কোনটি বিলুপ্তপ্রায় প্রাণি?
JUUnit-DSet-7জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনবিবর্তন বা অভিব্যক্তি (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
Cycas pectinata
Explanation: বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীদের তালিকায় *Cycas pectinata* একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। এটি একধরনের সাইক্যাড প্রজাতির উদ্ভিদ, যা প্রকৃতিতে বেশ বিরল। অন্য অপশনগুলো যেমন *Nipa fruticans*, *Phoenix paludosa*, এবং *Acanthus ilicifolius* বিলুপ্তপ্রায় নয় বরং বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর পাওয়া যায়। নোট: বিলুপ্তপ্র??য় প্রাণী ও উদ্ভিদের সংরক্ষণ বন্যপ্রাণী ও বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য রক্ষায় অপরিহার্য।
Another Explanation (5):
বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ: Cycas pectinata
Cycas pectinata একটি বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ প্রজাতি। এটি সাইকাড পরিবারের সদস্য। এদের সংকটাপন্ন হওয়ার কারণ এবং সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা নিচে আলোচনা করা হলো:বৈশিষ্ট্য
- 🌴 দেখতে পাম গাছের মতো, তবে পাম নয়।
- 🌿 পাতাগুলো চিরসবুজ এবং যৌগিক।
- 🌰 স্ত্রী গাছে বীজ হয়, যা দেখতে অনেকটা বাদামের মতো।
- ⛰️ পাহাড়ি অঞ্চলে এদের দেখা যায়।
সংকটাপন্ন হওয়ার কারণসমূহ
- 🌎 আবাসস্থল ধ্বংস: বনভূমি উজাড় হওয়ার কারণে এদের আবাসস্থল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
- 🔥 দাবানল: প্রাকৃতিক বা মানুষের তৈরি দাবানলের কারণে অনেক গাছ পুড়ে যায়।
- 🪵 অবৈধ সংগ্রহ: এদের কাঠ ও অন্যান্য অংশের জন্য অবৈধভাবে সংগ্রহ করা হয়।
- 🌱 কম প্রজনন হার: প্রজনন হার কম হওয়ায় এদের সংখ্যা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে।
- 🌡️ জলবায়ু পরিবর্তন: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে।
সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা
| গুরুত্ব | কারণ |
|---|---|
| 🌱 জীববৈচিত্র্য রক্ষা | Cycas pectinata অনেক পোকামাকড় ও প্রাণীর আবাসস্থল এবং খাদ্য উৎস। |
| 🌳 পরিবেশের ভারসাম্য | এরা পরিবেশের কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন সরবরাহ করে। |
| 👨⚕️ ঔষধী গুণাগুণ | ঐতিহ্যগতভাবে এদের কিছু ঔষধী ব্যবহার রয়েছে। |
| 🔬 বিজ্ঞান গবেষণা | বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য এই প্রজাতিটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। |
সংরক্ষণ পদক্ষেপ
- 🏞️ আবাসস্থল সংরক্ষণ: এদের আবাসস্থলগুলোকে জাতীয় উদ্যান বা সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা উচিত।
- 🔥 দাবানল প্রতিরোধ: দাবানল প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
- 🚫 অবৈধ সংগ্রহ বন্ধ: অবৈধ সংগ্রহ বন্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা উচিত।
- 🌱 চারা উৎপাদন ও রোপণ: নার্সারিতে চারা উৎপাদন করে বিলুপ্তপ্রায় এলাকায় রোপণ করা যেতে পারে।
- 🧑🌾 স্থানীয় সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ: স্থানীয় মানুষদের সংরক্ষণে উৎসাহিত করা এবং তাদের জীবিকা নির্বাহের বিকল্প ব্যবস্থা করা।
- 📊 নিয়মিত পর্যবেক্ষণ: এদের সংখ্যা এবং স্বাস্থ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
Cycas pectinata কে বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচাতে আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। 😥 আসুন, আমরা সবাই মিলে এই উদ্ভিদ প্রজাতিটিকে রক্ষা করি। 🙏
আরও জানতে: IUCN Red List 📚
ছবি: 📷 (Cycas pectinata এর ছবি যুক্ত করুন)
Option A Explanation:
- Nipa fruticans হলো একটি জলজ উদ্ভিদ, যা সাধারণত উপকূলীয় এলাকায় দেখা যায়।
- এটির মূলের গোড়ায় শিং বা শিং আকৃতির মূল দেখা যায়, যা জলস্তর পরিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বৃদ্ধি পায়।
- এই মূলের গঠন জলজ পরিবেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক এবং এটি পানির নিচে ও উপর দিয়ে বিস্তৃত হয়ে থাকে।
- নিপা গাছের মূলের এই বিশেষ গঠন তাকে পানির উচ্চতা অনুযায়ী সমন্বয় করতে সক্ষম করে।
- এটি সাধারণত পানির কাছাকাছি বা উপকূলীয় অঞ্চলে জন্মে এবং এর জন্যই এর মূলের আকৃতি শিং বা শিং-সদৃশ দেখায়।
Option B Explanation:
- নাম: Phoenix paludosa
- পরিবার: Arecaceae (Palmaceae)
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি প্রকারের পাম গাছ, যা মূলত পানির পাশে বৃদ্ধি পায়।
- অবস্থান: এটির সাধারণত উপকূলীয় অঞ্চলে দেখা যায়, যেখানে এটি পানির সা???ে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে সক্ষম।
- ব্যবহার: এর পাতা ও ডাল গৃহস্থালী কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর কাঠ থেকে বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি হয়।
Option C Explanation:
- নাম: Acanthus ilicifolius
- প্রকার: মালভূমি ও জলাভূমি উদ্ভিদ
- বর্ণনা: এটি একটি ঝোপঝাড় ধরনের উদ্ভিদ, যা সাধারণত জলাবন বা জলাশয়ের পাশের এলাকায় দেখা যায়।
- অস্তিত্ব স্থান: দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন জলাভূমি অঞ্চলে প্রসারিত।
- ব্যবহার ও গুরুত্ব: এর পাতা ও শাখা বিভিন্ন পন্থায় ব্যবহার হয়, যেমন গৃহস্থালী কাজে ও পানির দূষণ রোধে।
Option D Explanation:
- Cycas pectinataঃ
- একটি প্রাচীন ধরণের গাছ, যা গাছের শাখা ও পাতা দিয়ে গণ্য হয়।
- প্রধানত দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে ভারত ও নেপালে দেখা যায়।
- এটি সাইকা (Cycads) পরিবারের অন্তর্গত, যা প্রাচীন শীতল ও উষ্ণ অঞ্চলের উদ্ভিদ।
- এটি সাধারণত শীতকালীন জলবায়ু এবং পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায়।
- প্রাকৃতিক পরিবেশে এই প্রজাতির সংখ্যা কমে আসছে, এ কারণেই এটি বিলুপ্তপ্রায় বলে বিবেচিত।