মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতা থেকে সিকানদার আবু জাফর কোন পত্রিকা সম্পাদনা করেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'শাজাহান।' পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট শাহজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটিকে শ্রেষ্ঠ ট্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট শাহজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'শাজাহান।'উদ্দীপকের আবেদনের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ট্র্যাজেডির স্বরূপ বিশ্লেষণ করো।
- অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে দেশের জনমানুষ সুসংহত হতে থাকে। সকলে পরাশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার শপথ নেয়। এ সময় কিছু রাষ্ট্রদ্রোহী ব্যক্তিবর্গ প্রতিপক্ষের সাথে শলাপরামর্শ করে স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য। অথচ দেশবিরোধীরা ধর্মগ্রন্থ নিয়ে শপথ করে যে তারা দেশের স্বার্থে ও নেতার পক্ষে কাজ করবে। তাদের মধ্যে আবার কেউ বলে, বাইবেলের কসম আমার জীবন দেশের কল্যাণে উৎসর্গকৃত।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ও দেশের কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ পাকহানাদার বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে দেশের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি করেছে। তাদের একজন সোবহান মুন্সী। মানবতাবিরোধী অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার সাক্ষী দবির বলেন, এই সোবহান মুন্সীই পাকহানাদার বাহিনীকে তাদের গ্রামে আনে এবং সে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে।উদ্দীপকের সোবহান মুন্সী 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?- ব্যাখ্যা কর।
- মাস্টারদা সূর্যসেন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। এ দেশের গণমানুষকে জাগিয়ে তুলতে নানাভাবে চেষ্টা করেন। তারই নির্দেশে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে আক্রমণ সফল হওয়ার পর ব্রিটিশ শাসকের টনক নড়ে। তাঁকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ইংরেজরা দশ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে। অর্থের লোভে জনৈক ব্যক্তি তাঁর অবস্থান জানিয়ে দিলে তিনি ধরা পড়েন। অতঃপর তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।'প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের সূর্যসেন এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলা একই পরিণতির শিকার হয়েছেন।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ১২০৪ সালে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি মাত্র ১৭/১৮ জন সৈন্য নিয়ে নদীয়ার শাসক লক্ষ্মণ সেনের রাজ্য আক্রমণ করেন। বখতিয়ার খিলজির শৃঙ্খলিত ও বিশ্বস্ত সেনবাহিনীর কাছে অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষ্মণ সেনের সেনাবাহিনী যুদ্ধ না করে জীবন বাঁচাতে পলায়ন করে। সেই সাথে লক্ষ্মণ সেনও সেদিন পলায়ন করেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বখতিয়ার খিলজি বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন। আসলে সেদিন সেখানে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি নির্দেশ করে? উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আঙ্গিকে উক্তিটি মূল্যায়ন কর।
- পুরানগড়ের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মাতামুহুরী নদী। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে, তারা এলাকার ধানি জমিগুলোকে ইটভাটা বানিয়ে কৃষি উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানোর কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন যজ্ঞে লিপ্ত হয়েছে। এলাকার পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যাবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়মূলক ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের নিকট এর প্রতিকার চায়। কিন্তু, ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই মানবিক বিপর্যয়ও ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের অসাধু ব্যবসায়ী এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজ বেনিয়াদের চরিত্র এক ও অভিন্ন।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- মহাকবি বাল্মীকির 'রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির প্রতিভূ। রামায়ন্ত্রে কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজান মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মেঘনাদ' চরিত্রটি তাঁর এক অসাধারণ সৃষ্টি। সীমাহীন দেশপ্রেম ও অসাধারণ বীরত্ব সত্ত্বেও গৃহশত্রু বিভীষণের কারণে তাকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়। মেঘনাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে রাম-রাবণ যুদ্ধে বিজয় সূচিত হয় আর্যশক্তির।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতার নাম পরিবর্তন করে কী নাম রাখলেন?
- তামা-তুলসী গঙ্গাজল ছুঁয়ে ঈশ্বরের নাম শপথ করছি , আমার জীবন নবাবের কল্যাণে উৎসর্গীকৃত ।'সিরাজ-উ-দ্দৌলা নাটকে এ উক্তি কে করে ?
- সিকানদার আবু জাফরের সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মোট দৃশ্য কয়টি ?
- "শওকত জঙ্গ নবাব হলে সকলের উদ্দেশ্য হাসিল হবে।"- কেন?
- এ দেশে থেকে এ দেশকে ভালোবেসেছি'- সংলাপটি কার?
- জোহরাঃ আর একদিন কি দু'দিন। তারপরই সে ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো, আমার সঙ্গে ফিরে চলো। কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হবো না, সে হবে বিশ্বাসঘাতক। ... আমার সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব/দলত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা। (রক্তাক্ত প্রান্তর- মুনীর চৌধুরী)উদ্দীপকের কার্দি চরিত্রের মাধ্যমে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি তুলে ধরা হয়েছে?
- "সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো" উক্তিটি কার?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।'-উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপ-চারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষিদের নীল চাষে বাধ্য করা, নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম, নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকান্ডের অংশ। প্রজা পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীন মাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীলকরকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তী সময়ে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীন মাধব মৃত্যুবরণ করে। 'অবস্থানগত ভিন্নতা পরিলক্ষিত হলেও নবীন মাধব এবং সিরাজউদ্দৌলার জীবন একই সূত্রে গাঁথা।'- মতামতসহ তোমার অবস্থান তুলে ধরো।
- 'তুমিও কম সাপিনী নও।'— ঘসেটি বেগমের এই উক্তিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠা একাই ভোগ দখল করার লক্ষে অতি আদরের ভাতিজা নাজমুলের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় চাচা বদরুল। উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন বিষয়টিকে ধারণ করেছে?
- নতুন বাইকে চেপে রাশেদ একদিন বিকেলে তার মামার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে নির্জন স্থানে লাঠিতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একজন লোক হাত তুলে তাকে থামতে বলে। রাশেদ কাছে গিয়ে বাইক থামালে লোকটি তাকে অনুরোধ করে বলে- "ভাই, আমি একজন পঙ্গু মানুষ, দয়া করে আমাকে সামনের মোড়ে নামিয়ে দিবেন?" রাশেদ তাকে বাইকের পিছনে নিয়ে কিছুদূর যেতেই লোকটি কৌশলে তার হাতের লাঠি ফেলে দেয় এবং তাকে লাঠিটা আনতে অনুরোধ করে। রাশেদ বাইক থেকে নেমে লাঠি আনতে গেলে লোকটি নিমিষেই বাইক নিয়ে উধাও হয়ে যায়।সরল বিশ্বাসের কারণে মানুষ প্রতারণার শিকার হয়- উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ক্ষেত্রে কতটুকু সত্য তা বিশ্লেষণ করো।
- নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চতুর ও উচ্চাভিলাষী চন্দ্রগুপ্ত গ্রিক শিবিরে আলেকজান্ডারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নন্দবংশের উৎখাতের জন্য তার সাহায্য কামনা করে। আলেকজান্ডার চন্দ্রগুপ্তের ধৃষ্টতায় রুষ্ট হয়ে তার প্রাণদণ্ড দিলেও সে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে। পরে বিচক্ষণ কূটনীতিবিদ ও অর্থনীতিবিদ চাণক্যের পরামর্শে নন্দবংশ ধ্বংসপূর্বক সিংহাসনে আরোহণ করে চন্দ্রগুপ্ত।উদ্দীপকের চন্দ্রগুপ্তের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফরের সাদৃশ্য বর্ণনা করো।