মালভেসী গোত্রের পরাগধানী ও পরাগরেণুর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
SAUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রনগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদদ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের গোত্র Malvaceae (Topic Practice)SAU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
একপ্রকোষ্ঠী, বৃক্কাকার এবং কন্টকিত
Explanation:

Another Explanation (5):
মালভেসি গোত্রের পরাগধানী ও পরাগরেণুর বৈশিষ্ট্য 🌺
মালভেসি গোত্রের (Malvaceae family) উদ্ভিদগুলোর পরাগধানী (anther) এবং পরাগরেণু (pollen grain) বেশ কয়েকটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। নিচে সেগুলো আলোচনা করা হলো:১. পরাগধানীর বৈশিষ্ট্য 🌼
* একপ্রকোষ্ঠী (Monothecous): মালভেসি গোত্রের পরাগধানীর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি একপ্রকোষ্ঠী হয়ে থাকে। অর্থাৎ, পরাগধানীটি একটি মাত্র থেকায় (lobe) বিভক্ত। 😮 * বৃক্কাকার (Kidney-shaped): এর আকৃতি অনেকটা কিডনির মতো বাঁকানো বা অর্ধচন্দ্রাকৃতির হয়। 🫘 * বহু পরাগ উৎপন্নকারী: প্রতিটি পরাগধানী প্রচুর পরিমাণে পরাগরেণু উৎপন্ন করে। 🤩২. পরাগরেণুর বৈশিষ্ট্য ✨
* কাঁটাযুক্ত (Spiny/Echinate): মালভেসি গোত্রের পরাগরেণুগুলোর বহিরাংশে ছোট ছোট কাঁটার মতো গঠন দেখা যায়। এই কাঁটাগুলো পরাগরেণুগুলোকে বিভিন্ন মাধ্যমে (যেমন: কীটপতঙ্গ) স্থানান্তরিত হতে সাহায্য করে। 🌵 * বৃহৎ আকার: এই গোত্রের পরাগরেণুগুলো সাধারণত বেশ বড় আকারের হয়ে থাকে। 🌻 * বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত: কিছু প্রজাতির পরাগরেণু বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত হতে পারে। 🧐বৈশিষ্ট্যগুলোর সারসংক্ষেপ ছকে: 📊
| বৈশিষ্ট্য | পরাগধানী | পরাগরেণু |
|---|---|---|
| প্রকোষ্ঠ সংখ্যা | একপ্রকোষ্ঠী | - |
| আকৃতি | বৃক্কাকার | গোলাকার/ ডিম্বাকার |
| বহিরাংশ | মসৃণ | কাঁটাযুক্ত |
| উৎপাদন ক্ষমতা | অধিক পরাগরেণু উৎপাদন করে | - |
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী 🤔
মালভেসি গোত্রের পরাগধানী ও পরাগরেণুর এই বৈশিষ্ট্যগুলো প্রজাতি শনাক্তকরণ এবং উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো কীটপতঙ্গের মাধ্যমে পরাগায়ন (pollination) প্রক্রিয়াকে সহজ করে। 🐝🦋আশা করি, মালভেসি গোত্রের পরাগধানী ও পরাগরেণুর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি।
Option A Explanation:
- একপ্রকোষ্ঠী: এই বৈশিষ্ট্যটি মানে যে গাছের অঙ্গগুলো একক প্রকোষ্ঠে থাকে। অর্থাৎ, পরাগদণ্ড, অঙ্কুর বা অন্যান্য অঙ্গগুলো একক প্রকারের বা একক অংশে গঠিত।
- হৃদপিন্ডাকার: এই বৈশিষ্ট্যটি নির্দেশ করে যে পরাগগর্ভ বা পরাগরেণু হৃদয়াকৃতি বা হৃদপিন্ডের মতো আকৃতির হয়। এটি সাধারণত পরাগরেণুর আকার ও বিন্যাসের বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
- কন্টকিত: এই বৈশিষ্ট্যটি বোঝায় যে পরাগদণ্ড বা পরাগরেণুর ওপর কন্টক বা শিরা থাকে, অর্থাৎ এর উপর কন্টক বা শিরা বা পাথর থাকে যা অঙ্গের বৈচিত্র্য বা সুরক্ষা প্রদান করে।
Option B Explanation:
- একপ্রকোষ্ঠী: পরাগধানী ও পরাগরেণু একক প্রকোষ্ঠে অবস্থিত থাকে।
- বৃক্কাকার: পরাগরেণু বা পরাগধানী বৃক্কাকারে গঠিত হয়, অর্থাৎ এর আকৃতি বৃক্কের মতো।
- কন্টকিত: পরাগধানীর কন্টক বা ঝাঁঝরী স্তর থাকে, যা পরাগের সুরক্ষা ও সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি করে।
Option C Explanation:
- বহুপ্রকোষ্ঠী: মালভেসী গোত্রের পরাগধানী ও পরাগরেণুতে একাধিক প্রকোষ্ঠ বা কক্ষ থাকে, যা তাদের বহুত্বপূর্ণ গঠন নির্দেশ করে।
- হৃদপিন্ডাকার: পরাগরেণুর আকৃতি হৃদয় বা হৃদপিণ্ডের মতো দেখায়, যা তাদের বিশেষ শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত।
- কন্টকবিহীন: এই ধরনের পরাগরেণু বা পরাগধানীতে কন্টক বা কণ্টক নেই, অর্থাৎ তাদের পৃষ্ঠের উপর কোনো কণ্টক বা কণ্টকাকৃতি অংশ নেই।
Option D Explanation:
- বহুপ্রকোষ্ঠী: মালভেসী গোত্রের পরাগধানী এবং পরাগরেণুতে একের বেশি প্রকারের প্রজাতি বা প্রকারের পরাগধারণা দেখা যায়, যা বিভিন্ন ধরনের পরাগরেণু বা পরাগধারণার উপস্থিতির জন্য পরিচিত।
- বৃক্কাকার: এই বৈশিষ্ট্যটি পরাগধরণের আকার বা আকারের বিষয়ে নির্দেশ করে, সাধারণত বৃক্কাকার বা কিডনি-আকারের হয়, যা পরাগরেণুর আকার বা গঠনবিধির উপর ভিত্তি করে।
- কণ্টকিত: পরাগধারণার বা পরাগরেণুর উপর কন্টক বা শিলার উপস্থিতি বোঝায়, যা পরাগরেণুকে আঘাত বা আঘাতপ্রবণ করে এবং পরাগরেণুর সুরক্ষা বা সহবাসে উপকারী।