কীটপতঙ্গের জৈবিক নিয়ন্ত্রণে কোন ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করা হয়?
JUUnit-DSet-5জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবব্যাক্টেরিয়ার অর্থনৈতিক গুরুত্ব (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
Bacillus
Explanation: কীটপতঙ্গের জৈবিক নিয়ন্ত্রণে Bacillus (বিশেষত Bacillus thuringiensis) ব্যবহার করা হয়। Option C সঠিক। Option A (Azotobacter), Option B (Clostridium), এবং Option D (Escherichia) ভুল কারণ এগুলো কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয় না। নোট: Bacillus thuringiensis একটি কার্যকর ব্যাকটেরিয়া, যা কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Another Explanation (5): ```html
কীটপতঙ্গের জৈবিক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত ব্যাকটেরিয়া
কীটপতঙ্গের প্রজনন ও জীবনচক্র নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন জৈবিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে ব্যাকটেরিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
ব্যাকটেরিয়া যা কীটপতঙ্গের নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়
- 🦠 Bacillus — বিশেষ করে Bacillus thuringiensis (বেক্টেরিয়া প্রজাতি)
বেক্টেরিয়ার কার্যপ্রণালী
| ব্যাকটেরিয়া | কার্যপ্রণালী | উপকারিতা |
|---|---|---|
| Bacillus thuringiensis | কীটপতঙ্গের অন্ত্রে বিষাক্ত উপাদান মুক্ত করে, যা তাদের মৃত্যু ঘটায়। | প্রাকৃতিক, পরিবেশবান্ধব, ক্ষতিকর পোকামাকড়ের নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। |
উপসংহার
সুতরাং, কীটপতঙ্গের জৈবিক নিয়ন্ত্রণে Bacillus ব্যাকটেরিয়া, বিশেষ করে Bacillus thuringiensis, ব্যবহৃত হয়। এটি রাসায়নিক কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে পরিবেশের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর। 🌱🐞🦗
```Option A Explanation:
- Azotobacter হলো একটি গ্রাম-নেগেটিভ, অ-অ্যানারোবিক ব্যাক্টেরিয়া।
- এটি মূলত মাটিতে পাওয়া যায় এবং প্রাকৃতিকভাবে নাইট্রোজেন ফিক্সেশন করে, যা উদ্ভিদ বৃদ্ধিতে সহায়ক।
- অক্সিজেনের উপস্থিতিতে এটি সক্রিয়ভাবে নাইট্রোজেন গ্যাসকে অ্যামোনিয়াতে রূপান্তর করে, যা পুষ্টি হিসেবে উদ্ভিদ গ্রহণ করে।
- এটি সাধারণত কৃষিক্ষেত্রে প্রাকৃতিক সার হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং পরিবেশের জন্য উপকারী।
Option B Explanation:
- Clostridium: এটি একটি ধনাত্মক অ্যানারোবিক ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে, যেমন টেটানাস এবং কোলাইটিস।
- অতীতে কিছু ক্লোস্ট্রিডিয়াম প্রজাতি ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়াশেজ বা অন্যান্য শিল্পে ব্যবহৃত হয়েছে, তবে দই তৈরিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।
- প্রাকৃতিক অবস্থানে কিছু ক্লোস্ট্রিডিয়াম প্রজাতি অক্সিজেনের অভাবে বিভিন্ন দ্রব্যের মধ্যে উপস্থিত থাকতে পারে।
Option C Explanation:
- প্রকার: ব্যাসিলাস (Bacillus)
- অক্সিজেনের প্রয়োজন: কিছু ব্যাসিলাস প্রকার অ্যানোব্যাকটেরিয়া, অর্থাৎ তারা অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারে।
- উদাহরণ: Bacillus subtilis, Bacillus cereus
- অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে সক্ষমতা: হ্যাঁ, বিশেষ কিছু প্রজাতি অ্যানোব্যাকটেরিয়া হিসেবে কাজ করে এবং অক্সিজেনের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতিতে জীবনচক্র চালিয়ে যেতে পারে।
- ব্যাখ্যা: এই ব্যাকটেরিয়াগুলি সাধারণত অ্যানোব্যাকটেরিয়া বা অ্যানঅক্সিক প্রকারের হয়, যা অক্সিজেনের উপস্থিতিতে বা অনুপস্থিতিতে জীবিত থাকতে পারে।
Option D Explanation:
- Escherichia: Escherichia coli (E. coli) হলো একটি সাধারণ ব্যাকটেরিয়া যা প্রাথমিকভাবে মানব ও অন্যান্য উষ্ণরক্তবিশিষ্ট প্রাণীর অন্ত্রের স্বাভাবিক বাসস্থান।
- এটি বিভিন্ন ধরনের জৈবিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়, যেমন নিট্রোজেন সংশ্লেষণে সহায়তা করে।
- কিছু স্ট্রেন (উদাহরণস্বরূপ, E. coli Nissle 1917) প্রাকৃতিকভাবে জীবাণু নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হতে পারে।
- তবে, কীটপতঙ্গের জৈবিক নিয়ন্ত্রণে E. coli সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।
- সাধারণত, কীটপতঙ্গের নিয়ন্ত্রণে Bacillus (বিশেষ করে Bacillus thuringiensis) বেশি ব্যবহৃত হয়।