একুশে ফেব্রুয়ারীকে "আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস" ঘোষণা করে কোন সংস্থা?
NursingBSCসাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকবিভিন্ন সংস্থাবিভিন্ন সংস্থা (Topic Practice)Nursing - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
ইউনেস্কো
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
একুশে ফেব্রুয়ারি: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু একটি তারিখ নয়, এটি একটি ইতিহাস, একটি আবেগ 💖। এটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য এবং বিশ্বের সকল মাতৃভাষার প্রতি সম্মান জানানোর দিন।
ইউনেস্কো ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর মাধ্যমে দিনটি বিশ্বের সকল ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান জানানোর একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম লাভ করে। 🥳
ঘোষণার প্রেক্ষাপট:
- ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য: তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলন ছিল মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রথম কোনো সফল আন্দোলন।
- আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: এই আন্দোলনের চেতনাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতেই ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি।
- জাতিসংঘের ভূমিকা: জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মতিতে ইউনেস্কো এই ঘোষণা দেয়।
ইউনেস্কোর ঘোষণার তারিখ ও স্থান:
| সংস্থা | তারিখ | স্থান |
|---|---|---|
| ইউনেস্কো | ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ | প্যারিস, ফ্রান্স 🇫🇷 |
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য:
- ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষা: এই দিবসটি বিশ্বের বিপন্ন ভাষাগুলোকে রক্ষার জন্য সচেতনতা তৈরি করে।
- বহুভাষিক শিক্ষা: মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণকে উৎসাহিত করে।
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ: প্রতিটি ভাষার নিজস্ব সংস্কৃত??? ও ঐতিহ্য রয়েছে, যা সংরক্ষণে এই দিবসটি সহায়ক।
- বিশ্ব শান্তি ও বোঝাপড়া: বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে সাহায্য করে। 🤝
দিবসটি উদযাপনের কিছু উপায়:
- শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ 💐
- আলোচনা সভা ও সেমিনার আয়োজন 🗣️
- সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গান পরিবেশন 🎶
- মাতৃভাষা বিষয়ক লেখালেখি ও প্রতিযোগিতা ✍️
- ভাষা শহীদদের জীবনী আলোচনা 🙏
একুশে ফেব্রুয়ারি এখন শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বজুড়ে মাতৃভাষার অধিকার ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষার প্রতীক।🌍 আসুন, আমরা সবাই মিলে এই দিনটির তাৎপর্যকে আরও বেশি করে ছড়িয়ে দেই। 🥰
সকল ভাষার প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।💐
```