ভেক্সিলারি এস্টিভেশন দেখা যায় কোন উদ্ভিদে ?
সঠিক উত্তরঃ
B.
Pisum sativum
Another Explanation (5): উত্তর: Pisum sativum (শাকসবজি বা মটরশুঁটির উদ্ভিদ) এ ভেক্সিলারি এস্টিভেশন দেখা যায়।
ব্যাখ্যা:
- ভেক্সিলারি এস্টিভেশন: এটি মূলত পাতা বা শাখার উপর অবস্থিত ভেক্সিল বা রঙীন দাগ বা গঠন, যা উদ্ভিদের পাতা বা শাখাকে আকারে আলাদা করে দেখায়।
- পিসিয়াম সাটিভাম: এটি একটি লতানো উদ্ভিদ, যাকে সাধারণত শাকসবজি হিসেবে খাওয়া হয়। এর পাতা ও শাখায় ভেক্সিলারি এস্টিভেশন দেখা যায়, যা এর শৈল্পিক ও স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত।
- কারণ: এই ভেক্সিলারি এস্টিভেশন উদ্ভিদের পাতা বা শাখার আকার ও ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র গঠনকে দৃশ্যমান করে তোলে এবং এটি উদ্ভিদের স্বাভাবিক গঠন বা প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য।
Option A Explanation:
- ভেক্সিলারি এস্টিভেশন: ভেক্সিলারি এস্টিভেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উদ্ভিদ তার মূল বা শিকড়ের সাহায্যে ভূমি থেকে জল ও পুষ্টি উপাদান সংগ্রহ করে, এবং এর মাধ্যমে তার বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়তা করে।
- Solanum tuberosum (আলু): এই উদ্ভিদে ভেক্সিলারি এস্টিভেশন দেখা যায় কারণ এটি মূল ও শিকড়ের মাধ্যমে ভূমি থেকে জল ও পুষ্টি শোষণ করে। আলুর শিকড় গভীরভাবে প্রবেশ করে মাটির নিচে, যেখানে পুষ্টি ও জল পাওয়া যায়।
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: আলুর মূল ও শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে ভূমি থেকে উপাদান সংগ্রহ করে, যা তার বৃদ্ধি ও ফলন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- উপকারিতা: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে তার প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করে, যার ফলে এটি দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারে এবং উচ্চ ফলন দিতে পারে।
Option B Explanation:
- অভ্যাস: পিঁয়াজ, রসুন, সরষে ইত্যাদি ক্রুসিফেরি গোত্রের অন্তর্গত নয়।
- উৎপত্তি: Pisum sativum মূলত ফলিকুলা গোত্রের অন্তর্গত, যা মূলত ভুট্টা বা শাকসবজি হিসেবে পরিচিত।
- বৈশিষ্ট্য: এই উদ্ভিদটি সাধারণত শাকসবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর বীজের নাম 'শিম' বা 'অলৌ'।
- উৎপত্তিস্থল: এটি মূলত মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- উপযোগিতা: খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এবং এর পুষ্টিগুণ বেশ মূল্যবান।
Option C Explanation:
- নাম: Brassica napus
- পরিবার: Cruciferae (Brassicaceae)
- সাধারণ ব্যবহার: সোনালী রঙের তেল উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত, যেমন রেপসিডি বা রেপসিডি তেল
- উৎপত্তি: মূলত ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে চাষ হয়
- অবস্থা: বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে চাষ হচ্ছে এবং বিলুপ্তপ্রায় নয়
- বিশেষ উল্লেখ: কিছু ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট প্রভাবের কারণে এর প্রজাতি বা জাতের কিছু অংশ সংকটমুক্ত নয়, তবে সাধারণত এটি বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ নয় বলে বিবেচিত হয়
Option D Explanation:
Calotropis procera
- প্রকার: মরুজ (মরুভূমি বা শুষ্ক ক্ষেত্রের উদ্ভিদ)
- পরিচিতি: এটি একটি দ্রুত বৃদ্ধির ঘাসজাত উদ্ভিদ, যা সাধারণত শুষ্ক ও মরুভূমি এলাকায় দেখা যায়।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এর পাতা ও কাণ্ডে বিষাক্ত রস থাকে, যা প্রাকৃতিকভাবে সুরক্ষা প্রদান করে।
- ব্যবহার: ঔষধি গুণাগুণে এটি ব্যবহৃত হয়, যেমন প্রদাহ নিরাময়, চর্মরোগে ও ঘা সারানোর জন্য।
- উৎপত্তি: বিভিন্ন শুষ্ক ও অপ্রচুর জলপ্রাপ্য ভূখণ্ডে এটির বিস্তার খুব বেশি।