'প্লাকয়েড' আঁইশ পাওয়া যায় কোন শ্রেণিভুক্ত প্রাণীতে?
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসChordata পর্বের শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)
সঠিক উত্তরঃ
C.
Chondrichthyes
Explanation:

Another Explanation (5):
প্লাকয়েড আঁইশ: কনড্রিকথিস শ্রেণির বৈশিষ্ট্য 🦈
প্লাকয়েড আঁইশ মূলত কনড্রিকথিস (Chondrichthyes) শ্রেণিভুক্ত প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। এই শ্রেণীতে মূলত তরুণাস্থিযুক্ত মাছ, যেমন - হাঙর 🦈, শঙ্কর মাছ 🦪, করাত মাছ 🔪 ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। প্লাকয়েড আঁইশ এই মাছগুলোকে সুরক্ষা প্রদান করে এবং এদের চলনে সাহায্য করে।
প্লাকয়েড আঁইশের গঠন 🔬
- প্লাকয়েড আঁইশ দেখতে ছোট দাঁতের মতো🦷।
- এদের গঠন অনেকটা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের দাঁতের মতোই।
- প্লাকয়েড আঁইশের তিনটি প্রধান অংশ রয়েছে:
- বেসাল প্লেট (Basal plate)
- ডেন্টিন স্পাইন (Dentine spine)
- এলামেলয়েড শীথ (Enameloid sheath)
- এগুলো ত্বককে ভেদ করে থাকে এবং পেছনের দিকে বাঁকানো থাকে।
প্লাকয়েড আঁইশের কাজ ⚙️
- সুরক্ষা: এটি মাছের ত্বককে আঘাত 🤕 ও ক্ষয় থেকে বাঁচায়।
- চলন: প্লাকয়েড আঁইশগুলো ছোট ছোট দাঁতের মতো হওয়ায় মাছকে দ্রুত সাঁতার কাটতে🏊♀️ সাহায্য করে, যা জলীয় ঘর্ষণ কমায়।
- শিকার ধরা: কিছু ক্ষেত্রে শিকার ধরতে🔪 ও আত্মরক্ষায়🛡️ কাজে লাগে।
কনড্রিকথিস শ্রেণিভুক্ত কিছু প্রাণীর উদাহরণ 🐠
| সাধারণ নাম | বৈজ্ঞানিক নাম | আবাসস্থল 🌊 |
|---|---|---|
| হাঙর 🦈 | Selachimorpha | সাগর ও মহাসাগর |
| শঙ্কর মাছ 🦪 | Batoidea | সাগরের তলদেশ |
| করাত মাছ 🔪 | Pristidae | উপকূলীয় অঞ্চল |
অতিরিক্ত তথ্য💡
কনড্রিকথিস শ্রেণির মাছেরা সাধারণত শিকারি 🎯 হয়ে থাকে এবং এদের দেহে কঙ্কাল তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত। এদের প্লাকয়েড আঁইশ বহিরাগত পরজীবী🦠 থেকেও রক্ষা করে।
আঁইশ গুলো V আকৃতির হয়ে থাকে✔️
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি প্লাকয়েড আঁইশ এবং কনড্রিকথিস শ্রেণি সম্পর্কে আপনার ধারণ??? স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে।😊
Option A Explanation:
- অ্যাকটিনোপটারিজি (Actinopterygii): এই শ্রেণীটি মূলত পাখির মতো মাছ বা রেডিওফোরসের গোষ্ঠী, যা মূলত জলজ প্রাণী।
- প্রাণীর গঠন: এই শ্রেণীর মাছের প্রধান্য বৈশিষ্ট্য হলো তাদের সরু, পাখির মতো প্রান্তবিশিষ্ট ফ্ল্যাপ বা পাখা (ফ্লিপার) যা মাছের চলাচলে সহায়ক।
- প্রজনন: এই মাছের প্রজনন প্রায়ই স্পার্ম ও ডিমের মাধ্যমে হয়।
- বৈচিত্র্য: অ্যাকটিনোপটারিজি খুবই বৈচিত্র্যপূর্ণ, এটি বিশ্বের জলজ জীববৈচিত্র্যের একটি বৃহৎ অংশ।
- উদাহরণ: ক্যাটফিশ, শ্রিম্প, সীলফিশ ইত্যাদি এই শ্রেণীর মধ্যে পড়ে।
Option B Explanation:
- সার্কোপটারিগি (Sarcopterygii): এটি একটি শ্রেণি যা মূলত লম্বা, পাখনাযুক্ত মাছগুলোকে বোঝায়।
- এই শ্রেণির মাছগুলোর পাখনাগুলো মূলত লম্বা এবং স্নায়ুবিষয়কভাবে শক্তিশালী, যা ভবিষ্যতে টেরাপোড বা লেজযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সার্কোপটারিগি শ্রেণির মধ্যে প্রাচীন মাছ যেমন লোচ, সিলুরা ও রেকুইন অন্তর্ভুক্ত।
- এই প্রাণীগুলোর শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য ফুসফুসের মতো অঙ্গের বিকাশ হয়, যা জল ও স্থলে জীবনযাত্রার জন্য উপযুক্ত।
- সার্কোপটারিগির মধ্যে কিছু প্রজাতি সাঁতার কাটার জন্য পাখনাগুলির গঠন ও কার্যক্ষমতায় উন্নত।
Option C Explanation:
- Chondrichthyes: এই ক্লাসের প্রাণীগুলি মূলত শার্ক, ইলিশ ও রেথার মতো জেলি-সামৃদ্ধ মাছের অন্তর্ভুক্ত।
- প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- শরীরের কাঠামো: কার্টিলেজের মতো কঙ্কাল, হাড় নয়।
- দাঁত: শক্তিশালী ও পরিবর্তনশীল, খাদ্যগ্রহণে সহায়ক।
- চোখ ও চেহারা: সুচারু দৃষ্টি ও দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর জন্য বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
- প্রজনন: প্রজনন প্রক্রিয়া অনেকটাই ভিন্ন, কিছু মাছ সরাসরি ডিম পাড়ে, আবার কিছু সরাসরি বাচ্চা জন্ম দেয়।
- অন্য নাম: এই ক্লাসটি সাধারণত "কার্টিলেজিয়াস মাছ" বা "চন্দ্রিমুখ মাছ" হিসেবেও পরিচিত।
Option D Explanation:
অ্যামফিবিয়ারী (Amphibia) শ্রেণীর প্রাণীদের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- প্রাকৃতিক জীবনচক্র: অ্যামফিবিয়ারা সাধারণত জলজ ও স্থলে জীবিত হয়। তাদের জীবনচক্রে লার্ভা পর্যায় জলজ এবং পরিণত হলে স্থলে চলে আসে।
- শরীরের গঠন: এদের শরীর সাধারণত আঠালো ও নমনীয়, সঙ্গে সূক্ষ্ম ত্বক থাকে যা জল শোষণে সহায়ক।
- প্রজনন: অধিকাংশ অ্যামফিবিয়ারীর প্রজনন জলজ পরিবেশে হয় এবং ডিম জলজ পরিবেশে দেয়।
- শ্বাসপ্রশ্বাস: তরুণ পর্যায়ে গ্যাস বিনিময় মূলত জলের মাধ্যমে হয়, আর পরিণত হলে ফুসফুসের মাধ্যমে শ্বাস নেয়।
- উদাহরণ: গ্রোউন, স্লথ, সালামান্দার প্রভৃতি।