মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোন প্রাণীর রক্ত সংবহনতন্ত্র মুক্ত?

A.

ঘাসফড়িং 

B.

রুই মাছ

C.

পাখি

D.

মানুষ 

Poster Download
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর পরিচিতিঘাসফড়িং এর রক্ত সংবহনতন্ত্র (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A.

ঘাসফড়িং 

Explanation:

Another Explanation (5):

ঘাসফড়িং-এর মুক্ত রক্ত সংবহনতন্ত্র: একটি ব্যাখ্যা 🦗

ঘাসফড়িং-এর রক্ত সংবহনতন্ত্র একটি মুক্ত সংবহনতন্ত্র। অন্যান্য প্রাণীদের বদ্ধ সংবহনতন্ত্রের মতো, ঘাসফড়িং-এর রক্ত সর্বদা রক্তনালীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর পরিবর্তে, রক্ত সরাসরি দেহ গহ্বরে (hemocoel) উন্মুক্ত হয় এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও টিস্যুগুলোকে সিক্ত করে।

মুক্ত সংবহনতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • হৃদপিণ্ড: একটি লম্বা নলাকার হৃদপিণ্ড থাকে যা দেহের পৃষ্ঠীয় দিকে অবস্থিত। ❤️
  • ধমনী: হৃদপিণ্ড থেকে উৎপন্ন হয়ে কিছু ধমনী দেহের সম্মুখভাগে রক্ত সরবরাহ করে।
  • হিমোসিল (Hemocoel): এটি একটি বড় দেহ গহ্বর যেখানে রক্ত উন্মুক্তভাবে প্রবাহিত হয়।🩸
  • হিমোলিম্ফ (Hemolymph): ঘাসফড়িং-এর রক্তকে হিমোলিম্ফ বলা হয়। এটি রক্তরস (plasma) এবং হিমোসাইট (hemocytes) নামক কোষ দিয়ে গঠিত।
  • সাইনুস (Sinuses): হিমোসিলের মধ্যে কিছু গহ্বর থাকে যেগুলোকে সাইনুস বলে। অঙ্গ ও টিস্যুগুলো এই সাইনুসে নিমজ্জিত থাকে।

সংবহন প্রক্রিয়া:

  1. হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত ধমনীর মাধ্যমে দেহের সম্মুখভাগে যায়। ➡️
  2. ধমনীগুলো উন্মুক্ত হয়ে হিমোসিলে রক???ত সরবরাহ করে।
  3. হিমোলিম্ফ অঙ্গ ও টিস্যুগুলোকে পুষ্টি সরবরাহ করে এবং বর্জ্য পদার্থ গ্রহণ করে। ♻️
  4. এরপর রক্ত সাইনুসগুলোর মাধ্যমে ধীরে ধীরে পিছনের দিকে প্রবাহিত হয়।
  5. হৃদপিণ্ডের Ostia নামক ছিদ্র দিয়ে রক্ত আবার হৃদপিণ্ডে প্রবেশ করে।

বদ্ধ ও মুক্ত সংবহনতন্ত্রের মধ্যে পার্থক্য:

বৈশিষ্ট্য বদ্ধ সংবহনতন্ত্র মুক্ত সংবহনতন্ত্র
রক্তনালী উপস্থিত কিছু অংশে উপস্থিত, অধিকাংশ স্থানে অনুপস্থিত
রক্তের প্রবাহ নির্দিষ্ট পথে প্রবাহিত হয় অনিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়
চাপ উচ্চ রক্তচাপ নিম্ন রক্তচাপ
কার্যকারিতা অধিক কার্যকর কম কার্যকর
উদাহরণ মানুষ, কেঁচো 🚶‍♀️🪱 ঘাসফড়িং, শামুক 🐌🦗

মুক্ত সংবহনতন্ত্রের সুবিধা ও অসুবিধা:

  • সুবিধা:
    • কম শক্তি প্রয়োজন হয়।
    • ছোট আকারের প্রাণীদের জন্য উপযুক্ত।
  • অসুবিধা:
    • অঙ্গপ্রত্যঙ্গে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহে তুলনামূলকভাবে কম দক্ষ।
    • শারীরিক কার্যকলাপের জন্য খুব বেশি উপযোগী নয়।

সারসংক্ষেপ: ঘাসফড়িং-এর মুক্ত রক্ত সংবহনতন্ত্র একটি সরল প্রক্রিয়া যেখানে রক্ত সরাসরি দেহ গহ্বরে প্রবাহিত হয়। এটি বদ্ধ সংবহনতন্ত্রের চেয়ে কম কার্যকর হলেও ছোট আকারের এবং কম শক্তি প্রয়োজন এমন প্রাণীদের জন্য এটি উপযুক্ত। 👍

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি ঘাসফড়িং-এর রক্ত সংবহনতন্ত্র বুঝতে সাহায্য করবে। 😊

Option A Explanation:
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: ঘাসফড়িংয়ে হিমোসিল নামে এক ধরনের রক্তসঞ্চালনকারী ঝিল্লি বা নল পাওয়া যায়।
  • অস্তিত্ব: এটি মূলত তাদের শরীরের রক্তবাহী নালি বা রক্তনালী হিসেবে কাজ করে, যা তাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে রক্ত প্রবাহে সহায়ক।
  • বৈশিষ্ট্য: হিমোসিলের মাধ্যমে ঘাসফড়িং রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন এবং পুষ্টি সরবরাহ করে, এবং এটি তাদের শারীরিক কার্যকলাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option B Explanation: ```html
  • প্রাণী: রুই মাছ
  • রক্ত সংবহনতন্ত্র: রুই মাছের রক্ত সংবহনতন্ত্র বিদ্যমান, যা এটি জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করে।
  • প্রকার: জলজ প্রাণী, যা জলজ পরিবেশে বাস করে।
  • রক্তের রঙ: রক্তের রঙ লাল, কারণ এতে হিমোগ্লোবিন থাকে যা অক্সিজেন বহন করে।
  • অঙ্গপ্রণালী: এর রক্ত সংবহনতন্ত্রে হৃদযন্ত্র, রক্তনালি, ও রক্তের অন্যান্য উপাদান অন্তর্ভুক্ত।
```
Option C Explanation:
  • পাখির লোহিত কণিকার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এতে নিউক্লিয়াসের অনুপস্থিতি।
  • এটি রক্তের অক্সিজেন বহন করার জন্য বিশেষভাবে তৈরি, যেখানে নিউক্লিয়াসের অভাব রক্তের শোষণ ও পরিবহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  • নিউক্লিয়াসের অনুপস্থিতির কারণে পাখির লোহিত কণিকা আরও ছোট এবং বেশি সংখ্যক হতে পারে, যা অক্সিজেন পরিবহণের জন্য উপকারী।
  • অন্য প্রাণীদের লোহিত কণিকায় সাধারণত নিউক্লিয়াস উপস্থিত থাকে, যা কোষের জৈবিক কার্যকলাপের জন্য প্রয়োজনীয়।
Option D Explanation:
  • প্রজনন: মানুষ ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাসের প্রধান পোষকদেহ, যেখানে এই ভাইরাসের প্রজনন ও সংক্রমণ ঘটে।
  • সংক্রমণ: মানুষ এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে, যা সাধারণত শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
  • উপসর্গ: সংক্রমণের ফলে সাধারণত শ্বাসকষ্ট, জ্বর, ক্লান্তি ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।
  • প্রতিরোধ: উপযুক্ত ভ্যাকসিন ও সতর্কতা অবলম্বন করে এই ভাইরাসের সংক্রমণ কমানো যায়।