স্পঞ্জের দেহে কোন ধরনের প্রতিসাম্যতা দেখা যায়?
JUUnit-DSet-5জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসপ্রাণীবৈচিত্র্য ও প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
অপ্রতিসাম্য
Explanation: স্পঞ্জের দেহে অপ্রতিসাম্য (Asymmetry) প্রতিসাম্যতা দেখা যায়। স্পঞ্জরা সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট আকারে বা রূপে বিকশিত হয় না, তাদের দেহের গঠন অপ্রতিসাম্য, যা তাদের জীববৈচিত্র্যের জন্য উপকারী।
Another Explanation (5):
স্পঞ্জের দেহে প্রতিসাম্যতা: একটি আলোচনা 🧽
স্পঞ্জ (Porifera পর্বের অন্তর্ভুক্ত) একটি বহুকোষী প্রাণী যার দেহে জটিল টিস্যু বা অঙ্গতন্ত্র গঠিত হয় না। এদের গঠন অন্যান্য প্রাণীদের থেকে ভিন্ন হওয়ায় এদের প্রতিসাম্যতাও আলাদা।
প্রতিসাম্যতা কী? 🤔
প্রতিসাম্যতা (Symmetry) হলো কোনো বস্তুকে সমান অংশে ভাগ করার ক্ষমতা। যদি কোনো বস্তুকে একটি অক্ষ বরাবর ভাগ করলে উভয় অংশ দেখতে একই রকম হয়, তবে তাকে প্রতিসম বলা হয়।
স্পঞ্জে প্রতিসাম্যতা: অপ্রতিসাম্য কেন? 🤷♀️
- অপ্রতিসাম্য (Asymmetry): স্পঞ্জের দেহে সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট প্রতিসাম্যতা দেখা যায় না। অর্থাৎ, এদেরকে কোনো নির্দিষ্ট অক্ষ বরাবর সমান দুই ভাগে ভাগ করা যায় না।
- শারীরিক গঠন: স্পঞ্জের দেহ ছিদ্রযুক্ত এবং নলাকার। এদের কোনো সুনির্দিষ্ট আকার বা আকৃতি নেই।
- অঙ্গসংস্থান: স্পঞ্জে জটিল অঙ্গতন্ত্রের অভাব থাকায় এদের আকার পরিবর্তনশীল।
কিছু ব্যতিক্রম 🧪
যদিও অধিকাংশ স্পঞ্জ অপ্রতিসম, কিছু প্রজাতিতে সামান্য Radial প্রতিসাম্যতা দেখা যেতে পারে। তবে তা খুবই কম এবং সম্পূর্ণরূপে প্রতিসাম্য নয়।
অপ্রতিসাম্যের কারণ 🧐
- জীবনযাপন পদ্ধতি: স্পঞ্জ সাধারণত পাথরের সাথে আটকে থাকে এবং স্রোতের মাধ্যমে আসা খাদ্য গ্রহণ করে। তাই তাদের সুনির্দিষ্ট আকারের প্রয়োজন হয় না।
- নমনীয়তা: অপ্রতিসম হওয়ার কারণে স্পঞ্জ বিভিন্ন আকারের পৃষ্ঠের সাথে সহজে মানিয়ে নিতে পারে।
বিভিন্ন প্রকার প্রতিসাম্যতা 📊
| প্রকার | বৈশিষ্ট্য | উদাহরণ |
|---|---|---|
| অপ্রতিসাম্য | কোনো প্রতিসাম্য নেই | স্পঞ্জ (বেশিরভাগ) 🧽 |
| Radial প্রতিসাম্য | কেন্দ্রীয় অক্ষের চারপাশে সদৃশ অংশ | জেলীফিশ 🐠 |
| দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য | দুটি সমান অংশ (ডান ও বাম) | মানুষ 🙋♀️, প্রজাপতি 🦋 |
পরিশেষে বলা যায়, স্পঞ্জের দেহে সাধারণত অপ্রতিসাম্যতা দেখা যায়। তাদের বিশেষ গঠন এবং জীবনযাপন পদ্ধতির কারণেই এমনটা হয়ে থাকে। 🌊
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি স্পঞ্জের প্রতিসাম্যতা সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে।👍
Option A Explanation:
- অরীয়: এই ধরনের ভাস্কুলার বান্ডল সাধারণত একবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডে দেখা যায়।
- অরীয় ভাস্কুলার বান্ডল সাধারণত কেন্দ্রীক বা কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থিত হয়।
- এটি মূলত পাতার মূল শিরায় বা মূল ভাস্কুলার পদ্ধতিতে থাকে, যেখানে একাধিক ভাস্কুলার টিউব একসঙ্গে গুচ্ছবন্দী হয়ে থাকে।
- অরীয় ধরণের ভাস্কুলার বান্ডল সাধারণত জৈবিকভাবে কার্যক্ষম ও দৃঢ় হয়, যা উদ্ভিদের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়।
Option B Explanation:
- দ্বি-অরীয় (Diploblastic): এটি এমন জীবের দেহের গঠন যেখানে দুইটি প্রধান কোষের স্তর থাকে।
- উপস্থাপনা: এই ধরনের গঠন সাধারণত স্পঞ্জ, কেক, এবং কিছু সামুদ্রিক প্রাণীর মধ্যে দেখা যায়।
- স্তরসমূহ: এদের দেহে প্রধানত দুইটি স্তর থাকে – এপিডার্মিস (অবিচ্ছিন্ন স্তর) এবং গ্যাগোডার্মিস (অভ্যন্তরীণ স্তর)।
- প্রতিসাম্যতা: দ্বি-অরীয় জীবের দেহ সাধারণত রেডিয়াল বা সেন্ট্রিপেটাল প্রতিসাম্যতা প্রদর্শন করে।
- উপকারিতা: এই গঠন জীবনযাত্রার জন্য সহজতর এবং বিভিন্ন জলজ পরিবেশে অভিযোজিত হতে সহায়ক।
Option C Explanation:
- দ্বি- পার্শ্বীয় প্রতিসাম্যতা: এটি এমন এক ধরনের প্রতিসাম্যতা যেখানে শরীরের মাঝখানের দুটি সমান অংশে বিভক্ত হয়, এবং দুইটি অংশই সমান ও সমান্তরাল হয়।
- এই ধরনের প্রতিসাম্যতা সাধারণত কিছু প্রাণীর দেহে দেখা যায়, যেমন স্পঞ্জের দেহে।
- এতে শরীরের কেন্দ্র থেকে দুটি সমান অংশে বিভক্ত হয়, যা দেহের সামঞ্জস্য ও ভারসাম্য রক্ষা করে।
Option D Explanation:
- অপ্রতিসাম্য: এটি এমন একটি ধরনের প্রতিসাম্যতা যেখানে কোন নির্দিষ্ট অঙ্গ বা দেহের উভয় দিক সমান বা সমানভাবে বিকাশ লাভ করে না।
- অপ্রতিসাম্যপ্রাপ্ত জীবের দেহে বিভিন্ন অঙ্গ বা অংশের গঠন ও আকারে পার্থক্য দেখা যায়।
- এতে দেহের এক দিক অন্য দিকের তুলনায় ভিন্ন রূপ বা গঠন ধারণ করে।
- অপ্রতিসাম্য সাধারণত জীবের জীবনচক্র বা পরিবেশের প্রভাবের কারণে হতে পারে।