্কা বা ম্যাট্রিক্সের মতো, যা কোষগুলোকে আলাদা করে রাখে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও উপাদান পরিবহন সহজ করে দেয়।
- সাধারণত এই ধরনের টিস্যু দেখা যায় প্ল্যাটেহেলমিনথেসের মতো এককোষী বা ক্ষুদ্র আকারের জীবের শরীরে।
Option D Explanation:
সুপারসিলোমেটের ব্যাখ্যা
সুপারসিলোমেটের বৈশিষ্ট্যসমূহ
- সংজ্ঞা: সুপারসিলোমেট হল এক ধরণের দেহকাঠামো যেখানে দেহের অভ্যন্তরে একটি প্যারাইটাল কফিন বা পেশীশক্তির স্তর দ্বারা বিভক্ত হয়।
- অঙ্গপ্রণালী: এই কাঠামোতে দেহের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অঙ্গপ্রণালী আলাদাভাবে বিভক্ত থাকে, যেমন হজম, শ্বাস, এবং রক্তপরিবহন ব্যবস্থা।
- উদাহরণ: বেশিরভাগ পরোপ্রাণী, যেমন অ্যারেকোডর্ম, গ্যাস্ট্রোডারোয়া, এবং কাঁকড়ার মতো প্রাণীর মধ্যে সুপারসিলোমেট দেহ কাঠামো দেখা যায়।
- অন্তর্গত বৈশিষ্ট্য: এই দেহ কাঠামো প্রাণীদের চলাচল ও অঙ্গপ্রণালী কার্যক্রমে উন্নত সুবিধা প্রদান করে।
- উপকারিতা: সুপারসিলোমেট দেহ কাঠামো প্রাণীদের জটিল অঙ্গপ্রণালী এবং কার্যক্রম সম্পাদনে সক্ষম করে, যা তাদের জীবিকা ও পরিবেশে অভিযোজনে সহায়ক।